উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের গড়িমসি

উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের গড়িমসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রাহকের আমানতের বিপরীতে সুদ ও মুনাফা দেওয়ার সময় কেটে নেওয়া উৎসে কর সরকারি কোষাগারে ঠিকমতো জমা না দেওয়ায় ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (১০ আগস্ট) এ বিষয়ে নির্দেশমূলক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যাংক কর্তৃক আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ/মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তন এবং কর্তনকৃত কর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিকভাবে কর কর্তন না করায় সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে’ বলেও উল্লেখ করা হয় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠানো চিঠিতে।
এজন্য আয়কর আইন মেনে গ্রাহকের সঞ্চয়ী আমানত, স্থায়ী আমানত, মেয়াদী আমানত বা অন্য কোনো আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ/মুনাফার উপর প্রাপকের ধরন ভেদে উৎসে কর কর্তন করতে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।
কেটে নেওয়া কর জমা দেওয়ার পরে রিটার্ন দাখিলের সময় প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহের হার অপেক্ষা ব্যাংককে ৫০ শতাংশ বেশি হারে জমা দিতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়টিও জানানো হয়।
আয়কর আইন, ২০২৩ তুলে ধরে বলা হয়, অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের যে কোনো সময়ে সংগ্রহ করা উৎসে কর মাসের শেষে পরবর্তী ২ সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
আর অর্থবছরের জুন মাসের ১ম থেকে ২০তম দিনের সংগ্রহ করা উৎসে করের অর্থ জমা দিতে হবে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে। এছাড়াও অর্থবছরের জুন মাসের অন্যান্য দিনে সংগ্রহ করা কর পরের দিন জমা দিতে হবে।
সংগ্রহ করা করের অর্থ নির্দিষ্ট সময়সীমার বেশি ‘জেনারেল লেজারে’ অথবা অন্য কোনো হিসাবে সংরক্ষণ না করে নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে তাগাদা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গ্রাহকের আমানতের বিপরীতে সুদ ও মুনাফা দেওয়ার সময় কেটে নেওয়া উৎসে কর সরকারি কোষাগারে ঠিকমতো জমা না দেওয়ায় ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (১০ আগস্ট) এ বিষয়ে নির্দেশমূলক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যাংক কর্তৃক আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ/মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তন এবং কর্তনকৃত কর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিকভাবে কর কর্তন না করায় সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে’ বলেও উল্লেখ করা হয় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠানো চিঠিতে।
এজন্য আয়কর আইন মেনে গ্রাহকের সঞ্চয়ী আমানত, স্থায়ী আমানত, মেয়াদী আমানত বা অন্য কোনো আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ/মুনাফার উপর প্রাপকের ধরন ভেদে উৎসে কর কর্তন করতে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।
কেটে নেওয়া কর জমা দেওয়ার পরে রিটার্ন দাখিলের সময় প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহের হার অপেক্ষা ব্যাংককে ৫০ শতাংশ বেশি হারে জমা দিতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়টিও জানানো হয়।
আয়কর আইন, ২০২৩ তুলে ধরে বলা হয়, অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের যে কোনো সময়ে সংগ্রহ করা উৎসে কর মাসের শেষে পরবর্তী ২ সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
আর অর্থবছরের জুন মাসের ১ম থেকে ২০তম দিনের সংগ্রহ করা উৎসে করের অর্থ জমা দিতে হবে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে। এছাড়াও অর্থবছরের জুন মাসের অন্যান্য দিনে সংগ্রহ করা কর পরের দিন জমা দিতে হবে।
সংগ্রহ করা করের অর্থ নির্দিষ্ট সময়সীমার বেশি ‘জেনারেল লেজারে’ অথবা অন্য কোনো হিসাবে সংরক্ষণ না করে নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে তাগাদা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের গড়িমসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রাহকের আমানতের বিপরীতে সুদ ও মুনাফা দেওয়ার সময় কেটে নেওয়া উৎসে কর সরকারি কোষাগারে ঠিকমতো জমা না দেওয়ায় ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (১০ আগস্ট) এ বিষয়ে নির্দেশমূলক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যাংক কর্তৃক আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ/মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তন এবং কর্তনকৃত কর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিকভাবে কর কর্তন না করায় সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে’ বলেও উল্লেখ করা হয় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠানো চিঠিতে।
এজন্য আয়কর আইন মেনে গ্রাহকের সঞ্চয়ী আমানত, স্থায়ী আমানত, মেয়াদী আমানত বা অন্য কোনো আমানতের বিপরীতে পরিশোধিত সুদ/মুনাফার উপর প্রাপকের ধরন ভেদে উৎসে কর কর্তন করতে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।
কেটে নেওয়া কর জমা দেওয়ার পরে রিটার্ন দাখিলের সময় প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহের হার অপেক্ষা ব্যাংককে ৫০ শতাংশ বেশি হারে জমা দিতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়টিও জানানো হয়।
আয়কর আইন, ২০২৩ তুলে ধরে বলা হয়, অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের যে কোনো সময়ে সংগ্রহ করা উৎসে কর মাসের শেষে পরবর্তী ২ সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
আর অর্থবছরের জুন মাসের ১ম থেকে ২০তম দিনের সংগ্রহ করা উৎসে করের অর্থ জমা দিতে হবে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে। এছাড়াও অর্থবছরের জুন মাসের অন্যান্য দিনে সংগ্রহ করা কর পরের দিন জমা দিতে হবে।
সংগ্রহ করা করের অর্থ নির্দিষ্ট সময়সীমার বেশি ‘জেনারেল লেজারে’ অথবা অন্য কোনো হিসাবে সংরক্ষণ না করে নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে তাগাদা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

‘অকার্যকর’ ৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন স্থগিত







