শিরোনাম

আল জাজিরার প্রতিবেদন

বৈশ্বিক আধিপত্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন

সিটিজেন ডেস্ক
বৈশ্বিক আধিপত্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত

মাত্র আড়াই দশকের ব্যবধানে বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ পাল্টে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে চীন। একসময়ের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত একচ্ছত্র শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা ওয়াশিংটন এখন বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মুখে দাঁড়িয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক জটিল সন্ধিক্ষণে।

এমন প্রেক্ষাপটে চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সফরে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ও সংবেদনশীল ইস্যুগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনার টেবিলে আনা হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে আরোপ করা আকাশচুম্বী শুল্ক নীতি যা একপর্যায়ে ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত স্পর্শ করেছিল তা নিয়ে নতুন করে দরকষাকষি চলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি শিল্পের জন্য অপরিহার্য উপাদান বিরল খনিজ বাণিজ্য এবং তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির মতো দীর্ঘস্থায়ী বিবাদমান বিষয়গুলো আলোচনায় বাড়তি উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

তবে দ্বিপাক্ষিক এসব বিষয়ের বাইরেও বর্তমানে বৈশ্বিক উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান চরম উত্তেজনা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির আংশিক অচলাবস্থা বিশ্ববাজারকে এক ভয়াবহ সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যেহেতু বিশ্বের মোট অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা যেন ইরানের ওপর নিজেদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে বেইজিংয়ের মধ্যস্থতাকে এখন বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্র: আল জাজিরা

/এমএকে/