ইরানে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের বিস্তারিত রূপরেখা উপস্থাপন করবেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এ পরিকল্পনায় মূলত ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী বিমান হামলার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সেন্টকম প্রধানের পাশাপাশি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ট্রাম্পের সামনে উপস্থাপিত বিকল্পগুলোর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির একাংশ দখল করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বর্তমানে এ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল করতে প্রয়োজনে মার্কিন স্থল বাহিনীকে ব্যবহারের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো, এ ধরনের প্রবল সামরিক চাপের মুখে ইরানকে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় নমনীয় হতে বাধ্য করা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেহেতু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বড় হুমকি হিসেবে দেখেন, তাই দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযানের প্রস্তাবও ব্রিফিংয়ে উঠতে পারে।
ইরান শুরু থেকেই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে আসলেও মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় দেশটির বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করছেন অনেক আইন বিশেষজ্ঞ। বিশেষ করে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী জনসাধারণের জন্য অপরিহার্য স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি মাঝেই সামরিক পদক্ষেপের খবরটি সামনে এলো। উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউস বা সেন্টকম এখন পর্যন্ত এ পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের বিস্তারিত রূপরেখা উপস্থাপন করবেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এ পরিকল্পনায় মূলত ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী বিমান হামলার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সেন্টকম প্রধানের পাশাপাশি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ট্রাম্পের সামনে উপস্থাপিত বিকল্পগুলোর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির একাংশ দখল করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বর্তমানে এ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল করতে প্রয়োজনে মার্কিন স্থল বাহিনীকে ব্যবহারের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো, এ ধরনের প্রবল সামরিক চাপের মুখে ইরানকে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় নমনীয় হতে বাধ্য করা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেহেতু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বড় হুমকি হিসেবে দেখেন, তাই দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযানের প্রস্তাবও ব্রিফিংয়ে উঠতে পারে।
ইরান শুরু থেকেই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে আসলেও মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় দেশটির বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করছেন অনেক আইন বিশেষজ্ঞ। বিশেষ করে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী জনসাধারণের জন্য অপরিহার্য স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি মাঝেই সামরিক পদক্ষেপের খবরটি সামনে এলো। উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউস বা সেন্টকম এখন পর্যন্ত এ পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের বিস্তারিত রূপরেখা উপস্থাপন করবেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এ পরিকল্পনায় মূলত ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী বিমান হামলার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সেন্টকম প্রধানের পাশাপাশি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ট্রাম্পের সামনে উপস্থাপিত বিকল্পগুলোর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির একাংশ দখল করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বর্তমানে এ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল করতে প্রয়োজনে মার্কিন স্থল বাহিনীকে ব্যবহারের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো, এ ধরনের প্রবল সামরিক চাপের মুখে ইরানকে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় নমনীয় হতে বাধ্য করা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেহেতু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বড় হুমকি হিসেবে দেখেন, তাই দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযানের প্রস্তাবও ব্রিফিংয়ে উঠতে পারে।
ইরান শুরু থেকেই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে আসলেও মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় দেশটির বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করছেন অনেক আইন বিশেষজ্ঞ। বিশেষ করে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী জনসাধারণের জন্য অপরিহার্য স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি মাঝেই সামরিক পদক্ষেপের খবরটি সামনে এলো। উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউস বা সেন্টকম এখন পর্যন্ত এ পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানে হামলার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি ট্রাম্পের
৫০০ মিলিয়ন ডলারের ইরানি ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের


