হজক্যাম্পে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই

হজক্যাম্পে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্প থেকে হজযাত্রী দম্পতির সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোয়েন্দা তৎপরতায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে চুরি হওয়া ২২ হাজার সৌদি রিয়ালের মধ্যে সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল ও ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্পে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন, ডিএমপির উত্তরা উপবিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ ও মতলব সার্কেল এএসপি জাবীর হুসনাইন সানীবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- হাবিবুর রহমান ও নাদিম।
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল হজক্যাম্প হতে হজযাত্রী ইমান আলীর ব্যাগ হতে ২২ হাজার সৌদি রিয়াল ও ১০ হাজার টাকা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হজযাত্রীর ছদ্মবেশে পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত এক ব্যক্তি অভিনব কায়দায় টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।
পরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই হজযাত্রী দম্পতিকে দুই হাজার রিয়াল দেন এবং তারা নির্ধারিত ফ্লাইটে সৌদি আরব গমন করেন।
এ চুরির ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ইমান আলীর ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরের বিরুদ্ধে ঢাকার বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সিটি এসবি ডিআইজি মীর আশরাফ আলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ চুরির ঘটনায় জড়িত হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে মতলব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে রেডিও লোকেশনের ধারাবাহিকতায় মতলব হতে কুমিল্লার দাউদকান্দি, সেখান থেকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া হয়ে সবশেষে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় একাধিক ভবনে তল্লাশি করে রাত ০২ টা ৪০ মিনিটে আসামি হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকা থেকে নাদিমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চুরির ঘটনার মূল হোতা আব্দুল মান্নানের দুটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মান্নানের বড় মেয়ে মুক্তার জামাইয়ের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া ১৭ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল এবং মান্নানের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসা থেকে ৯০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মান্নান পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
সৌদি রিয়াল উদ্ধারের খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী ইমান আলী সৌদি আরবের মক্কা থেকে ধর্মমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং এ ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্প থেকে হজযাত্রী দম্পতির সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোয়েন্দা তৎপরতায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে চুরি হওয়া ২২ হাজার সৌদি রিয়ালের মধ্যে সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল ও ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্পে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন, ডিএমপির উত্তরা উপবিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ ও মতলব সার্কেল এএসপি জাবীর হুসনাইন সানীবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- হাবিবুর রহমান ও নাদিম।
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল হজক্যাম্প হতে হজযাত্রী ইমান আলীর ব্যাগ হতে ২২ হাজার সৌদি রিয়াল ও ১০ হাজার টাকা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হজযাত্রীর ছদ্মবেশে পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত এক ব্যক্তি অভিনব কায়দায় টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।
পরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই হজযাত্রী দম্পতিকে দুই হাজার রিয়াল দেন এবং তারা নির্ধারিত ফ্লাইটে সৌদি আরব গমন করেন।
এ চুরির ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ইমান আলীর ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরের বিরুদ্ধে ঢাকার বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সিটি এসবি ডিআইজি মীর আশরাফ আলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ চুরির ঘটনায় জড়িত হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে মতলব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে রেডিও লোকেশনের ধারাবাহিকতায় মতলব হতে কুমিল্লার দাউদকান্দি, সেখান থেকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া হয়ে সবশেষে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় একাধিক ভবনে তল্লাশি করে রাত ০২ টা ৪০ মিনিটে আসামি হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকা থেকে নাদিমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চুরির ঘটনার মূল হোতা আব্দুল মান্নানের দুটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মান্নানের বড় মেয়ে মুক্তার জামাইয়ের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া ১৭ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল এবং মান্নানের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসা থেকে ৯০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মান্নান পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
সৌদি রিয়াল উদ্ধারের খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী ইমান আলী সৌদি আরবের মক্কা থেকে ধর্মমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং এ ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

হজক্যাম্পে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্প থেকে হজযাত্রী দম্পতির সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোয়েন্দা তৎপরতায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে চুরি হওয়া ২২ হাজার সৌদি রিয়ালের মধ্যে সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল ও ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্পে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন, ডিএমপির উত্তরা উপবিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ ও মতলব সার্কেল এএসপি জাবীর হুসনাইন সানীবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- হাবিবুর রহমান ও নাদিম।
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল হজক্যাম্প হতে হজযাত্রী ইমান আলীর ব্যাগ হতে ২২ হাজার সৌদি রিয়াল ও ১০ হাজার টাকা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হজযাত্রীর ছদ্মবেশে পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত এক ব্যক্তি অভিনব কায়দায় টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।
পরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই হজযাত্রী দম্পতিকে দুই হাজার রিয়াল দেন এবং তারা নির্ধারিত ফ্লাইটে সৌদি আরব গমন করেন।
এ চুরির ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ইমান আলীর ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরের বিরুদ্ধে ঢাকার বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সিটি এসবি ডিআইজি মীর আশরাফ আলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ চুরির ঘটনায় জড়িত হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে মতলব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে রেডিও লোকেশনের ধারাবাহিকতায় মতলব হতে কুমিল্লার দাউদকান্দি, সেখান থেকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া হয়ে সবশেষে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় একাধিক ভবনে তল্লাশি করে রাত ০২ টা ৪০ মিনিটে আসামি হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকা থেকে নাদিমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চুরির ঘটনার মূল হোতা আব্দুল মান্নানের দুটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মান্নানের বড় মেয়ে মুক্তার জামাইয়ের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া ১৭ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল এবং মান্নানের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসা থেকে ৯০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মান্নান পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
সৌদি রিয়াল উদ্ধারের খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী ইমান আলী সৌদি আরবের মক্কা থেকে ধর্মমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং এ ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৭২


