রেলের শত শত কোটি টাকা লোকসানের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী

রেলের শত শত কোটি টাকা লোকসানের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত ও প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্রুটির কারণে শত শত কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রেলের সঙ্গে যুক্ত। তারা জানেন কোথায় ভুল ও সিদ্ধান্তহীনতা রয়েছে এবং বাস্তবায়নে গাফিলতি রয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হচ্ছে, যাতে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এসব অনিয়মের বিষয়ে জবাবদিহিতা কার কাছে হবে?
তিনি বলেন, রেলের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যতটুকু আছে, তার পরিপূর্ণ ব্যবহার আমাদের করতে হবে। রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যখন স্টেশনে প্রবেশ করেন, তখন রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাদানকারী ব্যক্তিদের এগিয়ে এসে তার সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব স্টেশনকে একসঙ্গে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসিটি, ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন এবং যেসব স্টেশন বেশি যাত্রী ব্যবহার করেন, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা নিতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং ব্র্যাকের পরিচালক (সড়ক নিরাপত্তা) আহমেদ নাজমুল হুসাইনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত ও প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্রুটির কারণে শত শত কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রেলের সঙ্গে যুক্ত। তারা জানেন কোথায় ভুল ও সিদ্ধান্তহীনতা রয়েছে এবং বাস্তবায়নে গাফিলতি রয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হচ্ছে, যাতে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এসব অনিয়মের বিষয়ে জবাবদিহিতা কার কাছে হবে?
তিনি বলেন, রেলের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যতটুকু আছে, তার পরিপূর্ণ ব্যবহার আমাদের করতে হবে। রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যখন স্টেশনে প্রবেশ করেন, তখন রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাদানকারী ব্যক্তিদের এগিয়ে এসে তার সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব স্টেশনকে একসঙ্গে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসিটি, ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন এবং যেসব স্টেশন বেশি যাত্রী ব্যবহার করেন, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা নিতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং ব্র্যাকের পরিচালক (সড়ক নিরাপত্তা) আহমেদ নাজমুল হুসাইনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

রেলের শত শত কোটি টাকা লোকসানের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত ও প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্রুটির কারণে শত শত কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রেলের সঙ্গে যুক্ত। তারা জানেন কোথায় ভুল ও সিদ্ধান্তহীনতা রয়েছে এবং বাস্তবায়নে গাফিলতি রয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হচ্ছে, যাতে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এসব অনিয়মের বিষয়ে জবাবদিহিতা কার কাছে হবে?
তিনি বলেন, রেলের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যতটুকু আছে, তার পরিপূর্ণ ব্যবহার আমাদের করতে হবে। রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যখন স্টেশনে প্রবেশ করেন, তখন রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাদানকারী ব্যক্তিদের এগিয়ে এসে তার সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব স্টেশনকে একসঙ্গে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসিটি, ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন এবং যেসব স্টেশন বেশি যাত্রী ব্যবহার করেন, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা নিতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং ব্র্যাকের পরিচালক (সড়ক নিরাপত্তা) আহমেদ নাজমুল হুসাইনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট সমাধানে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’





