জটিলতা কাটিয়ে কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন
সিটিজেন ডেস্ক

জটিলতা কাটিয়ে কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৭: ৫৫

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন। ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ ১০ দিনের টানাপোড়েন ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে ভারতের কেরালা রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৬১ বছর বয়সী কংগ্রেস নেতা ভি ডি সতীশন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিল্লির কংগ্রেস সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কেরালার দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক দীপা দাশমুন্সী দলের এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
এর ফলে বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট জোট এলডিএফকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জয়ী হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। এবারের নির্বাচনে ১৪০ সদস্যের বিধানসভায় ইউডিএফ জোট ১০২টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৪ মে ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ মহলে দফায় দফায় বৈঠক চলছিল। এর আগে ৭ মে নবনির্বাচিত বিধায়করা পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের ভার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে সতীশনের পাশাপাশি ছিলেন দলের সাবেক সভাপতি রমেশ চেন্নিথালা এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল। তবে লোকসভার সদস্য বেণুগোপালকে মুখ্যমন্ত্রী করলে উপনির্বাচন ও কেন্দ্রীয় সংগঠনে রদবদলের ঝুঁকি নিতে চায়নি হাইকমান্ড। সতীশন ২০০১ সাল থেকে টানা ছয়বার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং গত ৫ বছর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বামফ্রন্ট বিরোধী প্রচারের প্রধান মুখও ছিলেন তিনি। বিশেষ করে জোটের প্রধান শরিক ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের (আইইউএমএল) জোরালো সমর্থন সতীশনের পাল্লা ভারী করেছে। এমনকি ওয়েনাড লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়াঙ্কা ও রাহুল গান্ধীকে সতর্ক করে সতীশনের সমর্থনে পোস্টারও পড়েছিল। আইইউএমএল এবার ২২টি আসন পাওয়ায় তাদের দাবিকে অগ্রাহ্য করার উপায় ছিল না কংগ্রেসের। যদিও দলের বেশিরভাগ বিধায়ক প্রথমে বেণুগোপালের পক্ষে ছিলেন, কিন্তু শরিকি চাপ ও কৌশলগত কারণে খাড়গে ও রাহুল গান্ধী শেষ পর্যন্ত সতীশনকেই বেছে নেন। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কংগ্রেস হাই কমান্ড নির্বাচিত বিধায়কদের মতামতের চেয়ে শরিকদের ইচ্ছাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার এক নতুন নজির স্থাপন করল।
দলের এ সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে রাহুল গান্ধী ব্যক্তিগতভাবে রমেশ চেন্নিথালা ও বেণুগোপালের সঙ্গে কথা বলেন। সূত্রের খবর, অভিজ্ঞ নেতা রমেশ চেন্নিথালাকে বিধানসভার স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সতীশনের নাম ঘোষণার পর বেণুগোপাল দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি এই সিদ্ধান্তে খুশি এবং সতীশনের নেতৃত্বে নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে।
সূত্র: এনডিটিভি

দীর্ঘ ১০ দিনের টানাপোড়েন ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে ভারতের কেরালা রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৬১ বছর বয়সী কংগ্রেস নেতা ভি ডি সতীশন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিল্লির কংগ্রেস সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কেরালার দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক দীপা দাশমুন্সী দলের এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
এর ফলে বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট জোট এলডিএফকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জয়ী হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। এবারের নির্বাচনে ১৪০ সদস্যের বিধানসভায় ইউডিএফ জোট ১০২টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৪ মে ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ মহলে দফায় দফায় বৈঠক চলছিল। এর আগে ৭ মে নবনির্বাচিত বিধায়করা পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের ভার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে সতীশনের পাশাপাশি ছিলেন দলের সাবেক সভাপতি রমেশ চেন্নিথালা এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল। তবে লোকসভার সদস্য বেণুগোপালকে মুখ্যমন্ত্রী করলে উপনির্বাচন ও কেন্দ্রীয় সংগঠনে রদবদলের ঝুঁকি নিতে চায়নি হাইকমান্ড। সতীশন ২০০১ সাল থেকে টানা ছয়বার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং গত ৫ বছর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বামফ্রন্ট বিরোধী প্রচারের প্রধান মুখও ছিলেন তিনি। বিশেষ করে জোটের প্রধান শরিক ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের (আইইউএমএল) জোরালো সমর্থন সতীশনের পাল্লা ভারী করেছে। এমনকি ওয়েনাড লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়াঙ্কা ও রাহুল গান্ধীকে সতর্ক করে সতীশনের সমর্থনে পোস্টারও পড়েছিল। আইইউএমএল এবার ২২টি আসন পাওয়ায় তাদের দাবিকে অগ্রাহ্য করার উপায় ছিল না কংগ্রেসের। যদিও দলের বেশিরভাগ বিধায়ক প্রথমে বেণুগোপালের পক্ষে ছিলেন, কিন্তু শরিকি চাপ ও কৌশলগত কারণে খাড়গে ও রাহুল গান্ধী শেষ পর্যন্ত সতীশনকেই বেছে নেন। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কংগ্রেস হাই কমান্ড নির্বাচিত বিধায়কদের মতামতের চেয়ে শরিকদের ইচ্ছাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার এক নতুন নজির স্থাপন করল।
দলের এ সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে রাহুল গান্ধী ব্যক্তিগতভাবে রমেশ চেন্নিথালা ও বেণুগোপালের সঙ্গে কথা বলেন। সূত্রের খবর, অভিজ্ঞ নেতা রমেশ চেন্নিথালাকে বিধানসভার স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সতীশনের নাম ঘোষণার পর বেণুগোপাল দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি এই সিদ্ধান্তে খুশি এবং সতীশনের নেতৃত্বে নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে।
সূত্র: এনডিটিভি

জটিলতা কাটিয়ে কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৭: ৫৫

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন। ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ ১০ দিনের টানাপোড়েন ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে ভারতের কেরালা রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৬১ বছর বয়সী কংগ্রেস নেতা ভি ডি সতীশন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিল্লির কংগ্রেস সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কেরালার দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক দীপা দাশমুন্সী দলের এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
এর ফলে বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট জোট এলডিএফকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জয়ী হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। এবারের নির্বাচনে ১৪০ সদস্যের বিধানসভায় ইউডিএফ জোট ১০২টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৪ মে ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ মহলে দফায় দফায় বৈঠক চলছিল। এর আগে ৭ মে নবনির্বাচিত বিধায়করা পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের ভার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে সতীশনের পাশাপাশি ছিলেন দলের সাবেক সভাপতি রমেশ চেন্নিথালা এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল। তবে লোকসভার সদস্য বেণুগোপালকে মুখ্যমন্ত্রী করলে উপনির্বাচন ও কেন্দ্রীয় সংগঠনে রদবদলের ঝুঁকি নিতে চায়নি হাইকমান্ড। সতীশন ২০০১ সাল থেকে টানা ছয়বার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং গত ৫ বছর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বামফ্রন্ট বিরোধী প্রচারের প্রধান মুখও ছিলেন তিনি। বিশেষ করে জোটের প্রধান শরিক ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের (আইইউএমএল) জোরালো সমর্থন সতীশনের পাল্লা ভারী করেছে। এমনকি ওয়েনাড লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়াঙ্কা ও রাহুল গান্ধীকে সতর্ক করে সতীশনের সমর্থনে পোস্টারও পড়েছিল। আইইউএমএল এবার ২২টি আসন পাওয়ায় তাদের দাবিকে অগ্রাহ্য করার উপায় ছিল না কংগ্রেসের। যদিও দলের বেশিরভাগ বিধায়ক প্রথমে বেণুগোপালের পক্ষে ছিলেন, কিন্তু শরিকি চাপ ও কৌশলগত কারণে খাড়গে ও রাহুল গান্ধী শেষ পর্যন্ত সতীশনকেই বেছে নেন। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কংগ্রেস হাই কমান্ড নির্বাচিত বিধায়কদের মতামতের চেয়ে শরিকদের ইচ্ছাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার এক নতুন নজির স্থাপন করল।
দলের এ সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে রাহুল গান্ধী ব্যক্তিগতভাবে রমেশ চেন্নিথালা ও বেণুগোপালের সঙ্গে কথা বলেন। সূত্রের খবর, অভিজ্ঞ নেতা রমেশ চেন্নিথালাকে বিধানসভার স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সতীশনের নাম ঘোষণার পর বেণুগোপাল দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি এই সিদ্ধান্তে খুশি এবং সতীশনের নেতৃত্বে নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে।
সূত্র: এনডিটিভি
/এমএকে/

বিধানসভায় আস্থাভোটে জয় পেয়েছেন বিজয়


