গভর্নরকে স্মারকলিপি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের

গভর্নরকে স্মারকলিপি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইসলামী ব্যাংকের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন, গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবিতে শান্তিপূণভাবে সমাবেশ করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক সাংবাদিকদের জানান, ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সময়ের ব্যবধানে এটি এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ব্যাংকের ডিপোজিট, বিনিয়োগ, বৈদেশিক বাণিজ্য, সিএসআর এবং মুনাফা দেশের অন্য যেকোনো ১০টি ব্যাংকের সম্মিলিত অর্জনের চেয়েও বেশি ছিল। দেশের মোট রেমিট্যান্সের ৩ ভাগের ১ ভাগ ইসলামী ব্যাংক একাই সংগ্রহ করত। গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছিল যে, স্বাভাবিক বিনিয়োগের পরও ব্যাংকে বিপুল উদ্বৃত্ত তহবিল জমা থাকত। সেই ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনতে হলে ব্যাংকের প্রকৃত মালিকদের মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে মালিকদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা প্রয়োজন।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের নেতারা বলেন, এই ব্যাংক দেশের লাখো গ্রাহকের আস্থা ও আমানতের প্রতিষ্ঠান। তাই ব্যাংকটির স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিচালনা নিশ্চিত করতে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
স্মারকলিপিতে তারা ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো–
১. অনতিবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।
২. পূর্ববর্তী সরকারের আমলে জোরপূর্বক যেসব শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের শেয়ারের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে।
৩. এস আলম গ্রুপসহ ব্যাংক খাতের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।
৪. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপ্রচার রোধে দ্রুত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. ব্যাংকের লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার ও এস আলমের সম্পদ বাজেয়াপ্তে ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থঋণ আদালেতে বিশেষ সেল গঠন করে লুটেরাদের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রির মাধম্যে ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে হবে।
৬. ভবিষ্যতে কোনও ব্যাংক লুটেরা যাতে পুনরায় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফিরতে না পারে, সে জন্য ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্টের ১৮-ক ধারা বাতিল করতে হবে। লুটেরাদের সন্তান, স্ত্রী ও সুবিধাভোগীদের সবাইকে ব্যাংকিং খাতের পরিচালক পর্ষদে আজীবনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
৭. জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কে দেওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।
অন্যথায় সাধারণ গ্রাহকদের আমানত রক্ষার্থে কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকরা।

ইসলামী ব্যাংকের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন, গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবিতে শান্তিপূণভাবে সমাবেশ করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক সাংবাদিকদের জানান, ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সময়ের ব্যবধানে এটি এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ব্যাংকের ডিপোজিট, বিনিয়োগ, বৈদেশিক বাণিজ্য, সিএসআর এবং মুনাফা দেশের অন্য যেকোনো ১০টি ব্যাংকের সম্মিলিত অর্জনের চেয়েও বেশি ছিল। দেশের মোট রেমিট্যান্সের ৩ ভাগের ১ ভাগ ইসলামী ব্যাংক একাই সংগ্রহ করত। গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছিল যে, স্বাভাবিক বিনিয়োগের পরও ব্যাংকে বিপুল উদ্বৃত্ত তহবিল জমা থাকত। সেই ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনতে হলে ব্যাংকের প্রকৃত মালিকদের মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে মালিকদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা প্রয়োজন।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের নেতারা বলেন, এই ব্যাংক দেশের লাখো গ্রাহকের আস্থা ও আমানতের প্রতিষ্ঠান। তাই ব্যাংকটির স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিচালনা নিশ্চিত করতে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
স্মারকলিপিতে তারা ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো–
১. অনতিবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।
২. পূর্ববর্তী সরকারের আমলে জোরপূর্বক যেসব শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের শেয়ারের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে।
৩. এস আলম গ্রুপসহ ব্যাংক খাতের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।
৪. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপ্রচার রোধে দ্রুত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. ব্যাংকের লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার ও এস আলমের সম্পদ বাজেয়াপ্তে ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থঋণ আদালেতে বিশেষ সেল গঠন করে লুটেরাদের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রির মাধম্যে ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে হবে।
৬. ভবিষ্যতে কোনও ব্যাংক লুটেরা যাতে পুনরায় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফিরতে না পারে, সে জন্য ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্টের ১৮-ক ধারা বাতিল করতে হবে। লুটেরাদের সন্তান, স্ত্রী ও সুবিধাভোগীদের সবাইকে ব্যাংকিং খাতের পরিচালক পর্ষদে আজীবনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
৭. জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কে দেওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।
অন্যথায় সাধারণ গ্রাহকদের আমানত রক্ষার্থে কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকরা।

গভর্নরকে স্মারকলিপি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইসলামী ব্যাংকের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন, গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবিতে শান্তিপূণভাবে সমাবেশ করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক সাংবাদিকদের জানান, ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সময়ের ব্যবধানে এটি এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ব্যাংকের ডিপোজিট, বিনিয়োগ, বৈদেশিক বাণিজ্য, সিএসআর এবং মুনাফা দেশের অন্য যেকোনো ১০টি ব্যাংকের সম্মিলিত অর্জনের চেয়েও বেশি ছিল। দেশের মোট রেমিট্যান্সের ৩ ভাগের ১ ভাগ ইসলামী ব্যাংক একাই সংগ্রহ করত। গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছিল যে, স্বাভাবিক বিনিয়োগের পরও ব্যাংকে বিপুল উদ্বৃত্ত তহবিল জমা থাকত। সেই ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনতে হলে ব্যাংকের প্রকৃত মালিকদের মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে মালিকদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা প্রয়োজন।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের নেতারা বলেন, এই ব্যাংক দেশের লাখো গ্রাহকের আস্থা ও আমানতের প্রতিষ্ঠান। তাই ব্যাংকটির স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিচালনা নিশ্চিত করতে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
স্মারকলিপিতে তারা ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো–
১. অনতিবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।
২. পূর্ববর্তী সরকারের আমলে জোরপূর্বক যেসব শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের শেয়ারের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে।
৩. এস আলম গ্রুপসহ ব্যাংক খাতের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।
৪. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপ্রচার রোধে দ্রুত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. ব্যাংকের লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার ও এস আলমের সম্পদ বাজেয়াপ্তে ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থঋণ আদালেতে বিশেষ সেল গঠন করে লুটেরাদের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রির মাধম্যে ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে হবে।
৬. ভবিষ্যতে কোনও ব্যাংক লুটেরা যাতে পুনরায় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফিরতে না পারে, সে জন্য ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্টের ১৮-ক ধারা বাতিল করতে হবে। লুটেরাদের সন্তান, স্ত্রী ও সুবিধাভোগীদের সবাইকে ব্যাংকিং খাতের পরিচালক পর্ষদে আজীবনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
৭. জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কে দেওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।
অন্যথায় সাধারণ গ্রাহকদের আমানত রক্ষার্থে কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকরা।




