ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদীকে জামিন, হাসপাতালে ভর্তি
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদীকে জামিন, হাসপাতালে ভর্তি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৫: ৫৫

নার্গিস মোহাম্মদী। ছবি: রয়টার্স
মানবাধিকার রক্ষায় আপসহীন লড়াইয়ের চরম মূল্য দিতে হচ্ছে কারাবন্দি নোবেলজয়ী ইরানি অধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদীকে। শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হওয়ায় অবশেষে তাকে সাময়িক জামিন দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নার্গিসের পরিবার পরিচালিত ফাউন্ডেশন রবিবার (১০ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দীর্ঘ অসুস্থতা ও শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে কারাগারের বাইরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি রাজধানীর পারস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত সপ্তাহে তার পরিবারের সদস্য ও সমর্থকেরা নোবেলজয়ীর স্বাস্থ্য নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি দুইবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরিবারের আশঙ্কা ছিল, অবিলম্বে উন্নত ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা না গেলে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠেই তার মৃত্যু হতে পারে। বর্তমানে হাসপাতালে নার্গিসের নিজস্ব চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চললেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নয়।
ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থানরত নার্গিসের স্বামী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকলেও তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল বা অনুকূলে নয়। পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা ফুটে উঠেছে নার্গিসের আইনজীবী চিরিনে আরদাকানির বক্তব্যে। তিনি জানিয়েছেন, কারাবাসের সময়ে ৫৩ বছর বয়সী লড়াকু নারী প্রায় ২০ কেজি ওজন হারিয়েছেন। এমনকি তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেও পারছেন না, যার ফলে তাকে চেনাটাই এখন দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নার্গিস মোহাম্মদীকে সর্বশেষ ১২ ডিসেম্বর ইরানের মাশহাদ শহরে একটি স্মরণসভা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়া ও যোগসাজশে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগেও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচার ও নিরাপত্তার হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনি প্রায় ১৩ বছর ৯ মাসের সাজা ভোগ করছিলেন। অসুস্থতার কারণে ২০২৪ সালের শেষ দিকে তাকে কুখ্যাত এভিন কারাগার থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হলেও তার সামগ্রিক নিরাপত্তা ও সুচিকিৎসা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ কমেনি। শান্তিতে নোবেল পাওয়া এ মানবাধিকারকর্মী বর্তমানে এক সংকটময় মুহূর্ত পার করছে।
সূত্র: বিবিসি

মানবাধিকার রক্ষায় আপসহীন লড়াইয়ের চরম মূল্য দিতে হচ্ছে কারাবন্দি নোবেলজয়ী ইরানি অধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদীকে। শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হওয়ায় অবশেষে তাকে সাময়িক জামিন দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নার্গিসের পরিবার পরিচালিত ফাউন্ডেশন রবিবার (১০ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দীর্ঘ অসুস্থতা ও শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে কারাগারের বাইরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি রাজধানীর পারস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত সপ্তাহে তার পরিবারের সদস্য ও সমর্থকেরা নোবেলজয়ীর স্বাস্থ্য নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি দুইবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরিবারের আশঙ্কা ছিল, অবিলম্বে উন্নত ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা না গেলে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠেই তার মৃত্যু হতে পারে। বর্তমানে হাসপাতালে নার্গিসের নিজস্ব চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চললেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নয়।
ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থানরত নার্গিসের স্বামী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকলেও তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল বা অনুকূলে নয়। পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা ফুটে উঠেছে নার্গিসের আইনজীবী চিরিনে আরদাকানির বক্তব্যে। তিনি জানিয়েছেন, কারাবাসের সময়ে ৫৩ বছর বয়সী লড়াকু নারী প্রায় ২০ কেজি ওজন হারিয়েছেন। এমনকি তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেও পারছেন না, যার ফলে তাকে চেনাটাই এখন দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নার্গিস মোহাম্মদীকে সর্বশেষ ১২ ডিসেম্বর ইরানের মাশহাদ শহরে একটি স্মরণসভা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়া ও যোগসাজশে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগেও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচার ও নিরাপত্তার হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনি প্রায় ১৩ বছর ৯ মাসের সাজা ভোগ করছিলেন। অসুস্থতার কারণে ২০২৪ সালের শেষ দিকে তাকে কুখ্যাত এভিন কারাগার থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হলেও তার সামগ্রিক নিরাপত্তা ও সুচিকিৎসা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ কমেনি। শান্তিতে নোবেল পাওয়া এ মানবাধিকারকর্মী বর্তমানে এক সংকটময় মুহূর্ত পার করছে।
সূত্র: বিবিসি

ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদীকে জামিন, হাসপাতালে ভর্তি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৫: ৫৫

নার্গিস মোহাম্মদী। ছবি: রয়টার্স
মানবাধিকার রক্ষায় আপসহীন লড়াইয়ের চরম মূল্য দিতে হচ্ছে কারাবন্দি নোবেলজয়ী ইরানি অধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদীকে। শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হওয়ায় অবশেষে তাকে সাময়িক জামিন দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নার্গিসের পরিবার পরিচালিত ফাউন্ডেশন রবিবার (১০ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দীর্ঘ অসুস্থতা ও শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে কারাগারের বাইরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি রাজধানীর পারস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত সপ্তাহে তার পরিবারের সদস্য ও সমর্থকেরা নোবেলজয়ীর স্বাস্থ্য নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি দুইবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরিবারের আশঙ্কা ছিল, অবিলম্বে উন্নত ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা না গেলে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠেই তার মৃত্যু হতে পারে। বর্তমানে হাসপাতালে নার্গিসের নিজস্ব চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চললেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নয়।
ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থানরত নার্গিসের স্বামী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকলেও তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল বা অনুকূলে নয়। পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা ফুটে উঠেছে নার্গিসের আইনজীবী চিরিনে আরদাকানির বক্তব্যে। তিনি জানিয়েছেন, কারাবাসের সময়ে ৫৩ বছর বয়সী লড়াকু নারী প্রায় ২০ কেজি ওজন হারিয়েছেন। এমনকি তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেও পারছেন না, যার ফলে তাকে চেনাটাই এখন দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নার্গিস মোহাম্মদীকে সর্বশেষ ১২ ডিসেম্বর ইরানের মাশহাদ শহরে একটি স্মরণসভা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়া ও যোগসাজশে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগেও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচার ও নিরাপত্তার হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনি প্রায় ১৩ বছর ৯ মাসের সাজা ভোগ করছিলেন। অসুস্থতার কারণে ২০২৪ সালের শেষ দিকে তাকে কুখ্যাত এভিন কারাগার থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হলেও তার সামগ্রিক নিরাপত্তা ও সুচিকিৎসা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ কমেনি। শান্তিতে নোবেল পাওয়া এ মানবাধিকারকর্মী বর্তমানে এক সংকটময় মুহূর্ত পার করছে।
সূত্র: বিবিসি
/এমএকে/

ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদের ওপর চলছে পৈশাচিক নির্যাতন


