বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ আগস্ট ট্রাম্প প্রশাসনের ওই নীতি বাতিল করেন ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস। পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত ওই নীতিকে ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়। যা পরবর্তীতে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত করে।
এসব দেশের মধ্যে লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অনেক দেশও এ তালিকায় ছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ওপর তাদের নির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি। এ কারণেই তাদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল।
অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক’ ও ‘আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার’ নামে দুটি সংগঠনের করা মামলায় এ রায় দিয়েছেন বিচারক ভার্গাস। মামলায় আরও ছিলেন তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীরা। এ ছাড়া এসব দেশের নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার জন্য তাদের পক্ষে যেসব মার্কিন নাগরিক অভিবাসী ভিসার আবেদন করেছিলেন, তারাও মামলায় ছিলেন।
সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, এনডিটিভি

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ আগস্ট ট্রাম্প প্রশাসনের ওই নীতি বাতিল করেন ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস। পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত ওই নীতিকে ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়। যা পরবর্তীতে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত করে।
এসব দেশের মধ্যে লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অনেক দেশও এ তালিকায় ছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ওপর তাদের নির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি। এ কারণেই তাদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল।
অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক’ ও ‘আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার’ নামে দুটি সংগঠনের করা মামলায় এ রায় দিয়েছেন বিচারক ভার্গাস। মামলায় আরও ছিলেন তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীরা। এ ছাড়া এসব দেশের নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার জন্য তাদের পক্ষে যেসব মার্কিন নাগরিক অভিবাসী ভিসার আবেদন করেছিলেন, তারাও মামলায় ছিলেন।
সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, এনডিটিভি

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ আগস্ট ট্রাম্প প্রশাসনের ওই নীতি বাতিল করেন ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস। পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত ওই নীতিকে ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়। যা পরবর্তীতে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত করে।
এসব দেশের মধ্যে লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অনেক দেশও এ তালিকায় ছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ওপর তাদের নির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি। এ কারণেই তাদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল।
অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক’ ও ‘আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার’ নামে দুটি সংগঠনের করা মামলায় এ রায় দিয়েছেন বিচারক ভার্গাস। মামলায় আরও ছিলেন তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীরা। এ ছাড়া এসব দেশের নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার জন্য তাদের পক্ষে যেসব মার্কিন নাগরিক অভিবাসী ভিসার আবেদন করেছিলেন, তারাও মামলায় ছিলেন।
সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, এনডিটিভি

ভিসা-গ্রিন কার্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিমালা 







-CznNewsLab-17c7c2-480x270.webp)