প্রাক্তনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া কি উচিত

প্রাক্তনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া কি উচিত
সিটিজেন ডেস্ক

সাবেক প্রেম বা জীবনসঙ্গীর বিয়ের দাওয়াত কার্ড হাতে পাওয়ার পর অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান—যাবেন কি না? কেউ মনে করেন সৌজন্য রক্ষা করা উচিত, আবার কেউ মনে করেন পুরনো স্মৃতি এড়িয়ে চলাই ভালো। এই বিষয়ে সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ।
তাদের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়া বা না যাওয়া মূলত নির্ভর করে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য, বর্তমান সম্পর্কের গভীরতা এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের ওপর।
বিখ্যাত মার্কিন বৈবাহিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জন গটম্যানের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে উপস্থিত হওয়া সম্পূর্ণ আপনার মানসিক প্রস্তুতির বিষয়। যদি আপনার মনের কোণে এখনও সামান্য কষ্ট, ঘৃণা বা ঈর্ষা থেকে থাকে, তবে সেই বিয়েতে যাওয়া আপনার মানসিক জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি দাম্পত্য জীবনের জটিলতা কমাতে যেকোনো ধরণের ঝুঁকির সংকেত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
কানাডীয় মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ হেনরি ক্লার্ক প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়াকে মানসিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তিনি মনে করেন, নিজের ইচ্ছার চেয়েও বর্তমান সঙ্গীর মানসিক শান্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
একই সুরে রিলেশনশিপ কোচ স্যান্ড্রা মিশেল বলেন, আপনার বর্তমান সঙ্গী যদি আপনার ও প্রাক্তনের অতীতকে সহজভাবে এবং ‘স্পোর্টিংলি’ গ্রহণ করতে পারেন, তবেই যাওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সঙ্গী হাসিমুখে বিয়েতে গেলেও ফেরার পর তার মনে নানা প্রশ্ন বা অনিরাপত্তা তৈরি হয়। যা বর্তমান সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে উপস্থিত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। যদি বিচ্ছেদটি তিক্ত না হয়ে ইতিবাচকভাবে শেষ হয়। যদি আপনারা একে অপরের সত্যিকারের ‘প্লেটোনিক বন্ধু’ হিসেবে সামাজিক বলয়ে যুক্ত থাকেন। যদি আপনার উপস্থিতি কোনো পক্ষের জন্যই অস্বস্তির কারণ না হয়।
তবে এই ক্ষেত্রেও একটি সম্মানজনক ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে পুরনো কোনো আবেগ নতুন করে জেগে না ওঠে।
সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের বা অন্যের অস্বস্তি বাড়ানোর চেয়ে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানানো বা উপহার পাঠানোকে একটি মার্জিত বিকল্প হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনার বর্তমান সঙ্গী সংবেদনশীল মনের মানুষ হন, তবে তাকে এমন পরিস্থিতিতে না ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সাবেক প্রেম বা জীবনসঙ্গীর বিয়ের দাওয়াত কার্ড হাতে পাওয়ার পর অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান—যাবেন কি না? কেউ মনে করেন সৌজন্য রক্ষা করা উচিত, আবার কেউ মনে করেন পুরনো স্মৃতি এড়িয়ে চলাই ভালো। এই বিষয়ে সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ।
তাদের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়া বা না যাওয়া মূলত নির্ভর করে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য, বর্তমান সম্পর্কের গভীরতা এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের ওপর।
বিখ্যাত মার্কিন বৈবাহিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জন গটম্যানের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে উপস্থিত হওয়া সম্পূর্ণ আপনার মানসিক প্রস্তুতির বিষয়। যদি আপনার মনের কোণে এখনও সামান্য কষ্ট, ঘৃণা বা ঈর্ষা থেকে থাকে, তবে সেই বিয়েতে যাওয়া আপনার মানসিক জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি দাম্পত্য জীবনের জটিলতা কমাতে যেকোনো ধরণের ঝুঁকির সংকেত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
কানাডীয় মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ হেনরি ক্লার্ক প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়াকে মানসিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তিনি মনে করেন, নিজের ইচ্ছার চেয়েও বর্তমান সঙ্গীর মানসিক শান্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
একই সুরে রিলেশনশিপ কোচ স্যান্ড্রা মিশেল বলেন, আপনার বর্তমান সঙ্গী যদি আপনার ও প্রাক্তনের অতীতকে সহজভাবে এবং ‘স্পোর্টিংলি’ গ্রহণ করতে পারেন, তবেই যাওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সঙ্গী হাসিমুখে বিয়েতে গেলেও ফেরার পর তার মনে নানা প্রশ্ন বা অনিরাপত্তা তৈরি হয়। যা বর্তমান সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে উপস্থিত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। যদি বিচ্ছেদটি তিক্ত না হয়ে ইতিবাচকভাবে শেষ হয়। যদি আপনারা একে অপরের সত্যিকারের ‘প্লেটোনিক বন্ধু’ হিসেবে সামাজিক বলয়ে যুক্ত থাকেন। যদি আপনার উপস্থিতি কোনো পক্ষের জন্যই অস্বস্তির কারণ না হয়।
তবে এই ক্ষেত্রেও একটি সম্মানজনক ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে পুরনো কোনো আবেগ নতুন করে জেগে না ওঠে।
সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের বা অন্যের অস্বস্তি বাড়ানোর চেয়ে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানানো বা উপহার পাঠানোকে একটি মার্জিত বিকল্প হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনার বর্তমান সঙ্গী সংবেদনশীল মনের মানুষ হন, তবে তাকে এমন পরিস্থিতিতে না ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রাক্তনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া কি উচিত
সিটিজেন ডেস্ক

সাবেক প্রেম বা জীবনসঙ্গীর বিয়ের দাওয়াত কার্ড হাতে পাওয়ার পর অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান—যাবেন কি না? কেউ মনে করেন সৌজন্য রক্ষা করা উচিত, আবার কেউ মনে করেন পুরনো স্মৃতি এড়িয়ে চলাই ভালো। এই বিষয়ে সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ।
তাদের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়া বা না যাওয়া মূলত নির্ভর করে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য, বর্তমান সম্পর্কের গভীরতা এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের ওপর।
বিখ্যাত মার্কিন বৈবাহিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জন গটম্যানের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে উপস্থিত হওয়া সম্পূর্ণ আপনার মানসিক প্রস্তুতির বিষয়। যদি আপনার মনের কোণে এখনও সামান্য কষ্ট, ঘৃণা বা ঈর্ষা থেকে থাকে, তবে সেই বিয়েতে যাওয়া আপনার মানসিক জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি দাম্পত্য জীবনের জটিলতা কমাতে যেকোনো ধরণের ঝুঁকির সংকেত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
কানাডীয় মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ হেনরি ক্লার্ক প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়াকে মানসিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তিনি মনে করেন, নিজের ইচ্ছার চেয়েও বর্তমান সঙ্গীর মানসিক শান্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
একই সুরে রিলেশনশিপ কোচ স্যান্ড্রা মিশেল বলেন, আপনার বর্তমান সঙ্গী যদি আপনার ও প্রাক্তনের অতীতকে সহজভাবে এবং ‘স্পোর্টিংলি’ গ্রহণ করতে পারেন, তবেই যাওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সঙ্গী হাসিমুখে বিয়েতে গেলেও ফেরার পর তার মনে নানা প্রশ্ন বা অনিরাপত্তা তৈরি হয়। যা বর্তমান সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে উপস্থিত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। যদি বিচ্ছেদটি তিক্ত না হয়ে ইতিবাচকভাবে শেষ হয়। যদি আপনারা একে অপরের সত্যিকারের ‘প্লেটোনিক বন্ধু’ হিসেবে সামাজিক বলয়ে যুক্ত থাকেন। যদি আপনার উপস্থিতি কোনো পক্ষের জন্যই অস্বস্তির কারণ না হয়।
তবে এই ক্ষেত্রেও একটি সম্মানজনক ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে পুরনো কোনো আবেগ নতুন করে জেগে না ওঠে।
সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের বা অন্যের অস্বস্তি বাড়ানোর চেয়ে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানানো বা উপহার পাঠানোকে একটি মার্জিত বিকল্প হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনার বর্তমান সঙ্গী সংবেদনশীল মনের মানুষ হন, তবে তাকে এমন পরিস্থিতিতে না ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

কেউ আপনাকে হিংসা করে কি না বুঝবেন যেভাবে


