রাশিয়ার কৌশলেই যুক্তরাষ্ট্রকে কোণঠাসা করছে ইরান

রাশিয়ার কৌশলেই যুক্তরাষ্ট্রকে কোণঠাসা করছে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের যুগপৎ ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে বিভ্রান্ত করে আসছে রাশিয়া। ঠিক একই চাল এখন আমেরিকার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে ইরান। জর্ডানে তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলায় তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, পেন্টাগনের বিশাল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও যুদ্ধকৌশলে তারা কত দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারে। কোনো একক অস্ত্রের ওপর ভরসা না করে ইরান একই সঙ্গে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একপ্রকার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
পরপর ৫ দিন ধরে চালানো এ বহুমুখী হামলায় ইরানের মূল উদ্দেশ্যই ছিল পেন্টাগনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করা এবং তাদের ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র শেষ করা। তেহরান এমন কিছু দিক পরিবর্তনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে, যা আগাম শনাক্ত বা লক্ষ্যচ্যুত করা ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। প্রথম ৪ দিন মার্কিন বাহিনী বেশির ভাগ হামলা রুখে দিতে পেরেছিল। কিন্তু ১৭ জুলাই সব বাধা টপকে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সোজা গিয়ে আঘাত হানে একটি মার্কিন ঘাঁটির অস্থায়ী সেনা আবাসে। বিকট বিস্ফোরণে প্রাণ হারান তিনজন মার্কিন সেনা, আহত হন শতাধিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান।
এই ধাক্কা মার্কিন অস্ত্রের মজুদেও বড় ধরনের টান ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, সংঘাত সামলাতে পেন্টাগন এরই মধ্যে ১ হাজার ৫০০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে তাদের হাতে এখন ১ হাজার ৭০০টিরও কম প্রতিরোধক অবশিষ্ট রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য বলেছেন, তারা প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্রই ধ্বংস করতে পেরেছিলেন, কেবল একটি আঘাত হেনেছে। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সিএসআইএস’-এর সামরিক বিশ্লেষক সেথ জি জোনসের মতে, ইউক্রেনে ব্যবহৃত রাশিয়ার এ বহুমুখী কৌশল পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটির সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে বেশ কঠিন করে তুলেছে।
সংঘাতের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বেশ কিছু ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন বাহিনীর ধারণা ছিল, এতে ইরানের হামলা চালানোর ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে অবাক করে দিয়ে ইরান খুব দ্রুত সেই ক্ষতি সামলে ওঠে এবং নতুন করে হামলা শুরু করে। মূলত মাটির ৩০০ ফুটেরও গভীরে অবস্থিত ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’-এর মতো অতি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ আস্তানা ব্যবহার করে ইরান তাদের পারমাণবিক ও সামরিক সম্পদ রক্ষা করছে। ফলে বিমান হামলা চালিয়েও তেহরানকে নিরস্ত করা ওয়াশিংটনের জন্য এখন বড় এক সামরিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের যুগপৎ ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে বিভ্রান্ত করে আসছে রাশিয়া। ঠিক একই চাল এখন আমেরিকার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে ইরান। জর্ডানে তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলায় তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, পেন্টাগনের বিশাল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও যুদ্ধকৌশলে তারা কত দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারে। কোনো একক অস্ত্রের ওপর ভরসা না করে ইরান একই সঙ্গে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একপ্রকার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
পরপর ৫ দিন ধরে চালানো এ বহুমুখী হামলায় ইরানের মূল উদ্দেশ্যই ছিল পেন্টাগনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করা এবং তাদের ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র শেষ করা। তেহরান এমন কিছু দিক পরিবর্তনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে, যা আগাম শনাক্ত বা লক্ষ্যচ্যুত করা ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। প্রথম ৪ দিন মার্কিন বাহিনী বেশির ভাগ হামলা রুখে দিতে পেরেছিল। কিন্তু ১৭ জুলাই সব বাধা টপকে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সোজা গিয়ে আঘাত হানে একটি মার্কিন ঘাঁটির অস্থায়ী সেনা আবাসে। বিকট বিস্ফোরণে প্রাণ হারান তিনজন মার্কিন সেনা, আহত হন শতাধিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান।
এই ধাক্কা মার্কিন অস্ত্রের মজুদেও বড় ধরনের টান ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, সংঘাত সামলাতে পেন্টাগন এরই মধ্যে ১ হাজার ৫০০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে তাদের হাতে এখন ১ হাজার ৭০০টিরও কম প্রতিরোধক অবশিষ্ট রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য বলেছেন, তারা প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্রই ধ্বংস করতে পেরেছিলেন, কেবল একটি আঘাত হেনেছে। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সিএসআইএস’-এর সামরিক বিশ্লেষক সেথ জি জোনসের মতে, ইউক্রেনে ব্যবহৃত রাশিয়ার এ বহুমুখী কৌশল পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটির সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে বেশ কঠিন করে তুলেছে।
সংঘাতের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বেশ কিছু ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন বাহিনীর ধারণা ছিল, এতে ইরানের হামলা চালানোর ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে অবাক করে দিয়ে ইরান খুব দ্রুত সেই ক্ষতি সামলে ওঠে এবং নতুন করে হামলা শুরু করে। মূলত মাটির ৩০০ ফুটেরও গভীরে অবস্থিত ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’-এর মতো অতি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ আস্তানা ব্যবহার করে ইরান তাদের পারমাণবিক ও সামরিক সম্পদ রক্ষা করছে। ফলে বিমান হামলা চালিয়েও তেহরানকে নিরস্ত করা ওয়াশিংটনের জন্য এখন বড় এক সামরিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

রাশিয়ার কৌশলেই যুক্তরাষ্ট্রকে কোণঠাসা করছে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের যুগপৎ ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে বিভ্রান্ত করে আসছে রাশিয়া। ঠিক একই চাল এখন আমেরিকার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে ইরান। জর্ডানে তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলায় তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, পেন্টাগনের বিশাল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও যুদ্ধকৌশলে তারা কত দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারে। কোনো একক অস্ত্রের ওপর ভরসা না করে ইরান একই সঙ্গে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একপ্রকার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
পরপর ৫ দিন ধরে চালানো এ বহুমুখী হামলায় ইরানের মূল উদ্দেশ্যই ছিল পেন্টাগনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করা এবং তাদের ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র শেষ করা। তেহরান এমন কিছু দিক পরিবর্তনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে, যা আগাম শনাক্ত বা লক্ষ্যচ্যুত করা ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। প্রথম ৪ দিন মার্কিন বাহিনী বেশির ভাগ হামলা রুখে দিতে পেরেছিল। কিন্তু ১৭ জুলাই সব বাধা টপকে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সোজা গিয়ে আঘাত হানে একটি মার্কিন ঘাঁটির অস্থায়ী সেনা আবাসে। বিকট বিস্ফোরণে প্রাণ হারান তিনজন মার্কিন সেনা, আহত হন শতাধিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান।
এই ধাক্কা মার্কিন অস্ত্রের মজুদেও বড় ধরনের টান ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, সংঘাত সামলাতে পেন্টাগন এরই মধ্যে ১ হাজার ৫০০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে তাদের হাতে এখন ১ হাজার ৭০০টিরও কম প্রতিরোধক অবশিষ্ট রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য বলেছেন, তারা প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্রই ধ্বংস করতে পেরেছিলেন, কেবল একটি আঘাত হেনেছে। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সিএসআইএস’-এর সামরিক বিশ্লেষক সেথ জি জোনসের মতে, ইউক্রেনে ব্যবহৃত রাশিয়ার এ বহুমুখী কৌশল পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটির সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে বেশ কঠিন করে তুলেছে।
সংঘাতের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বেশ কিছু ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন বাহিনীর ধারণা ছিল, এতে ইরানের হামলা চালানোর ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে অবাক করে দিয়ে ইরান খুব দ্রুত সেই ক্ষতি সামলে ওঠে এবং নতুন করে হামলা শুরু করে। মূলত মাটির ৩০০ ফুটেরও গভীরে অবস্থিত ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’-এর মতো অতি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ আস্তানা ব্যবহার করে ইরান তাদের পারমাণবিক ও সামরিক সম্পদ রক্ষা করছে। ফলে বিমান হামলা চালিয়েও তেহরানকে নিরস্ত করা ওয়াশিংটনের জন্য এখন বড় এক সামরিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

‘পারমাণবিক অস্ত্র’ ব্যবহার করলে বিশ্বজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি দখলের হুমকি ইরানের







