নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ২৮৭ মনোনয়ন, থাকছেন কারা

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ২৮৭ মনোনয়ন, থাকছেন কারা
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ইরানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১৬৫ জন শিশুকে হত্যা এবং ২০২৫ সালে অন্তত ছয়টি দেশে বোমা হামলা চালিয়ে অসংখ্য বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটিয়েছে। ভয়াবহ পরিসংখ্যান ও তীব্র বিতর্কের পরও ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের আলোচনায় তার নাম বেশ জোরালোভাবেই উচ্চারিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন চলতি বছরের জন্য ২৮৭ জন প্রার্থীর নাম বিবেচনার কথা জানানোর পর ট্রাম্পের সম্ভাব্য মনোনয়নের বিষয়টি নতুন করে সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে।
চলতি বছরের মনোনয়নের দীর্ঘ তালিকায় ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা স্থান পেয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে নরওয়ের নোবেল কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করা হার্পভিকেন এবারের তালিকা নিয়ে বেশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, কমিটিতে নতুন হিসেবে এবারের তালিকায় এত বেশি নতুন মুখের উপস্থিতি তাকে অবাক করেছে। বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত সংঘাত বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চরম চাপের মুখে থাকলেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের সময়ে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি ইতিবাচক ও ভালো কাজ হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনোনয়নের গুঞ্জনটি মূলত জোরালো হয়েছে কম্বোডিয়া, ইসরায়েল এবং পাকিস্তানের নেতাদের দাবির প্রেক্ষিতে। তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের সম্মানজনক এ পুরস্কারের জন্য তারা ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করেছেন। নোবেল কমিটির নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ জানুয়ারি, তাই ধারণা করা হচ্ছে তাদের এ মনোনয়ন প্রস্তাব ইতোমধ্যেই গৃহীত হয়েছে। তবে কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রকাশ্যে এমন দাবি করলেও তা স্বাধীনভাবে যাচাই করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, নোবেল কমিটির নিয়মানুযায়ী মনোনয়নের বিষয়টি ৫০ বছর ধরে গোপন রাখা হয়। প্রত্যাশিতভাবেই নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি হার্পভিকেন ট্রাম্পের মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য কাউকে মনোনীত করার অর্থই এই নয় যে তিনি পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়ে গেছেন। নোবেল কমিটির নিজস্ব সদস্যদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও পার্লামেন্টের সদস্য, বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, আইন ও দর্শনের অধ্যাপক এবং সাবেক নোবেলজয়ীসহ হাজার হাজার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করতে পারেন। এদিকে, এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নিয়ে বাজি ধরার ওয়েবসাইটগুলোতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। এসব আলোচিত নামের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত রুশ বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া, পোপ লিও এবং সুদানের স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণ সংস্থা ইমারজেন্সি রেসপন্স রুমস।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ইরানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১৬৫ জন শিশুকে হত্যা এবং ২০২৫ সালে অন্তত ছয়টি দেশে বোমা হামলা চালিয়ে অসংখ্য বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটিয়েছে। ভয়াবহ পরিসংখ্যান ও তীব্র বিতর্কের পরও ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের আলোচনায় তার নাম বেশ জোরালোভাবেই উচ্চারিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন চলতি বছরের জন্য ২৮৭ জন প্রার্থীর নাম বিবেচনার কথা জানানোর পর ট্রাম্পের সম্ভাব্য মনোনয়নের বিষয়টি নতুন করে সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে।
চলতি বছরের মনোনয়নের দীর্ঘ তালিকায় ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা স্থান পেয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে নরওয়ের নোবেল কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করা হার্পভিকেন এবারের তালিকা নিয়ে বেশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, কমিটিতে নতুন হিসেবে এবারের তালিকায় এত বেশি নতুন মুখের উপস্থিতি তাকে অবাক করেছে। বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত সংঘাত বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চরম চাপের মুখে থাকলেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের সময়ে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি ইতিবাচক ও ভালো কাজ হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনোনয়নের গুঞ্জনটি মূলত জোরালো হয়েছে কম্বোডিয়া, ইসরায়েল এবং পাকিস্তানের নেতাদের দাবির প্রেক্ষিতে। তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের সম্মানজনক এ পুরস্কারের জন্য তারা ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করেছেন। নোবেল কমিটির নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ জানুয়ারি, তাই ধারণা করা হচ্ছে তাদের এ মনোনয়ন প্রস্তাব ইতোমধ্যেই গৃহীত হয়েছে। তবে কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রকাশ্যে এমন দাবি করলেও তা স্বাধীনভাবে যাচাই করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, নোবেল কমিটির নিয়মানুযায়ী মনোনয়নের বিষয়টি ৫০ বছর ধরে গোপন রাখা হয়। প্রত্যাশিতভাবেই নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি হার্পভিকেন ট্রাম্পের মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য কাউকে মনোনীত করার অর্থই এই নয় যে তিনি পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়ে গেছেন। নোবেল কমিটির নিজস্ব সদস্যদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও পার্লামেন্টের সদস্য, বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, আইন ও দর্শনের অধ্যাপক এবং সাবেক নোবেলজয়ীসহ হাজার হাজার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করতে পারেন। এদিকে, এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নিয়ে বাজি ধরার ওয়েবসাইটগুলোতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। এসব আলোচিত নামের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত রুশ বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া, পোপ লিও এবং সুদানের স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণ সংস্থা ইমারজেন্সি রেসপন্স রুমস।
সূত্র: রয়টার্স

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ২৮৭ মনোনয়ন, থাকছেন কারা
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ইরানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১৬৫ জন শিশুকে হত্যা এবং ২০২৫ সালে অন্তত ছয়টি দেশে বোমা হামলা চালিয়ে অসংখ্য বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটিয়েছে। ভয়াবহ পরিসংখ্যান ও তীব্র বিতর্কের পরও ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের আলোচনায় তার নাম বেশ জোরালোভাবেই উচ্চারিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন চলতি বছরের জন্য ২৮৭ জন প্রার্থীর নাম বিবেচনার কথা জানানোর পর ট্রাম্পের সম্ভাব্য মনোনয়নের বিষয়টি নতুন করে সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে।
চলতি বছরের মনোনয়নের দীর্ঘ তালিকায় ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা স্থান পেয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে নরওয়ের নোবেল কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করা হার্পভিকেন এবারের তালিকা নিয়ে বেশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, কমিটিতে নতুন হিসেবে এবারের তালিকায় এত বেশি নতুন মুখের উপস্থিতি তাকে অবাক করেছে। বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত সংঘাত বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চরম চাপের মুখে থাকলেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের সময়ে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি ইতিবাচক ও ভালো কাজ হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনোনয়নের গুঞ্জনটি মূলত জোরালো হয়েছে কম্বোডিয়া, ইসরায়েল এবং পাকিস্তানের নেতাদের দাবির প্রেক্ষিতে। তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের সম্মানজনক এ পুরস্কারের জন্য তারা ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করেছেন। নোবেল কমিটির নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ জানুয়ারি, তাই ধারণা করা হচ্ছে তাদের এ মনোনয়ন প্রস্তাব ইতোমধ্যেই গৃহীত হয়েছে। তবে কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রকাশ্যে এমন দাবি করলেও তা স্বাধীনভাবে যাচাই করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, নোবেল কমিটির নিয়মানুযায়ী মনোনয়নের বিষয়টি ৫০ বছর ধরে গোপন রাখা হয়। প্রত্যাশিতভাবেই নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি হার্পভিকেন ট্রাম্পের মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য কাউকে মনোনীত করার অর্থই এই নয় যে তিনি পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়ে গেছেন। নোবেল কমিটির নিজস্ব সদস্যদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও পার্লামেন্টের সদস্য, বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, আইন ও দর্শনের অধ্যাপক এবং সাবেক নোবেলজয়ীসহ হাজার হাজার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করতে পারেন। এদিকে, এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নিয়ে বাজি ধরার ওয়েবসাইটগুলোতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। এসব আলোচিত নামের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত রুশ বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া, পোপ লিও এবং সুদানের স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণ সংস্থা ইমারজেন্সি রেসপন্স রুমস।
সূত্র: রয়টার্স

ট্রাম্পকে নোবেল পদক উপহার দিলেন মাচাদো


