শিরোনাম

ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে: জার্মান চ্যান্সেলর

সিটিজেন ডেস্ক
ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে: জার্মান চ্যান্সেলর
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসে। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে আবারও হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইতোমধ্যেই একদিনে ইসরায়েলে সাড়ে ৬ হাজার টন সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যেই ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। তিনি আরও বলেন, তেহরানকে সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে হবে। তারা আর পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য), এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে। ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না। হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত।

‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’ তদবির করেছেন জানিয়ে মের্ৎস বলেন, হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে।

তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে, ‘বিশেষ করে ওয়াশিংটনে’ নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর। তিনি বলেন, আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে।

‘এই উত্তাল সময়ে আমরা একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসরণ করছি। এই দিকনির্দেশনা একটি শক্তিশালী ন্যাটো এবং একটি নির্ভরযোগ্য ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বের দিকেই নির্দেশিত থাকে,’ বলেন তিনি।

এর আগে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিক মের্ৎস।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

/জেএইচ/