শিরোনাম

হিজবুল্লাহর সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার দাবি প্রত্যাখ্যান লেবাননের

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
হিজবুল্লাহর সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার দাবি প্রত্যাখ্যান লেবাননের
হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মে মাসের শেষের দিকে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদকে সরাসরি ফোন করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফোনালাপে তিনি হিজবুল্লাহর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে রাষ্ট্রদূত তাৎক্ষণিকভাবে জানিয়ে দেন, তার পক্ষে এমন কোনো আয়োজন করা সম্ভব নয়।

লেবানন সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রমতে, ওই সময়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে বৈরুত নিজেদের দেশের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছিল। ফলে সরকারের বাইরে ট্রাম্প ও হিজবুল্লাহর মধ্যে কোনো সরাসরি বৈঠক হলে তা লেবানন প্রেসিডেন্সির রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে দিত। এ কারণে বিষয়টি প্রেসিডেন্সিকে জানানো হলে রাষ্ট্রদূতকে ট্রাম্পের প্রস্তাবটি এড়িয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অবশ্য এই ঘটনার কিছুদিন পর, ১ জুন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একেবারেই ভিন্ন দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, উচ্চপর্যায়ের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হিজবুল্লাহর সঙ্গে তার সফল আলোচনা হয়েছে এবং গোষ্ঠীটি ইসরায়েলে সব ধরনের হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই দাবি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র এবং লেবাননের কূটনৈতিক মহল। তারা নিশ্চিত করেছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে হিজবুল্লাহর কোনো ধরনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগই হয়নি।

লেবাননের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে বিভিন্ন সময়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবারই তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো রকম আলোচনা না করাই হিজবুল্লাহর নীতিগত অবস্থান। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

/এমএকে/