ভারতের উত্তর প্রদেশে ঝড়ে নিহত বেড়ে ১১১

ভারতের উত্তর প্রদেশে ঝড়ে নিহত বেড়ে ১১১
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের উত্তর প্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে গাছপালা উপড়ে গেছে এবং ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১১ জন নিহত ও ৭২ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার প্রবল ঝড়, বজ্রপাত এবং রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে উত্তরপ্রদেশের বিশাল এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঝড়ের তীব্রতায় অসংখ্য ঘরবাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে এবং শত শত গাছ উপড়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ঝড়ের ভয়াবহতা নিয়ে একটি ভিডিও প্রচার করেছে, যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় বেরেলি জেলায় ঝোড়ো হাওয়ায় ঘরের টিনের চালের সঙ্গে এক ব্যক্তি উঁচুতে উড়ে যাচ্ছেন। সেই ব্যক্তি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নানহে আনসারি নামের ওই ব্যক্তি জানান, ঝড়ের সময় তিনি একটি দড়ি দিয়ে ঘরের টিনের চালটি বাঁধার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় প্রচণ্ড বাতাসের ঝাপটায় টিনসহ তিনি প্রায় ৫০ ফুট উঁচুতে উঠে যান এবং প্রায় ৮০ ফুট দূরে একটি পানিভর্তি ভুট্টা ক্ষেতে আছড়ে পড়েন। নিচে টিনটি আগে পড়ায় এবং জমিতে পানি থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান বলে জানিয়েছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, ‘১৩ই মে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে রাজ্যের ২৬টি জেলা থেকে ১১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ৭২ জন আহত, ১৭০টি গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্ত এবং ২২৭টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা জেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করছে এবং জেলাগুলোতে প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করা হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের ‘পূর্ণ সংবেদনশীলতার সঙ্গে’ ঘটনাগুলো যাচাই করতে বলেছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের কাছে আর্থিক সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রয়াগরাজ জেলা প্রশাসনের জারি করা একটি তালিকা অনুসারে, সকাল পর্যন্ত ঝড় ও বৃষ্টির কারণে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অন্যান্য এলাকা থেকে খবর আসতে থাকায় জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবারের ঘটনায় জেলায় মোট ২৪ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।
ভাদোহিতে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের আঘাতে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুঁয়ার বীরেন্দ্র কুমার মৌর্য বলেছেন, ঝড়ে বেশ কয়েকটি এলাকায় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফতেহপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অবিনাশ ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, জেলায় ঝড়জনিত ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খাগা তহসিলে পাঁচ নারীসহ আটজন এবং সদর তহসিলে একটি বাড়ির দেয়াল ধসে এক নারী মারা গেছেন।’
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতাপগড়ে প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে দেয়াল ও সিমেন্টের চালা ধসে এবং বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এমন মৃত্যুর খবর সামনে আসছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ ধরনের তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতের ঘটনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
সূত্র: ডেকান হেরাল্ড, সিএনএ

ভারতের উত্তর প্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে গাছপালা উপড়ে গেছে এবং ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১১ জন নিহত ও ৭২ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার প্রবল ঝড়, বজ্রপাত এবং রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে উত্তরপ্রদেশের বিশাল এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঝড়ের তীব্রতায় অসংখ্য ঘরবাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে এবং শত শত গাছ উপড়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ঝড়ের ভয়াবহতা নিয়ে একটি ভিডিও প্রচার করেছে, যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় বেরেলি জেলায় ঝোড়ো হাওয়ায় ঘরের টিনের চালের সঙ্গে এক ব্যক্তি উঁচুতে উড়ে যাচ্ছেন। সেই ব্যক্তি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নানহে আনসারি নামের ওই ব্যক্তি জানান, ঝড়ের সময় তিনি একটি দড়ি দিয়ে ঘরের টিনের চালটি বাঁধার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় প্রচণ্ড বাতাসের ঝাপটায় টিনসহ তিনি প্রায় ৫০ ফুট উঁচুতে উঠে যান এবং প্রায় ৮০ ফুট দূরে একটি পানিভর্তি ভুট্টা ক্ষেতে আছড়ে পড়েন। নিচে টিনটি আগে পড়ায় এবং জমিতে পানি থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান বলে জানিয়েছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, ‘১৩ই মে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে রাজ্যের ২৬টি জেলা থেকে ১১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ৭২ জন আহত, ১৭০টি গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্ত এবং ২২৭টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা জেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করছে এবং জেলাগুলোতে প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করা হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের ‘পূর্ণ সংবেদনশীলতার সঙ্গে’ ঘটনাগুলো যাচাই করতে বলেছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের কাছে আর্থিক সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রয়াগরাজ জেলা প্রশাসনের জারি করা একটি তালিকা অনুসারে, সকাল পর্যন্ত ঝড় ও বৃষ্টির কারণে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অন্যান্য এলাকা থেকে খবর আসতে থাকায় জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবারের ঘটনায় জেলায় মোট ২৪ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।
ভাদোহিতে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের আঘাতে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুঁয়ার বীরেন্দ্র কুমার মৌর্য বলেছেন, ঝড়ে বেশ কয়েকটি এলাকায় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফতেহপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অবিনাশ ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, জেলায় ঝড়জনিত ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খাগা তহসিলে পাঁচ নারীসহ আটজন এবং সদর তহসিলে একটি বাড়ির দেয়াল ধসে এক নারী মারা গেছেন।’
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতাপগড়ে প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে দেয়াল ও সিমেন্টের চালা ধসে এবং বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এমন মৃত্যুর খবর সামনে আসছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ ধরনের তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতের ঘটনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
সূত্র: ডেকান হেরাল্ড, সিএনএ

ভারতের উত্তর প্রদেশে ঝড়ে নিহত বেড়ে ১১১
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের উত্তর প্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে গাছপালা উপড়ে গেছে এবং ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১১ জন নিহত ও ৭২ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার প্রবল ঝড়, বজ্রপাত এবং রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে উত্তরপ্রদেশের বিশাল এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঝড়ের তীব্রতায় অসংখ্য ঘরবাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে এবং শত শত গাছ উপড়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ঝড়ের ভয়াবহতা নিয়ে একটি ভিডিও প্রচার করেছে, যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় বেরেলি জেলায় ঝোড়ো হাওয়ায় ঘরের টিনের চালের সঙ্গে এক ব্যক্তি উঁচুতে উড়ে যাচ্ছেন। সেই ব্যক্তি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নানহে আনসারি নামের ওই ব্যক্তি জানান, ঝড়ের সময় তিনি একটি দড়ি দিয়ে ঘরের টিনের চালটি বাঁধার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় প্রচণ্ড বাতাসের ঝাপটায় টিনসহ তিনি প্রায় ৫০ ফুট উঁচুতে উঠে যান এবং প্রায় ৮০ ফুট দূরে একটি পানিভর্তি ভুট্টা ক্ষেতে আছড়ে পড়েন। নিচে টিনটি আগে পড়ায় এবং জমিতে পানি থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান বলে জানিয়েছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, ‘১৩ই মে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে রাজ্যের ২৬টি জেলা থেকে ১১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ৭২ জন আহত, ১৭০টি গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্ত এবং ২২৭টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা জেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করছে এবং জেলাগুলোতে প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করা হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের ‘পূর্ণ সংবেদনশীলতার সঙ্গে’ ঘটনাগুলো যাচাই করতে বলেছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের কাছে আর্থিক সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রয়াগরাজ জেলা প্রশাসনের জারি করা একটি তালিকা অনুসারে, সকাল পর্যন্ত ঝড় ও বৃষ্টির কারণে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অন্যান্য এলাকা থেকে খবর আসতে থাকায় জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবারের ঘটনায় জেলায় মোট ২৪ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।
ভাদোহিতে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের আঘাতে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুঁয়ার বীরেন্দ্র কুমার মৌর্য বলেছেন, ঝড়ে বেশ কয়েকটি এলাকায় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফতেহপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অবিনাশ ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, জেলায় ঝড়জনিত ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খাগা তহসিলে পাঁচ নারীসহ আটজন এবং সদর তহসিলে একটি বাড়ির দেয়াল ধসে এক নারী মারা গেছেন।’
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতাপগড়ে প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে দেয়াল ও সিমেন্টের চালা ধসে এবং বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এমন মৃত্যুর খবর সামনে আসছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ ধরনের তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতের ঘটনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
সূত্র: ডেকান হেরাল্ড, সিএনএ

ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড ভারতের উত্তর প্রদেশ, নিহত ৩৩
ভারতে তিন ঘণ্টায় ৪০ কুপ্রস্তাব পেলেন নারী পুলিশ কমিশনার


