নতুন হামলা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

নতুন হামলা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটনকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানা হবে বলে জানিয়েছে তেহরান। একইসঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেছে। জলপথটি পুনরায় সচল করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতি সংঘাত প্রায় দুই মাস অতিক্রম করেছে। তবে এখনও কার্যত বন্ধ রয়েছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী। এমনকি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।
গত ৮ এপ্রিল থেকে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেয়।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানকে আলোচনায় ফেরত আনার বিষয়ে বাধ্য করতে পুনরায় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিফিং করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দ শোনা গেছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর জানিয়েছে, ড্রোন ও নজরদারি বিমান ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটনকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানা হবে বলে জানিয়েছে তেহরান। একইসঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেছে। জলপথটি পুনরায় সচল করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতি সংঘাত প্রায় দুই মাস অতিক্রম করেছে। তবে এখনও কার্যত বন্ধ রয়েছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী। এমনকি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।
গত ৮ এপ্রিল থেকে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেয়।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানকে আলোচনায় ফেরত আনার বিষয়ে বাধ্য করতে পুনরায় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিফিং করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দ শোনা গেছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর জানিয়েছে, ড্রোন ও নজরদারি বিমান ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

নতুন হামলা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটনকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানা হবে বলে জানিয়েছে তেহরান। একইসঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেছে। জলপথটি পুনরায় সচল করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতি সংঘাত প্রায় দুই মাস অতিক্রম করেছে। তবে এখনও কার্যত বন্ধ রয়েছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী। এমনকি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।
গত ৮ এপ্রিল থেকে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেয়।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানকে আলোচনায় ফেরত আনার বিষয়ে বাধ্য করতে পুনরায় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিফিং করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দ শোনা গেছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর জানিয়েছে, ড্রোন ও নজরদারি বিমান ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

যুদ্ধজাহাজে জ্বালানি, অস্ত্র ও খাবার মজুত করছে যুক্তরাষ্ট্র


