যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়
সিটিজেন ডেস্ক

যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১: ০০

প্রতীকী ছবি
রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে চোখ মেলতে কষ্ট হচ্ছে? ডাইনিং টেবিলে বসলে কিংবা অফিসের কাজের ফাঁকেই কি বারবার হাই উঠছে? সাধারণ দৃষ্টিতে একে 'অলসতা' মনে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ঘুম বা সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব হতে পারে শরীরে বড় কোনো পুষ্টির অভাব বা রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
চিকিৎসকদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থ থাকার জন্য দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট। এর বেশি ঘুম বা সারাক্ষণ নিস্তেজ বোধ করার পেছনে প্রধানত ৪টি কারণ দায়ী থাকতে পারে:
ভিটামিন বি-১২ এর অভাব:
দেহের ডিএনএ এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ভিটামিন বি-১২ অপরিহার্য। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে পেশি ও মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। যার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং সবসময় ঘুমের ভাব তৈরি হয়।
নীরব ঘাতক অ্যানিমিয়া:
রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া থাকলে পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও শরীর শক্তি পায় না। সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠা এবং বারবার তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া রক্তস্বল্পতার অন্যতম প্রধান উপসর্গ।
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার ত্রুটি:
সকালের নাস্তায় অতিরিক্ত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যা সাময়িক শক্তি দিলেও দ্রুত শরীরকে ক্লান্ত করে ফেলে। এছাড়া অনিয়মিত ঘুমের রুটিন শরীরের 'বায়োলজিক্যাল ক্লক' নষ্ট করে দেয়।
হরমোন ও ডিহাইড্রেশন:
থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন রক্ত সঞ্চালনকে ধীর করে দেয়। ফলে হৃদপিণ্ডকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয় এবং শরীর দ্রুত নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে শুধু বেশি ঘুমানো সমাধান নয়। বরং সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম জরুরি। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে চোখ মেলতে কষ্ট হচ্ছে? ডাইনিং টেবিলে বসলে কিংবা অফিসের কাজের ফাঁকেই কি বারবার হাই উঠছে? সাধারণ দৃষ্টিতে একে 'অলসতা' মনে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ঘুম বা সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব হতে পারে শরীরে বড় কোনো পুষ্টির অভাব বা রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
চিকিৎসকদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থ থাকার জন্য দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট। এর বেশি ঘুম বা সারাক্ষণ নিস্তেজ বোধ করার পেছনে প্রধানত ৪টি কারণ দায়ী থাকতে পারে:
ভিটামিন বি-১২ এর অভাব:
দেহের ডিএনএ এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ভিটামিন বি-১২ অপরিহার্য। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে পেশি ও মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। যার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং সবসময় ঘুমের ভাব তৈরি হয়।
নীরব ঘাতক অ্যানিমিয়া:
রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া থাকলে পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও শরীর শক্তি পায় না। সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠা এবং বারবার তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া রক্তস্বল্পতার অন্যতম প্রধান উপসর্গ।
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার ত্রুটি:
সকালের নাস্তায় অতিরিক্ত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যা সাময়িক শক্তি দিলেও দ্রুত শরীরকে ক্লান্ত করে ফেলে। এছাড়া অনিয়মিত ঘুমের রুটিন শরীরের 'বায়োলজিক্যাল ক্লক' নষ্ট করে দেয়।
হরমোন ও ডিহাইড্রেশন:
থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন রক্ত সঞ্চালনকে ধীর করে দেয়। ফলে হৃদপিণ্ডকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয় এবং শরীর দ্রুত নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে শুধু বেশি ঘুমানো সমাধান নয়। বরং সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম জরুরি। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১: ০০

প্রতীকী ছবি
রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে চোখ মেলতে কষ্ট হচ্ছে? ডাইনিং টেবিলে বসলে কিংবা অফিসের কাজের ফাঁকেই কি বারবার হাই উঠছে? সাধারণ দৃষ্টিতে একে 'অলসতা' মনে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ঘুম বা সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব হতে পারে শরীরে বড় কোনো পুষ্টির অভাব বা রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
চিকিৎসকদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থ থাকার জন্য দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট। এর বেশি ঘুম বা সারাক্ষণ নিস্তেজ বোধ করার পেছনে প্রধানত ৪টি কারণ দায়ী থাকতে পারে:
ভিটামিন বি-১২ এর অভাব:
দেহের ডিএনএ এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ভিটামিন বি-১২ অপরিহার্য। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে পেশি ও মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। যার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং সবসময় ঘুমের ভাব তৈরি হয়।
নীরব ঘাতক অ্যানিমিয়া:
রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া থাকলে পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও শরীর শক্তি পায় না। সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠা এবং বারবার তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া রক্তস্বল্পতার অন্যতম প্রধান উপসর্গ।
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার ত্রুটি:
সকালের নাস্তায় অতিরিক্ত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যা সাময়িক শক্তি দিলেও দ্রুত শরীরকে ক্লান্ত করে ফেলে। এছাড়া অনিয়মিত ঘুমের রুটিন শরীরের 'বায়োলজিক্যাল ক্লক' নষ্ট করে দেয়।
হরমোন ও ডিহাইড্রেশন:
থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন রক্ত সঞ্চালনকে ধীর করে দেয়। ফলে হৃদপিণ্ডকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয় এবং শরীর দ্রুত নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে শুধু বেশি ঘুমানো সমাধান নয়। বরং সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম জরুরি। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
/এসবি/




