জুলাই আন্দোলনের ‘ভুয়া মামলা’, শেখ হাসিনাসহ সবাইকে অব্যাহতির সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলনের ‘ভুয়া মামলা’, শেখ হাসিনাসহ সবাইকে অব্যাহতির সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১১: ৫০

শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গুলিতে নিজের স্ত্রী নিহত হওয়ার দাবি করেছিলেন মো. সুমন নামের এক ব্যক্তি। শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছিলেন। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ বলছে, সেরকম হত্যার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আর ফাতেমা নামে সেই নারীর সঙ্গে সুমনের কোনো সম্পর্কও নেই।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গুলিতে স্ত্রী নিহত হয়েছেন– এমন অভিযোগ তুলে পরের বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা করেন সুমন। তবে তদন্ত শেষে মামলার সব আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মামলার বাদীর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
গত ২৭ এপ্রিল আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তে মামলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পুলিশের দাবি, সুমন জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, ‘কিছু মানুষের প্ররোচনা ও আর্থিক প্রলোভনে’ তিনি মামলাটি করেছিলেন। তবে কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়েও তার স্পষ্ট ধারণা ছিল না।
সুমনের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হারুন-অর-রশীদসহ মোট ৮৪ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তে এজাহারভুক্ত ৬ জনসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে বিল্লাল ওরফে ভাতিজা বিল্লাল জামিনে থাকলেও অন্যরা কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরসহ মোট ৮৫ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সুমন দাবি করেছিলেন তার স্ত্রী ফাতেমাকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তবে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে, সেখানে আন্দোলনে নিহত কোনো ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়নি। কবরস্থানটি সবার জন্যও উন্মুক্ত নয়।
পুলিশ আরও জানায়, ফাতেমার হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু বা দাফনের কোনো নথি দিতে পারেননি সুমন। মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলনের সময় ২৩ জন নিহত হলেও কোনো নারী নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ফাতেমার মৃত্যুর বিষয়ে কোনো সনদও দেখাতে পারেননি তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে সুমন স্বীকার করেন, তিনি ফাতেমাকে চিনতেন না এবং ওই নামে কেউ নিহত হয়েছেন কি না, তা-ও জানতেন না।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন সুমন। তবে তারা তাকে পিছিয়ে না যেতে বলেন। এরপর ভয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং মামলার ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তদন্তে যা পেয়েছি, সেটিই চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি।’ তবে এ বিষয়ে তিনি আর বিস্তারিত বলতে চাননি।
গত ১১ মে মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আগামী ২৪ জুন শুনানির পরবর্তী দিন রেখেছেন বলে পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার বিল্লালের আইনজীবী মোস্তফা আল মামুন বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় এ ধরনের মামলা প্রায়ই দেখা যায়। অযথা এসব হয়রানি বন্ধ হওয়া উচিত।
মামলার বাদী সুমনের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গুলিতে নিজের স্ত্রী নিহত হওয়ার দাবি করেছিলেন মো. সুমন নামের এক ব্যক্তি। শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছিলেন। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ বলছে, সেরকম হত্যার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আর ফাতেমা নামে সেই নারীর সঙ্গে সুমনের কোনো সম্পর্কও নেই।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গুলিতে স্ত্রী নিহত হয়েছেন– এমন অভিযোগ তুলে পরের বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা করেন সুমন। তবে তদন্ত শেষে মামলার সব আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মামলার বাদীর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
গত ২৭ এপ্রিল আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তে মামলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পুলিশের দাবি, সুমন জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, ‘কিছু মানুষের প্ররোচনা ও আর্থিক প্রলোভনে’ তিনি মামলাটি করেছিলেন। তবে কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়েও তার স্পষ্ট ধারণা ছিল না।
সুমনের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হারুন-অর-রশীদসহ মোট ৮৪ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তে এজাহারভুক্ত ৬ জনসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে বিল্লাল ওরফে ভাতিজা বিল্লাল জামিনে থাকলেও অন্যরা কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরসহ মোট ৮৫ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সুমন দাবি করেছিলেন তার স্ত্রী ফাতেমাকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তবে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে, সেখানে আন্দোলনে নিহত কোনো ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়নি। কবরস্থানটি সবার জন্যও উন্মুক্ত নয়।
পুলিশ আরও জানায়, ফাতেমার হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু বা দাফনের কোনো নথি দিতে পারেননি সুমন। মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলনের সময় ২৩ জন নিহত হলেও কোনো নারী নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ফাতেমার মৃত্যুর বিষয়ে কোনো সনদও দেখাতে পারেননি তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে সুমন স্বীকার করেন, তিনি ফাতেমাকে চিনতেন না এবং ওই নামে কেউ নিহত হয়েছেন কি না, তা-ও জানতেন না।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন সুমন। তবে তারা তাকে পিছিয়ে না যেতে বলেন। এরপর ভয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং মামলার ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তদন্তে যা পেয়েছি, সেটিই চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি।’ তবে এ বিষয়ে তিনি আর বিস্তারিত বলতে চাননি।
গত ১১ মে মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আগামী ২৪ জুন শুনানির পরবর্তী দিন রেখেছেন বলে পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার বিল্লালের আইনজীবী মোস্তফা আল মামুন বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় এ ধরনের মামলা প্রায়ই দেখা যায়। অযথা এসব হয়রানি বন্ধ হওয়া উচিত।
মামলার বাদী সুমনের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জুলাই আন্দোলনের ‘ভুয়া মামলা’, শেখ হাসিনাসহ সবাইকে অব্যাহতির সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১১: ৫০

শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গুলিতে নিজের স্ত্রী নিহত হওয়ার দাবি করেছিলেন মো. সুমন নামের এক ব্যক্তি। শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছিলেন। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ বলছে, সেরকম হত্যার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আর ফাতেমা নামে সেই নারীর সঙ্গে সুমনের কোনো সম্পর্কও নেই।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গুলিতে স্ত্রী নিহত হয়েছেন– এমন অভিযোগ তুলে পরের বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা করেন সুমন। তবে তদন্ত শেষে মামলার সব আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মামলার বাদীর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
গত ২৭ এপ্রিল আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তে মামলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পুলিশের দাবি, সুমন জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, ‘কিছু মানুষের প্ররোচনা ও আর্থিক প্রলোভনে’ তিনি মামলাটি করেছিলেন। তবে কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়েও তার স্পষ্ট ধারণা ছিল না।
সুমনের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হারুন-অর-রশীদসহ মোট ৮৪ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তে এজাহারভুক্ত ৬ জনসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে বিল্লাল ওরফে ভাতিজা বিল্লাল জামিনে থাকলেও অন্যরা কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরসহ মোট ৮৫ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সুমন দাবি করেছিলেন তার স্ত্রী ফাতেমাকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তবে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে, সেখানে আন্দোলনে নিহত কোনো ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়নি। কবরস্থানটি সবার জন্যও উন্মুক্ত নয়।
পুলিশ আরও জানায়, ফাতেমার হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু বা দাফনের কোনো নথি দিতে পারেননি সুমন। মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলনের সময় ২৩ জন নিহত হলেও কোনো নারী নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ফাতেমার মৃত্যুর বিষয়ে কোনো সনদও দেখাতে পারেননি তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে সুমন স্বীকার করেন, তিনি ফাতেমাকে চিনতেন না এবং ওই নামে কেউ নিহত হয়েছেন কি না, তা-ও জানতেন না।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন সুমন। তবে তারা তাকে পিছিয়ে না যেতে বলেন। এরপর ভয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং মামলার ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তদন্তে যা পেয়েছি, সেটিই চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি।’ তবে এ বিষয়ে তিনি আর বিস্তারিত বলতে চাননি।
গত ১১ মে মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আগামী ২৪ জুন শুনানির পরবর্তী দিন রেখেছেন বলে পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার বিল্লালের আইনজীবী মোস্তফা আল মামুন বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় এ ধরনের মামলা প্রায়ই দেখা যায়। অযথা এসব হয়রানি বন্ধ হওয়া উচিত।
মামলার বাদী সুমনের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
/এফসি/

শেখ হাসিনাকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করল পিবিআই


