শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশ যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশ যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১০: ৪৬

গ্রেপ্তার হায়দার কবির মিথুন। ছবি: সংগৃহীত
বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
রবিবার (১০ মে) ভোরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি জানায়, উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের হওয়া একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’ উত্তরখান এলাকায় ১০ কাঠা জমির ওপর জি প্লাস ৯ তলা ভবন নির্মাণের কথা বলে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। এতে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন গ্রাহক ওই কোম্পানির উত্তরা সেক্টর ৪-এর কার্যালয়ে গিয়ে টাকা জমা দেন।
এজাহারে বলা হয়, মামলার বাদী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমে ১ লাখ টাকা এবং পরে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। এ সময় কোম্পানির তৎকালীন এমডি মো. শিশির আহমেদ, ডিএমডি হায়দার কবির মিথুন, ফিন্যান্স ডিরেক্টর মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহার, আইটি ও অ্যাকাউন্টস ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম (জাহিদ) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাদীর এক বন্ধুও ৯ লাখ টাকা দিয়েছেন।
বাদীর অভিযোগ, গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর মানি রিসিপ্ট ও চেক দেওয়া হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরে গ্রাহকরা জানতে পারেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-স্টার হোটেল ও জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হতো। একপর্যায়ে কোম্পানির এমডি মো. শিশির আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়। নতুন পরিচালনা পর্ষদের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কোম্পানিতে যারা আর্থিক লেনদেন করেছে সেই দায়ভার তারা নেবে না।
সিআইডি বলছে, তদন্তে হায়দার কবির মিথুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলা হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।

বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
রবিবার (১০ মে) ভোরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি জানায়, উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের হওয়া একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’ উত্তরখান এলাকায় ১০ কাঠা জমির ওপর জি প্লাস ৯ তলা ভবন নির্মাণের কথা বলে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। এতে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন গ্রাহক ওই কোম্পানির উত্তরা সেক্টর ৪-এর কার্যালয়ে গিয়ে টাকা জমা দেন।
এজাহারে বলা হয়, মামলার বাদী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমে ১ লাখ টাকা এবং পরে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। এ সময় কোম্পানির তৎকালীন এমডি মো. শিশির আহমেদ, ডিএমডি হায়দার কবির মিথুন, ফিন্যান্স ডিরেক্টর মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহার, আইটি ও অ্যাকাউন্টস ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম (জাহিদ) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাদীর এক বন্ধুও ৯ লাখ টাকা দিয়েছেন।
বাদীর অভিযোগ, গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর মানি রিসিপ্ট ও চেক দেওয়া হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরে গ্রাহকরা জানতে পারেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-স্টার হোটেল ও জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হতো। একপর্যায়ে কোম্পানির এমডি মো. শিশির আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়। নতুন পরিচালনা পর্ষদের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কোম্পানিতে যারা আর্থিক লেনদেন করেছে সেই দায়ভার তারা নেবে না।
সিআইডি বলছে, তদন্তে হায়দার কবির মিথুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলা হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।

শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশ যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১০: ৪৬

গ্রেপ্তার হায়দার কবির মিথুন। ছবি: সংগৃহীত
বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
রবিবার (১০ মে) ভোরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি জানায়, উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের হওয়া একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’ উত্তরখান এলাকায় ১০ কাঠা জমির ওপর জি প্লাস ৯ তলা ভবন নির্মাণের কথা বলে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। এতে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন গ্রাহক ওই কোম্পানির উত্তরা সেক্টর ৪-এর কার্যালয়ে গিয়ে টাকা জমা দেন।
এজাহারে বলা হয়, মামলার বাদী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমে ১ লাখ টাকা এবং পরে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। এ সময় কোম্পানির তৎকালীন এমডি মো. শিশির আহমেদ, ডিএমডি হায়দার কবির মিথুন, ফিন্যান্স ডিরেক্টর মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহার, আইটি ও অ্যাকাউন্টস ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম (জাহিদ) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাদীর এক বন্ধুও ৯ লাখ টাকা দিয়েছেন।
বাদীর অভিযোগ, গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর মানি রিসিপ্ট ও চেক দেওয়া হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরে গ্রাহকরা জানতে পারেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-স্টার হোটেল ও জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হতো। একপর্যায়ে কোম্পানির এমডি মো. শিশির আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়। নতুন পরিচালনা পর্ষদের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কোম্পানিতে যারা আর্থিক লেনদেন করেছে সেই দায়ভার তারা নেবে না।
সিআইডি বলছে, তদন্তে হায়দার কবির মিথুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলা হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।
/এফসি/

অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২


