শিরোনাম

দগ্ধ সেই পরিবারকে দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
দগ্ধ সেই পরিবারকে দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বার্ন ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে দেখতে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। রবিবার (১০ মে) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়ে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা ও পরিবারের খোঁজ খবর নেন তিনি।

এর আগে, এদিন সাতটার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ারের সামনের একটি বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে তিন শিশু সন্তানসহ মা-বাবা দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে স্থানীয়রা।

দগ্ধরা হলেন, ওই এলাকার সবজি বিক্রেতা মো. কালাম (৩৫), তার স্ত্রী সায়মা (৩২) এবং তাদের ছেলে মুন্না (৭), দুই মেয়ে কথা (৭) ও মুন্নি (১০)।

তাদের দেখতে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গৃহকর্তা গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন জালাতেই সারা ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের সবাই দগ্ধ হয়। বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক, বেদনাদায়ক। শিশুসহ পাঁচজনই দগ্ধ হয়েছে। জানতে পেরেছি, তাদের দরজা জানালা বন্ধ ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা পরিবার নিমিষেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাদের শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বাত্মক চিকিৎসা চলছে, আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। আর্থিক সমস্যা হলে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।’

জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সমাজে কোনো সচেতনতা নেই। বহুবার টিভিতে বলা হচ্ছে, আপনারা যারা সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তারা বাইরে সিলিন্ডার রাখবেন। প্রতিবার ব্যবহারের পূর্বে লিকেজ আছে কিনা, তা দেখে নেবেন। এছাড়া যারা সরকারি লাইন গ্যাস ব্যবহার করেন, তারা লাইন সংযোগের সময় ভালো ভাবে চেক করে নেবেন– কোনো লিকেজ আছে কিনা। এছাড়া দরজা জানালা খুলে গ্যাসের চুলা ধরাবেন।’

তিনি বলেন, ‘জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দুই-একদিনের মধ্যে আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করবো। সরকারের পক্ষ থেকে তো আগুন বন্ধের কোনো উপায় হাতে নেই। অনেক পরিবার চুলার নিচে সিলিন্ডার রেখে দেন। আমাদের অনুরোধ, গ্যাস সিলিন্ডার বাইরে রাখুন। কোনো লিকেজ আছে কিনা, তা মাঝে মাঝে কোম্পানি দিয়ে চেক করান।’

/এফআর/