কোন ডালে বেশি প্রোটিন

কোন ডালে বেশি প্রোটিন
সিজেডএন ডেস্ক

ডাল বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভাতের সঙ্গে এক বাটি ডাল যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায়, তেমনি এটি শরীরের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। তবে সব ধরনের ডালে প্রোটিনের পরিমাণ সমান নয়। যারা খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য কোন ডাল তুলনামূলকভাবে বেশি উপকারী- তা জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৩ সালে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজি’-তে প্রকাশিত এক গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ডালের প্রোটিনের পরিমাণ তুলে ধরা হয়েছে।
- মাসকলাই ডাল – ২৫.২১ গ্রাম
- মসুর ডাল – ২৪.৬৩ গ্রাম
- মুগ ডাল – ২৩.৮৬ গ্রাম
- রাজমা – ২২.৫৩ গ্রাম
- ছোলার ডাল – ২০.৪৭ গ্রাম
প্রোটিনের পরিমাণ বিবেচনায় মাসকলাই ডাল এগিয়ে রয়েছে। এর পরেই রয়েছে মসুর ডাল। ফলে নিয়মিত খাবারে এই দুই ধরনের ডাল রাখলে শরীরে প্রোটিনের জোগান কিছুটা বাড়ানো সম্ভব।
পুষ্টিবিদদের মতে, মাসকলাই ও মসুর-দুই ধরনের ডালই পুষ্টিকর, তবে শরীরে এদের প্রভাব এক নয়। মসুর ডাল লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে এবং প্রতিদিনের খাবারে এটি সহজেই রাখা যায়। দ্রুত সিদ্ধ ও রান্না করা যায় বলে মসুর ডাল অনেকের কাছেই জনপ্রিয়। অন্যদিকে, মাসকলাই ডাল শরীরের জন্য তুলনামূলকভাবে কোমল বলে মনে করা হয়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যে সহায়তা করার পাশাপাশি নিয়মিত খাদ্য হজম এবং রক্তসঞ্চালনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ডাল প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও শুধু এটিখেয়ে শরীরের দৈনিক প্রোটিনের প্রয়োজন পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব নয়। কারণ ডালের প্রোটিন সম্পূর্ণ প্রোটিন নয়। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় কিছু অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড, বিশেষ করে মেথিওনিনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
এই ঘাটতি পূরণে ডালের সঙ্গে ভাত, রুটি কিংবা মিলেটজাতীয় শস্য খাওয়া উপকারী। শস্যে থাকা মেথিওনিন এবং ডালে থাকা লাইসিন একসঙ্গে কাজ করে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় তুলনামূলকভাবে পূর্ণাঙ্গ অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয় তৈরি করতে পারে।
তাই শুধু একটি নির্দিষ্ট ডালের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ডাল পর্যায়ক্রমে রাখা ভালো। পাশাপাশি ডালের সঙ্গে শাক-সবজি, ডিম, মাছ এবং অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যোগ করলে খাবার হবে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পুষ্টিকর। এতে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়ার সুযোগ পাবে।

ডাল বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভাতের সঙ্গে এক বাটি ডাল যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায়, তেমনি এটি শরীরের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। তবে সব ধরনের ডালে প্রোটিনের পরিমাণ সমান নয়। যারা খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য কোন ডাল তুলনামূলকভাবে বেশি উপকারী- তা জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৩ সালে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজি’-তে প্রকাশিত এক গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ডালের প্রোটিনের পরিমাণ তুলে ধরা হয়েছে।
- মাসকলাই ডাল – ২৫.২১ গ্রাম
- মসুর ডাল – ২৪.৬৩ গ্রাম
- মুগ ডাল – ২৩.৮৬ গ্রাম
- রাজমা – ২২.৫৩ গ্রাম
- ছোলার ডাল – ২০.৪৭ গ্রাম
প্রোটিনের পরিমাণ বিবেচনায় মাসকলাই ডাল এগিয়ে রয়েছে। এর পরেই রয়েছে মসুর ডাল। ফলে নিয়মিত খাবারে এই দুই ধরনের ডাল রাখলে শরীরে প্রোটিনের জোগান কিছুটা বাড়ানো সম্ভব।
পুষ্টিবিদদের মতে, মাসকলাই ও মসুর-দুই ধরনের ডালই পুষ্টিকর, তবে শরীরে এদের প্রভাব এক নয়। মসুর ডাল লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে এবং প্রতিদিনের খাবারে এটি সহজেই রাখা যায়। দ্রুত সিদ্ধ ও রান্না করা যায় বলে মসুর ডাল অনেকের কাছেই জনপ্রিয়। অন্যদিকে, মাসকলাই ডাল শরীরের জন্য তুলনামূলকভাবে কোমল বলে মনে করা হয়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যে সহায়তা করার পাশাপাশি নিয়মিত খাদ্য হজম এবং রক্তসঞ্চালনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ডাল প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও শুধু এটিখেয়ে শরীরের দৈনিক প্রোটিনের প্রয়োজন পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব নয়। কারণ ডালের প্রোটিন সম্পূর্ণ প্রোটিন নয়। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় কিছু অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড, বিশেষ করে মেথিওনিনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
এই ঘাটতি পূরণে ডালের সঙ্গে ভাত, রুটি কিংবা মিলেটজাতীয় শস্য খাওয়া উপকারী। শস্যে থাকা মেথিওনিন এবং ডালে থাকা লাইসিন একসঙ্গে কাজ করে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় তুলনামূলকভাবে পূর্ণাঙ্গ অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয় তৈরি করতে পারে।
তাই শুধু একটি নির্দিষ্ট ডালের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ডাল পর্যায়ক্রমে রাখা ভালো। পাশাপাশি ডালের সঙ্গে শাক-সবজি, ডিম, মাছ এবং অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যোগ করলে খাবার হবে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পুষ্টিকর। এতে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়ার সুযোগ পাবে।

কোন ডালে বেশি প্রোটিন
সিজেডএন ডেস্ক

ডাল বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভাতের সঙ্গে এক বাটি ডাল যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায়, তেমনি এটি শরীরের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। তবে সব ধরনের ডালে প্রোটিনের পরিমাণ সমান নয়। যারা খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য কোন ডাল তুলনামূলকভাবে বেশি উপকারী- তা জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৩ সালে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজি’-তে প্রকাশিত এক গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ডালের প্রোটিনের পরিমাণ তুলে ধরা হয়েছে।
- মাসকলাই ডাল – ২৫.২১ গ্রাম
- মসুর ডাল – ২৪.৬৩ গ্রাম
- মুগ ডাল – ২৩.৮৬ গ্রাম
- রাজমা – ২২.৫৩ গ্রাম
- ছোলার ডাল – ২০.৪৭ গ্রাম
প্রোটিনের পরিমাণ বিবেচনায় মাসকলাই ডাল এগিয়ে রয়েছে। এর পরেই রয়েছে মসুর ডাল। ফলে নিয়মিত খাবারে এই দুই ধরনের ডাল রাখলে শরীরে প্রোটিনের জোগান কিছুটা বাড়ানো সম্ভব।
পুষ্টিবিদদের মতে, মাসকলাই ও মসুর-দুই ধরনের ডালই পুষ্টিকর, তবে শরীরে এদের প্রভাব এক নয়। মসুর ডাল লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে এবং প্রতিদিনের খাবারে এটি সহজেই রাখা যায়। দ্রুত সিদ্ধ ও রান্না করা যায় বলে মসুর ডাল অনেকের কাছেই জনপ্রিয়। অন্যদিকে, মাসকলাই ডাল শরীরের জন্য তুলনামূলকভাবে কোমল বলে মনে করা হয়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যে সহায়তা করার পাশাপাশি নিয়মিত খাদ্য হজম এবং রক্তসঞ্চালনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ডাল প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও শুধু এটিখেয়ে শরীরের দৈনিক প্রোটিনের প্রয়োজন পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব নয়। কারণ ডালের প্রোটিন সম্পূর্ণ প্রোটিন নয়। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় কিছু অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড, বিশেষ করে মেথিওনিনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
এই ঘাটতি পূরণে ডালের সঙ্গে ভাত, রুটি কিংবা মিলেটজাতীয় শস্য খাওয়া উপকারী। শস্যে থাকা মেথিওনিন এবং ডালে থাকা লাইসিন একসঙ্গে কাজ করে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় তুলনামূলকভাবে পূর্ণাঙ্গ অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয় তৈরি করতে পারে।
তাই শুধু একটি নির্দিষ্ট ডালের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ডাল পর্যায়ক্রমে রাখা ভালো। পাশাপাশি ডালের সঙ্গে শাক-সবজি, ডিম, মাছ এবং অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যোগ করলে খাবার হবে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পুষ্টিকর। এতে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়ার সুযোগ পাবে।

সকালে না দুপুরে, কখন পেট ভরে খাবেন






