‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের তৈরি করা এই সংশোধিত খসড়াটি অনুমোদন পায়।
মূলত দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট কিংবা দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি থেকে গ্রাহকদের আমানত রক্ষা করতে প্রথমে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছিল সরকার। পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তা বিলে রূপান্তর করা হয়। তখন সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশে ১৮ক নামের একটি বিশেষ ধারা যুক্ত করে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস করা হয়েছিল।
আইনটি পাসের পর দেখা যায়, ১৮ক ধারার কঠোর শর্তাবলি মেনে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেনি। দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাটি অব্যবহৃত থাকায় ধারাটির কার্যকর কোনো ভূমিকা ছিল না। তাই বাস্তবতা বিবেচনা করে অকার্যকর ধারাটি বাদ দেয়ার উদ্যোগ নেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। নতুন এই সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের আইনগত কাঠামো আরও বাস্তবসম্মত ও সংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের তৈরি করা এই সংশোধিত খসড়াটি অনুমোদন পায়।
মূলত দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট কিংবা দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি থেকে গ্রাহকদের আমানত রক্ষা করতে প্রথমে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছিল সরকার। পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তা বিলে রূপান্তর করা হয়। তখন সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশে ১৮ক নামের একটি বিশেষ ধারা যুক্ত করে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস করা হয়েছিল।
আইনটি পাসের পর দেখা যায়, ১৮ক ধারার কঠোর শর্তাবলি মেনে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেনি। দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাটি অব্যবহৃত থাকায় ধারাটির কার্যকর কোনো ভূমিকা ছিল না। তাই বাস্তবতা বিবেচনা করে অকার্যকর ধারাটি বাদ দেয়ার উদ্যোগ নেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। নতুন এই সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের আইনগত কাঠামো আরও বাস্তবসম্মত ও সংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের তৈরি করা এই সংশোধিত খসড়াটি অনুমোদন পায়।
মূলত দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট কিংবা দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি থেকে গ্রাহকদের আমানত রক্ষা করতে প্রথমে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছিল সরকার। পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তা বিলে রূপান্তর করা হয়। তখন সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশে ১৮ক নামের একটি বিশেষ ধারা যুক্ত করে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস করা হয়েছিল।
আইনটি পাসের পর দেখা যায়, ১৮ক ধারার কঠোর শর্তাবলি মেনে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেনি। দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাটি অব্যবহৃত থাকায় ধারাটির কার্যকর কোনো ভূমিকা ছিল না। তাই বাস্তবতা বিবেচনা করে অকার্যকর ধারাটি বাদ দেয়ার উদ্যোগ নেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। নতুন এই সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের আইনগত কাঠামো আরও বাস্তবসম্মত ও সংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘অকার্যকর’ ৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন স্থগিত







