সময় শেষ হওয়ার পরও বই খুলে উত্তর লিখলো পরীক্ষার্থীরা
রংপুর সংবাদদাতা

সময় শেষ হওয়ার পরও বই খুলে উত্তর লিখলো পরীক্ষার্থীরা
রংপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৫৭

পরীক্ষা কেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র লেখার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। গত রবিবার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার শঠিবাড়ি ইসলামী সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এদিন গণিত পরীক্ষা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা নিয়ম অনুযায়ী দুপুর ১টায় শেষ হওয়ার কথা। তবে সময় শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি কক্ষে দরজা-জানালা বন্ধ রেখে বই খুলে উত্তর লেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সংবাদকর্মীরা দুপুর ১টা ৯ মিনিটের দিকে কয়েকটি কক্ষে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের বই খুলে লিখতে দেখেন। এ সময় দায়িত্বরত এক পরিদর্শক জানান, স্ট্যাপলার না থাকায় খাতা সংগ্রহে দেরি হয়েছে।
পরীক্ষার্থী রওশন হাবিব অভিযোগ করে বলেন, তাদের কক্ষ থেকে সময় মতো খাতা নেওয়া হলেও পাশের কয়েকটি কক্ষে বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে অভিযোগ করলে কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া তাকে শাসান এবং ‘দেখে নেওয়া হবে’ বলে হুমকি দেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে নির্ধারিত সময়ের পরও কিছু কক্ষে বই-খাতা খোলা অবস্থায় পরীক্ষা দিতে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে এক পরীক্ষার্থীকে শাসানোর দৃশ্যও দেখা গেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থলে থাকা এক সংবাদকর্মী জানান, কেন্দ্র সচিবের কক্ষের সিসিটিভি মনিটরে এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরে একটি মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা যায়, আরাফাত নামে একজন ব্যক্তি মেসেজের মাধ্যমে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর পাঠিয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া বলেন, ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে একটি কক্ষে খাতা সংগ্রহে কিছুটা দেরি হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। খাতা জমা নিতে স্বাভাবিক যে সময় লাগে, তার বাইরে কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র লেখার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। গত রবিবার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার শঠিবাড়ি ইসলামী সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এদিন গণিত পরীক্ষা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা নিয়ম অনুযায়ী দুপুর ১টায় শেষ হওয়ার কথা। তবে সময় শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি কক্ষে দরজা-জানালা বন্ধ রেখে বই খুলে উত্তর লেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সংবাদকর্মীরা দুপুর ১টা ৯ মিনিটের দিকে কয়েকটি কক্ষে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের বই খুলে লিখতে দেখেন। এ সময় দায়িত্বরত এক পরিদর্শক জানান, স্ট্যাপলার না থাকায় খাতা সংগ্রহে দেরি হয়েছে।
পরীক্ষার্থী রওশন হাবিব অভিযোগ করে বলেন, তাদের কক্ষ থেকে সময় মতো খাতা নেওয়া হলেও পাশের কয়েকটি কক্ষে বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে অভিযোগ করলে কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া তাকে শাসান এবং ‘দেখে নেওয়া হবে’ বলে হুমকি দেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে নির্ধারিত সময়ের পরও কিছু কক্ষে বই-খাতা খোলা অবস্থায় পরীক্ষা দিতে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে এক পরীক্ষার্থীকে শাসানোর দৃশ্যও দেখা গেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থলে থাকা এক সংবাদকর্মী জানান, কেন্দ্র সচিবের কক্ষের সিসিটিভি মনিটরে এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরে একটি মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা যায়, আরাফাত নামে একজন ব্যক্তি মেসেজের মাধ্যমে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর পাঠিয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া বলেন, ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে একটি কক্ষে খাতা সংগ্রহে কিছুটা দেরি হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। খাতা জমা নিতে স্বাভাবিক যে সময় লাগে, তার বাইরে কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সময় শেষ হওয়ার পরও বই খুলে উত্তর লিখলো পরীক্ষার্থীরা
রংপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৫৭

পরীক্ষা কেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র লেখার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। গত রবিবার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার শঠিবাড়ি ইসলামী সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এদিন গণিত পরীক্ষা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা নিয়ম অনুযায়ী দুপুর ১টায় শেষ হওয়ার কথা। তবে সময় শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি কক্ষে দরজা-জানালা বন্ধ রেখে বই খুলে উত্তর লেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সংবাদকর্মীরা দুপুর ১টা ৯ মিনিটের দিকে কয়েকটি কক্ষে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের বই খুলে লিখতে দেখেন। এ সময় দায়িত্বরত এক পরিদর্শক জানান, স্ট্যাপলার না থাকায় খাতা সংগ্রহে দেরি হয়েছে।
পরীক্ষার্থী রওশন হাবিব অভিযোগ করে বলেন, তাদের কক্ষ থেকে সময় মতো খাতা নেওয়া হলেও পাশের কয়েকটি কক্ষে বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে অভিযোগ করলে কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া তাকে শাসান এবং ‘দেখে নেওয়া হবে’ বলে হুমকি দেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে নির্ধারিত সময়ের পরও কিছু কক্ষে বই-খাতা খোলা অবস্থায় পরীক্ষা দিতে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে এক পরীক্ষার্থীকে শাসানোর দৃশ্যও দেখা গেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থলে থাকা এক সংবাদকর্মী জানান, কেন্দ্র সচিবের কক্ষের সিসিটিভি মনিটরে এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরে একটি মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা যায়, আরাফাত নামে একজন ব্যক্তি মেসেজের মাধ্যমে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর পাঠিয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া বলেন, ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে একটি কক্ষে খাতা সংগ্রহে কিছুটা দেরি হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। খাতা জমা নিতে স্বাভাবিক যে সময় লাগে, তার বাইরে কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এসআর/




