আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
রংপুর সংবাদদাতা

জুলাই আন্দোলনে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারম্যান। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসময় শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ রংপুর জেলার নেতারা।
জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন। তার বিদেহী আত্মর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন।

তিনি বলেন, আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো দেশের সব মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যই শুধু নয়, আবু সাঈদ শিখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়তে হয়, সেই শিক্ষাও আবু সাঈদ শিখিয়ে গেছেন।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, কেবল আবু সাঈদকে মৃত্যু দিবসে স্মরণ এবং তার কবর জিয়ারতের মধ্যে থাকলেই চলবে না। তার আত্মাত্যাগের শিক্ষাটাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য আমাদের সবাইকে উজ্জীবিত হতে হবে। তাহলেই আমার মনে হয়, আবু সাঈদের আত্মা শান্তি পাবে।
২০২৪ সালর ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আবু সাঈদ। পরদিন তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

জুলাই আন্দোলনে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারম্যান। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসময় শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ রংপুর জেলার নেতারা।
জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন। তার বিদেহী আত্মর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন।

তিনি বলেন, আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো দেশের সব মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যই শুধু নয়, আবু সাঈদ শিখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়তে হয়, সেই শিক্ষাও আবু সাঈদ শিখিয়ে গেছেন।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, কেবল আবু সাঈদকে মৃত্যু দিবসে স্মরণ এবং তার কবর জিয়ারতের মধ্যে থাকলেই চলবে না। তার আত্মাত্যাগের শিক্ষাটাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য আমাদের সবাইকে উজ্জীবিত হতে হবে। তাহলেই আমার মনে হয়, আবু সাঈদের আত্মা শান্তি পাবে।
২০২৪ সালর ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আবু সাঈদ। পরদিন তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
রংপুর সংবাদদাতা

জুলাই আন্দোলনে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারম্যান। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসময় শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ রংপুর জেলার নেতারা।
জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন। তার বিদেহী আত্মর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন।

তিনি বলেন, আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো দেশের সব মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যই শুধু নয়, আবু সাঈদ শিখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়তে হয়, সেই শিক্ষাও আবু সাঈদ শিখিয়ে গেছেন।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, কেবল আবু সাঈদকে মৃত্যু দিবসে স্মরণ এবং তার কবর জিয়ারতের মধ্যে থাকলেই চলবে না। তার আত্মাত্যাগের শিক্ষাটাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য আমাদের সবাইকে উজ্জীবিত হতে হবে। তাহলেই আমার মনে হয়, আবু সাঈদের আত্মা শান্তি পাবে।
২০২৪ সালর ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আবু সাঈদ। পরদিন তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।




