নার্সিং অধিদপ্তরকে স্বতন্ত্র রাখা ও কমিশন গঠনের দাবি

নার্সিং অধিদপ্তরকে স্বতন্ত্র রাখা ও কমিশন গঠনের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠনসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার (১১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক ‘নার্স দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ দাবি করা হয়। ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় নার্সদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার হালিমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন কানাডার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের টিম লিডার ডা. সেলিমা আমিন ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. শরিফুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার এতো বছর পরও নার্সিংখাতের উন্নয়ন হয়নি। এটা মেনে নেওয়া যায় না। দেশে যে পরিমাণ জনশক্তি রয়েছে, তাদেরকে ঠিকমতো কাজে লাগানো হচ্ছে না। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে নার্সদের কাজে লাগানো হোক।
বক্তারা আরও বলেন, সরকার ঠিকমতো পরিচর্যা করলে রেমিট্যান্সের বড় খাত হবে নার্সিং। বিদেশের প্রচুর নার্স প্রয়োজন। তাই নার্সদের দক্ষ করে তুলে ইউরোপ, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাতে পারে। নার্সদের বিদেশে পাঠানো গেলে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে, অন্যদিকে দেশের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। বিদেশে নার্সদের বেতন সবচেয়ে বেশি এবং কাজের সুযোগও ব্যাপক।
নার্সদের দাবিগুলো হলো
- নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠন।
- প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি, অর্গানোগ্রাম ও ক্যারিয়ার পাথ দ্রুত বাস্তবায়ন।
- নবম থেকে চতুর্থ গ্রেডে ভূতাপেক্ষ ও সুপারনিউমেরারি পদোন্নতি।
- সুপারভাইজার ও ইন্সট্রাক্টর পদ দশম থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ।
- ডিপ্লোমা সমমান ঘোষণা এবং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রফেশনাল বিসিএস চালু।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন কাঠামো ও ভুয়া নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।
- ঝুঁকিভাতা চালু এবং চাপিয়ে দেওয়া ইউনিফর্ম বাতিল।
- শয্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত নতুন পদ সৃষ্টি।

নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠনসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার (১১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক ‘নার্স দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ দাবি করা হয়। ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় নার্সদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার হালিমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন কানাডার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের টিম লিডার ডা. সেলিমা আমিন ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. শরিফুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার এতো বছর পরও নার্সিংখাতের উন্নয়ন হয়নি। এটা মেনে নেওয়া যায় না। দেশে যে পরিমাণ জনশক্তি রয়েছে, তাদেরকে ঠিকমতো কাজে লাগানো হচ্ছে না। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে নার্সদের কাজে লাগানো হোক।
বক্তারা আরও বলেন, সরকার ঠিকমতো পরিচর্যা করলে রেমিট্যান্সের বড় খাত হবে নার্সিং। বিদেশের প্রচুর নার্স প্রয়োজন। তাই নার্সদের দক্ষ করে তুলে ইউরোপ, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাতে পারে। নার্সদের বিদেশে পাঠানো গেলে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে, অন্যদিকে দেশের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। বিদেশে নার্সদের বেতন সবচেয়ে বেশি এবং কাজের সুযোগও ব্যাপক।
নার্সদের দাবিগুলো হলো
- নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠন।
- প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি, অর্গানোগ্রাম ও ক্যারিয়ার পাথ দ্রুত বাস্তবায়ন।
- নবম থেকে চতুর্থ গ্রেডে ভূতাপেক্ষ ও সুপারনিউমেরারি পদোন্নতি।
- সুপারভাইজার ও ইন্সট্রাক্টর পদ দশম থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ।
- ডিপ্লোমা সমমান ঘোষণা এবং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রফেশনাল বিসিএস চালু।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন কাঠামো ও ভুয়া নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।
- ঝুঁকিভাতা চালু এবং চাপিয়ে দেওয়া ইউনিফর্ম বাতিল।
- শয্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত নতুন পদ সৃষ্টি।

নার্সিং অধিদপ্তরকে স্বতন্ত্র রাখা ও কমিশন গঠনের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠনসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার (১১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক ‘নার্স দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ দাবি করা হয়। ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় নার্সদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার হালিমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন কানাডার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের টিম লিডার ডা. সেলিমা আমিন ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. শরিফুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার এতো বছর পরও নার্সিংখাতের উন্নয়ন হয়নি। এটা মেনে নেওয়া যায় না। দেশে যে পরিমাণ জনশক্তি রয়েছে, তাদেরকে ঠিকমতো কাজে লাগানো হচ্ছে না। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে নার্সদের কাজে লাগানো হোক।
বক্তারা আরও বলেন, সরকার ঠিকমতো পরিচর্যা করলে রেমিট্যান্সের বড় খাত হবে নার্সিং। বিদেশের প্রচুর নার্স প্রয়োজন। তাই নার্সদের দক্ষ করে তুলে ইউরোপ, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাতে পারে। নার্সদের বিদেশে পাঠানো গেলে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে, অন্যদিকে দেশের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। বিদেশে নার্সদের বেতন সবচেয়ে বেশি এবং কাজের সুযোগও ব্যাপক।
নার্সদের দাবিগুলো হলো
- নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠন।
- প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি, অর্গানোগ্রাম ও ক্যারিয়ার পাথ দ্রুত বাস্তবায়ন।
- নবম থেকে চতুর্থ গ্রেডে ভূতাপেক্ষ ও সুপারনিউমেরারি পদোন্নতি।
- সুপারভাইজার ও ইন্সট্রাক্টর পদ দশম থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ।
- ডিপ্লোমা সমমান ঘোষণা এবং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রফেশনাল বিসিএস চালু।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন কাঠামো ও ভুয়া নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।
- ঝুঁকিভাতা চালু এবং চাপিয়ে দেওয়া ইউনিফর্ম বাতিল।
- শয্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত নতুন পদ সৃষ্টি।

খুলনায় নার্সিং ইনস্টিটিউটের হোস্টেলে ছাত্রীর মৃত্যু


