স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে কেন খুশি হয় স্বামীরা

স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে কেন খুশি হয় স্বামীরা
সিটিজেন ডেস্ক

বিয়ে শুধু ভালোবাসার বন্ধন নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দায়িত্ব, অভিমান, ব্যস্ততা আর প্রতিদিনের অসংখ্য ছোটখাটো সমঝোতা। দাম্পত্যের শুরুতে একে অপরকে ঘিরে আবেগ আর সময়ের প্রাধান্য থাকলেও, সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বদলে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়ি গেলে কিছু স্বামী বাইরে থেকে মন খারাপ দেখালেও ভেতরে ভেতরে খানিকটা স্বস্তি অনুভব করেন। তবে এর মানে এই নয় যে সম্পর্কের টান কমে গেছে; বরং এটি ব্যক্তিগত সময়ের চাহিদা ও মানসিক ক্লান্তির স্বাভাবিক প্রকাশ।
দীর্ঘদিন সংসার করার পর অনেকের জীবনই নির্দিষ্ট রুটিনে আটকে যায়। অফিস, সংসার, দায়িত্ব আর প্রতিদিনের হিসাব-নিকাশের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্ত্রী কিছুদিনের জন্য বাইরে গেলে অনেক স্বামী সেই সময়টাকে নিজের মতো কাটানোর সুযোগ হিসেবে নেন। কেউ রাত জেগে খেলা দেখেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন, আবার কেউ এলোমেলোভাবে সময় কাটিয়ে খানিকটা স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করেন।
অনেক পরিবারেই স্ত্রী স্বামীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রার দিকে বিশেষ নজর রাখেন। সময়মতো খাওয়া, ঘুম কিংবা জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার মতো বিষয়েও নিয়ম মেনে চলতে বলেন। প্রতিদিনের এসব তদারকি কখনো কখনো বিরক্তির কারণ হলেও, স্ত্রী দূরে গেলে প্রথম কয়েকদিন সেই বাধাহীন জীবন বেশ উপভোগ্য মনে হয়। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিচিত যত্ন আর কথাগুলোর প্রয়োজন অনুভব করতে শুরু করেন অনেকেই।
স্ত্রী পাশে থাকলে অনেকেরই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো সীমিত হয়ে যায়। কিন্তু তিনি বাবার বাড়ি গেলে বন্ধুমহলে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে আসে। রাতের আড্ডা, চায়ের টেবিলে গল্প কিংবা হুটহাট বাইরে ঘুরতে যাওয়া—সবকিছুতেই তখন বাড়তি স্বস্তি কাজ করে। দায়িত্বের চাপ কিছুটা কমে যাওয়ায় নিজেদের জন্য আলাদা সময়ও বের করতে পারেন তারা।
তবে এই স্বাধীনতার অনুভূতি বেশিদিন স্থায়ী হয় না। কয়েকদিন পরই ঘরের নীরবতা চোখে পড়তে শুরু করে। খাওয়ার সময় কেউ ডাকছে না, দিনের গল্প শোনানোর মানুষ নেই, এমনকি ছোটখাটো ঝগড়াঝাটিও অনুপস্থিত। তখন অনেক স্বামী আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করেন, সংসারের সবচেয়ে বড় অভ্যাস হয়ে উঠেছেন সেই মানুষটি, যাকে ছাড়া ঘরটা অসম্পূর্ণ লাগে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্কে সাময়িক দূরত্ব অনেক সময় সম্পর্কের গুরুত্ব আরো স্পষ্ট করে তোলে। শুরুতে স্বাধীনতা উপভোগ করলেও শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ মানুষই বুঝতে পারেন, সংসারের আসল স্বস্তি সেই মানুষটিকেই ঘিরে, যার উপস্থিতিতে ঘর পূর্ণতা পায়।

বিয়ে শুধু ভালোবাসার বন্ধন নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দায়িত্ব, অভিমান, ব্যস্ততা আর প্রতিদিনের অসংখ্য ছোটখাটো সমঝোতা। দাম্পত্যের শুরুতে একে অপরকে ঘিরে আবেগ আর সময়ের প্রাধান্য থাকলেও, সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বদলে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়ি গেলে কিছু স্বামী বাইরে থেকে মন খারাপ দেখালেও ভেতরে ভেতরে খানিকটা স্বস্তি অনুভব করেন। তবে এর মানে এই নয় যে সম্পর্কের টান কমে গেছে; বরং এটি ব্যক্তিগত সময়ের চাহিদা ও মানসিক ক্লান্তির স্বাভাবিক প্রকাশ।
দীর্ঘদিন সংসার করার পর অনেকের জীবনই নির্দিষ্ট রুটিনে আটকে যায়। অফিস, সংসার, দায়িত্ব আর প্রতিদিনের হিসাব-নিকাশের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্ত্রী কিছুদিনের জন্য বাইরে গেলে অনেক স্বামী সেই সময়টাকে নিজের মতো কাটানোর সুযোগ হিসেবে নেন। কেউ রাত জেগে খেলা দেখেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন, আবার কেউ এলোমেলোভাবে সময় কাটিয়ে খানিকটা স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করেন।
অনেক পরিবারেই স্ত্রী স্বামীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রার দিকে বিশেষ নজর রাখেন। সময়মতো খাওয়া, ঘুম কিংবা জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার মতো বিষয়েও নিয়ম মেনে চলতে বলেন। প্রতিদিনের এসব তদারকি কখনো কখনো বিরক্তির কারণ হলেও, স্ত্রী দূরে গেলে প্রথম কয়েকদিন সেই বাধাহীন জীবন বেশ উপভোগ্য মনে হয়। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিচিত যত্ন আর কথাগুলোর প্রয়োজন অনুভব করতে শুরু করেন অনেকেই।
স্ত্রী পাশে থাকলে অনেকেরই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো সীমিত হয়ে যায়। কিন্তু তিনি বাবার বাড়ি গেলে বন্ধুমহলে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে আসে। রাতের আড্ডা, চায়ের টেবিলে গল্প কিংবা হুটহাট বাইরে ঘুরতে যাওয়া—সবকিছুতেই তখন বাড়তি স্বস্তি কাজ করে। দায়িত্বের চাপ কিছুটা কমে যাওয়ায় নিজেদের জন্য আলাদা সময়ও বের করতে পারেন তারা।
তবে এই স্বাধীনতার অনুভূতি বেশিদিন স্থায়ী হয় না। কয়েকদিন পরই ঘরের নীরবতা চোখে পড়তে শুরু করে। খাওয়ার সময় কেউ ডাকছে না, দিনের গল্প শোনানোর মানুষ নেই, এমনকি ছোটখাটো ঝগড়াঝাটিও অনুপস্থিত। তখন অনেক স্বামী আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করেন, সংসারের সবচেয়ে বড় অভ্যাস হয়ে উঠেছেন সেই মানুষটি, যাকে ছাড়া ঘরটা অসম্পূর্ণ লাগে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্কে সাময়িক দূরত্ব অনেক সময় সম্পর্কের গুরুত্ব আরো স্পষ্ট করে তোলে। শুরুতে স্বাধীনতা উপভোগ করলেও শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ মানুষই বুঝতে পারেন, সংসারের আসল স্বস্তি সেই মানুষটিকেই ঘিরে, যার উপস্থিতিতে ঘর পূর্ণতা পায়।

স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে কেন খুশি হয় স্বামীরা
সিটিজেন ডেস্ক

বিয়ে শুধু ভালোবাসার বন্ধন নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দায়িত্ব, অভিমান, ব্যস্ততা আর প্রতিদিনের অসংখ্য ছোটখাটো সমঝোতা। দাম্পত্যের শুরুতে একে অপরকে ঘিরে আবেগ আর সময়ের প্রাধান্য থাকলেও, সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বদলে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়ি গেলে কিছু স্বামী বাইরে থেকে মন খারাপ দেখালেও ভেতরে ভেতরে খানিকটা স্বস্তি অনুভব করেন। তবে এর মানে এই নয় যে সম্পর্কের টান কমে গেছে; বরং এটি ব্যক্তিগত সময়ের চাহিদা ও মানসিক ক্লান্তির স্বাভাবিক প্রকাশ।
দীর্ঘদিন সংসার করার পর অনেকের জীবনই নির্দিষ্ট রুটিনে আটকে যায়। অফিস, সংসার, দায়িত্ব আর প্রতিদিনের হিসাব-নিকাশের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্ত্রী কিছুদিনের জন্য বাইরে গেলে অনেক স্বামী সেই সময়টাকে নিজের মতো কাটানোর সুযোগ হিসেবে নেন। কেউ রাত জেগে খেলা দেখেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন, আবার কেউ এলোমেলোভাবে সময় কাটিয়ে খানিকটা স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করেন।
অনেক পরিবারেই স্ত্রী স্বামীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রার দিকে বিশেষ নজর রাখেন। সময়মতো খাওয়া, ঘুম কিংবা জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার মতো বিষয়েও নিয়ম মেনে চলতে বলেন। প্রতিদিনের এসব তদারকি কখনো কখনো বিরক্তির কারণ হলেও, স্ত্রী দূরে গেলে প্রথম কয়েকদিন সেই বাধাহীন জীবন বেশ উপভোগ্য মনে হয়। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিচিত যত্ন আর কথাগুলোর প্রয়োজন অনুভব করতে শুরু করেন অনেকেই।
স্ত্রী পাশে থাকলে অনেকেরই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো সীমিত হয়ে যায়। কিন্তু তিনি বাবার বাড়ি গেলে বন্ধুমহলে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে আসে। রাতের আড্ডা, চায়ের টেবিলে গল্প কিংবা হুটহাট বাইরে ঘুরতে যাওয়া—সবকিছুতেই তখন বাড়তি স্বস্তি কাজ করে। দায়িত্বের চাপ কিছুটা কমে যাওয়ায় নিজেদের জন্য আলাদা সময়ও বের করতে পারেন তারা।
তবে এই স্বাধীনতার অনুভূতি বেশিদিন স্থায়ী হয় না। কয়েকদিন পরই ঘরের নীরবতা চোখে পড়তে শুরু করে। খাওয়ার সময় কেউ ডাকছে না, দিনের গল্প শোনানোর মানুষ নেই, এমনকি ছোটখাটো ঝগড়াঝাটিও অনুপস্থিত। তখন অনেক স্বামী আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করেন, সংসারের সবচেয়ে বড় অভ্যাস হয়ে উঠেছেন সেই মানুষটি, যাকে ছাড়া ঘরটা অসম্পূর্ণ লাগে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্কে সাময়িক দূরত্ব অনেক সময় সম্পর্কের গুরুত্ব আরো স্পষ্ট করে তোলে। শুরুতে স্বাধীনতা উপভোগ করলেও শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ মানুষই বুঝতে পারেন, সংসারের আসল স্বস্তি সেই মানুষটিকেই ঘিরে, যার উপস্থিতিতে ঘর পূর্ণতা পায়।

কাজে বেশি ফাঁকি দেয় কারা, ছেলেরা নাকি মেয়েরা?


