বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ কর্মচারীর মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ কর্মচারীর মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ২৩: ০১

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১২ জন দগ্ধের ঘটনায় শঙ্কর রোজারিও (২৫) নামে একজন মারা গেছেন। তিনি ক্যান্টিনের কর্মচারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শঙ্করের শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সাথে শ্বাসনালীও দগ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনায় ৬ জনকে বুধবারই ছুটি দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আলআমিন ২২ শতাংশ, মোঃ আমির ৮০ শতাংশ ও কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছে।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন—বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা নাজমুল আলম খান (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) বদরুল হায়দার (৫০) এবং ক্যান্টিন কর্মচারী মোঃ আমির (২৫) শংকর(২৫) কাওছার(৩০), আলআমিন(৪৫)।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্যান্টিনের বুফে দুপুরে খাবার খাওযার জন্য সিরিয়াল ধরেছিলেন। তখন কিচেনের ভিতরে একটি বিস্ফোরণ হয়। এতে ক্যান্টিন বয় সহ থাকা ১২ জন দগ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। রান্না শেষে কেউ একজন গ্যাসের চুলা চালু করে রেখেছিল। এরপর ম্যাচ জ্বালাতেই বিস্ফোরনে আগুন ধরে যায়।
মৃতের ভাই দুলাল রোজারিও জানান, তাদের বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার চিটাগুড়ি দিয়ারপাড়া গ্রামে। বাবার নাম জোসেফ গোমেজ রোজারিও। বর্তমানে শঙ্কর সোনারগাঁওয়ে থাকতো এবং ক্যান্টিনে কাজ করতো।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১২ জন দগ্ধের ঘটনায় শঙ্কর রোজারিও (২৫) নামে একজন মারা গেছেন। তিনি ক্যান্টিনের কর্মচারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শঙ্করের শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সাথে শ্বাসনালীও দগ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনায় ৬ জনকে বুধবারই ছুটি দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আলআমিন ২২ শতাংশ, মোঃ আমির ৮০ শতাংশ ও কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছে।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন—বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা নাজমুল আলম খান (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) বদরুল হায়দার (৫০) এবং ক্যান্টিন কর্মচারী মোঃ আমির (২৫) শংকর(২৫) কাওছার(৩০), আলআমিন(৪৫)।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্যান্টিনের বুফে দুপুরে খাবার খাওযার জন্য সিরিয়াল ধরেছিলেন। তখন কিচেনের ভিতরে একটি বিস্ফোরণ হয়। এতে ক্যান্টিন বয় সহ থাকা ১২ জন দগ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। রান্না শেষে কেউ একজন গ্যাসের চুলা চালু করে রেখেছিল। এরপর ম্যাচ জ্বালাতেই বিস্ফোরনে আগুন ধরে যায়।
মৃতের ভাই দুলাল রোজারিও জানান, তাদের বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার চিটাগুড়ি দিয়ারপাড়া গ্রামে। বাবার নাম জোসেফ গোমেজ রোজারিও। বর্তমানে শঙ্কর সোনারগাঁওয়ে থাকতো এবং ক্যান্টিনে কাজ করতো।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ কর্মচারীর মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ২৩: ০১

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১২ জন দগ্ধের ঘটনায় শঙ্কর রোজারিও (২৫) নামে একজন মারা গেছেন। তিনি ক্যান্টিনের কর্মচারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শঙ্করের শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সাথে শ্বাসনালীও দগ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনায় ৬ জনকে বুধবারই ছুটি দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আলআমিন ২২ শতাংশ, মোঃ আমির ৮০ শতাংশ ও কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছে।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন—বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা নাজমুল আলম খান (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) বদরুল হায়দার (৫০) এবং ক্যান্টিন কর্মচারী মোঃ আমির (২৫) শংকর(২৫) কাওছার(৩০), আলআমিন(৪৫)।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্যান্টিনের বুফে দুপুরে খাবার খাওযার জন্য সিরিয়াল ধরেছিলেন। তখন কিচেনের ভিতরে একটি বিস্ফোরণ হয়। এতে ক্যান্টিন বয় সহ থাকা ১২ জন দগ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। রান্না শেষে কেউ একজন গ্যাসের চুলা চালু করে রেখেছিল। এরপর ম্যাচ জ্বালাতেই বিস্ফোরনে আগুন ধরে যায়।
মৃতের ভাই দুলাল রোজারিও জানান, তাদের বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার চিটাগুড়ি দিয়ারপাড়া গ্রামে। বাবার নাম জোসেফ গোমেজ রোজারিও। বর্তমানে শঙ্কর সোনারগাঁওয়ে থাকতো এবং ক্যান্টিনে কাজ করতো।
/এমআর/




