নির্যাতিত শিক্ষার্থীর বর্ণনা শুনে ক্ষমা চেয়েছেন ঢাবি ভিসি: সাদিক কায়েম

নির্যাতিত শিক্ষার্থীর বর্ণনা শুনে ক্ষমা চেয়েছেন ঢাবি ভিসি: সাদিক কায়েম
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে প্রভোস্টের হাতে নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা শুনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে উপাচার্যের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডাকসু ও ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট ঢাবি ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠে। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি। সার্বিক পরিস্থিতি নিরসনে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, প্রভোস্ট মামুন উক্ত শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় নির্যাতন করেছেন এবং স্টাফদের মাধ্যমে জোরপূর্বক মুচলেকা নিয়েছেন। এমনকি শিক্ষার্থীর অসুস্থ মাকে ফোন করে হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পুরো ঘটনার জন্য ভিক্টিম শিক্ষার্থীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে আজ রাত ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোসহ ১৯ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে প্রভোস্টের হাতে নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা শুনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে উপাচার্যের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডাকসু ও ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট ঢাবি ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠে। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি। সার্বিক পরিস্থিতি নিরসনে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, প্রভোস্ট মামুন উক্ত শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় নির্যাতন করেছেন এবং স্টাফদের মাধ্যমে জোরপূর্বক মুচলেকা নিয়েছেন। এমনকি শিক্ষার্থীর অসুস্থ মাকে ফোন করে হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পুরো ঘটনার জন্য ভিক্টিম শিক্ষার্থীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে আজ রাত ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোসহ ১৯ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নির্যাতিত শিক্ষার্থীর বর্ণনা শুনে ক্ষমা চেয়েছেন ঢাবি ভিসি: সাদিক কায়েম
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে প্রভোস্টের হাতে নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা শুনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে উপাচার্যের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডাকসু ও ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট ঢাবি ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠে। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি। সার্বিক পরিস্থিতি নিরসনে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, প্রভোস্ট মামুন উক্ত শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় নির্যাতন করেছেন এবং স্টাফদের মাধ্যমে জোরপূর্বক মুচলেকা নিয়েছেন। এমনকি শিক্ষার্থীর অসুস্থ মাকে ফোন করে হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পুরো ঘটনার জন্য ভিক্টিম শিক্ষার্থীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে আজ রাত ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোসহ ১৯ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ঢাবির হলে শিক্ষার্থী নির্যাতন ও হামলার প্রতিবাদে ডাকসুর মানববন্ধন






