ট্রাম্পের প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে পুলিৎজার জিতলো রয়টার্স

ট্রাম্পের প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে পুলিৎজার জিতলো রয়টার্স
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এছাড়াও শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও পুলিৎজার জিতেছে সংবাদমাধ্যমটি।
শুধুমাত্র রয়টার্স নয় এ বছর বিভিন্ন বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ও ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্যাপক কাটছাঁট নিয়ে প্রতিবেদন করে পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প, তার পরিবার ও ট্রাম্পের মিত্ররা কীভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন- এ নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিভাগে পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মতামতধর্মী লেখার জন্য পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের এম গেসেন। এছাড়া গাজার মানবিক সংকটের ছবি তুলে ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুলিৎজার পুরষ্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রদায়ক সাহের আলঘোরা।
এবছর বিশ্লেষণধর্মী বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের তিন সাংবাদিক সুশি নেইলসেন, মেগান ফ্যান মিউনি আর সারা ডিনাটালে ।
স্থানীয় সাংবাদিকতায় পুরস্কার জিতে নিয়েছে কানেটিকাট মিররের ডেভআলটিমারি ও গিনি মঙ্ক এবং প্রোপাবলিকার সোফি চউ ও হারু কোরনি। আরেকটি শিকাগো ট্রিবিউনের কর্মীদের ঝুলিতে গেছে।
ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কারজয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেষত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার ও মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। এছাড়া, বিট রিপোর্টিং বিভাগে জয়ী ব্যক্তিদের তালিকায় রয়টার্সের জেফ হরউইজ ও এনজেন থামের নাম রয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) প্রদায়ক ডেক কাং, গ্রেরেনস বুরকি, বায়রন টাউ, অনিরুদ্ধ ঘোষাল ও ইয়েল গ্রাউয়ের।
এদিকে, ফিচার লিখে পুলিৎজার জিতেছেন টেক্সাস মান্থলির অ্যারন পার্সলে। সমালোচনা বিভাগে ডালাস মর্নিং নিউজের মার্ক ল্যামস্টার এবং ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টিং অ্যান্ড কমেন্টারি বিভাগে ব্লুমবার্গের আনন্দ আরকে, সুপর্ণা শর্মা আর নাটালি ওবিকো পিয়ারসন পুলিৎজার জিতেছেন।
‘ফিচার ফটোগ্রাফি’ বিভাগে এ বছরের পুলিৎজার জিতেছেন ওয়াশিংটন পোস্টের জাহি চিকেওয়েনদু। এছাড়া, অডিও রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন পডকাস্ট পাবলো টোরি ফাইন্ডস আউটের কর্মীরা।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার হলো পুলিৎজার। যা সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এছাড়াও শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও পুলিৎজার জিতেছে সংবাদমাধ্যমটি।
শুধুমাত্র রয়টার্স নয় এ বছর বিভিন্ন বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ও ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্যাপক কাটছাঁট নিয়ে প্রতিবেদন করে পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প, তার পরিবার ও ট্রাম্পের মিত্ররা কীভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন- এ নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিভাগে পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মতামতধর্মী লেখার জন্য পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের এম গেসেন। এছাড়া গাজার মানবিক সংকটের ছবি তুলে ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুলিৎজার পুরষ্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রদায়ক সাহের আলঘোরা।
এবছর বিশ্লেষণধর্মী বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের তিন সাংবাদিক সুশি নেইলসেন, মেগান ফ্যান মিউনি আর সারা ডিনাটালে ।
স্থানীয় সাংবাদিকতায় পুরস্কার জিতে নিয়েছে কানেটিকাট মিররের ডেভআলটিমারি ও গিনি মঙ্ক এবং প্রোপাবলিকার সোফি চউ ও হারু কোরনি। আরেকটি শিকাগো ট্রিবিউনের কর্মীদের ঝুলিতে গেছে।
ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কারজয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেষত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার ও মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। এছাড়া, বিট রিপোর্টিং বিভাগে জয়ী ব্যক্তিদের তালিকায় রয়টার্সের জেফ হরউইজ ও এনজেন থামের নাম রয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) প্রদায়ক ডেক কাং, গ্রেরেনস বুরকি, বায়রন টাউ, অনিরুদ্ধ ঘোষাল ও ইয়েল গ্রাউয়ের।
এদিকে, ফিচার লিখে পুলিৎজার জিতেছেন টেক্সাস মান্থলির অ্যারন পার্সলে। সমালোচনা বিভাগে ডালাস মর্নিং নিউজের মার্ক ল্যামস্টার এবং ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টিং অ্যান্ড কমেন্টারি বিভাগে ব্লুমবার্গের আনন্দ আরকে, সুপর্ণা শর্মা আর নাটালি ওবিকো পিয়ারসন পুলিৎজার জিতেছেন।
‘ফিচার ফটোগ্রাফি’ বিভাগে এ বছরের পুলিৎজার জিতেছেন ওয়াশিংটন পোস্টের জাহি চিকেওয়েনদু। এছাড়া, অডিও রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন পডকাস্ট পাবলো টোরি ফাইন্ডস আউটের কর্মীরা।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার হলো পুলিৎজার। যা সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

ট্রাম্পের প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে পুলিৎজার জিতলো রয়টার্স
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এছাড়াও শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও পুলিৎজার জিতেছে সংবাদমাধ্যমটি।
শুধুমাত্র রয়টার্স নয় এ বছর বিভিন্ন বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ও ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্যাপক কাটছাঁট নিয়ে প্রতিবেদন করে পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প, তার পরিবার ও ট্রাম্পের মিত্ররা কীভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন- এ নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিভাগে পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মতামতধর্মী লেখার জন্য পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের এম গেসেন। এছাড়া গাজার মানবিক সংকটের ছবি তুলে ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুলিৎজার পুরষ্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রদায়ক সাহের আলঘোরা।
এবছর বিশ্লেষণধর্মী বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের তিন সাংবাদিক সুশি নেইলসেন, মেগান ফ্যান মিউনি আর সারা ডিনাটালে ।
স্থানীয় সাংবাদিকতায় পুরস্কার জিতে নিয়েছে কানেটিকাট মিররের ডেভআলটিমারি ও গিনি মঙ্ক এবং প্রোপাবলিকার সোফি চউ ও হারু কোরনি। আরেকটি শিকাগো ট্রিবিউনের কর্মীদের ঝুলিতে গেছে।
ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কারজয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেষত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার ও মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। এছাড়া, বিট রিপোর্টিং বিভাগে জয়ী ব্যক্তিদের তালিকায় রয়টার্সের জেফ হরউইজ ও এনজেন থামের নাম রয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) প্রদায়ক ডেক কাং, গ্রেরেনস বুরকি, বায়রন টাউ, অনিরুদ্ধ ঘোষাল ও ইয়েল গ্রাউয়ের।
এদিকে, ফিচার লিখে পুলিৎজার জিতেছেন টেক্সাস মান্থলির অ্যারন পার্সলে। সমালোচনা বিভাগে ডালাস মর্নিং নিউজের মার্ক ল্যামস্টার এবং ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টিং অ্যান্ড কমেন্টারি বিভাগে ব্লুমবার্গের আনন্দ আরকে, সুপর্ণা শর্মা আর নাটালি ওবিকো পিয়ারসন পুলিৎজার জিতেছেন।
‘ফিচার ফটোগ্রাফি’ বিভাগে এ বছরের পুলিৎজার জিতেছেন ওয়াশিংটন পোস্টের জাহি চিকেওয়েনদু। এছাড়া, অডিও রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন পডকাস্ট পাবলো টোরি ফাইন্ডস আউটের কর্মীরা।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার হলো পুলিৎজার। যা সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুলিৎজার পেলেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী


