নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: বাবার পর একে একে ৩ সন্তানের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: বাবার পর একে একে ৩ সন্তানের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেলো তিন ভাই-বোন। বর্তমানে হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশুদের মা সালমা আক্তার।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর পৌনে একটার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু মুন্নি (৭)। তার কিছু সময় আগেই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মৃত্যুবরণ করেছিল তার ভাই মুন্না (১২)।
এর আগে, গতকাল বুধবার তাদের বোন কথা (৪) এবং সোমবার মারা যান তাদের বাবা আবুল কালাম (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মুন্নার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৪০ শতাংশ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের মা সালমা আক্তার ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এখনও ভর্তি আছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বালুকদিয়া গ্রামে। জীবিকার প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করছিল পরিবারটি।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেলো তিন ভাই-বোন। বর্তমানে হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশুদের মা সালমা আক্তার।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর পৌনে একটার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু মুন্নি (৭)। তার কিছু সময় আগেই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মৃত্যুবরণ করেছিল তার ভাই মুন্না (১২)।
এর আগে, গতকাল বুধবার তাদের বোন কথা (৪) এবং সোমবার মারা যান তাদের বাবা আবুল কালাম (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মুন্নার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৪০ শতাংশ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের মা সালমা আক্তার ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এখনও ভর্তি আছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বালুকদিয়া গ্রামে। জীবিকার প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করছিল পরিবারটি।

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: বাবার পর একে একে ৩ সন্তানের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেলো তিন ভাই-বোন। বর্তমানে হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশুদের মা সালমা আক্তার।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর পৌনে একটার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু মুন্নি (৭)। তার কিছু সময় আগেই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মৃত্যুবরণ করেছিল তার ভাই মুন্না (১২)।
এর আগে, গতকাল বুধবার তাদের বোন কথা (৪) এবং সোমবার মারা যান তাদের বাবা আবুল কালাম (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মুন্নার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৪০ শতাংশ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের মা সালমা আক্তার ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এখনও ভর্তি আছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বালুকদিয়া গ্রামে। জীবিকার প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করছিল পরিবারটি।

ফতুল্লায় আবারও গ্যাস বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৪ সদস্য দগ্ধ


