সাগরে ধরা পড়লো বিশাল আকারের ৪০ কোরাল

সাগরে ধরা পড়লো বিশাল আকারের ৪০ কোরাল
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের ৪০টি কোরাল মাছ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে সাড়ে তিন মণ কোরাল মাছ ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে প্রতি কেজি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১,২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই মহিপুর মৎস্য বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন, দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। এতে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে নানা কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় ধীরে ধীরে মাছের উৎপাদন বাড়ছে। কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি এবং এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ। জেলেদের নিয়ম মেনে মাছ ধরারও আহ্বান জানান তিনি।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের ৪০টি কোরাল মাছ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে সাড়ে তিন মণ কোরাল মাছ ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে প্রতি কেজি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১,২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই মহিপুর মৎস্য বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন, দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। এতে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে নানা কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় ধীরে ধীরে মাছের উৎপাদন বাড়ছে। কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি এবং এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ। জেলেদের নিয়ম মেনে মাছ ধরারও আহ্বান জানান তিনি।

সাগরে ধরা পড়লো বিশাল আকারের ৪০ কোরাল
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের ৪০টি কোরাল মাছ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে সাড়ে তিন মণ কোরাল মাছ ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে প্রতি কেজি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১,২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই মহিপুর মৎস্য বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন, দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। এতে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে নানা কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় ধীরে ধীরে মাছের উৎপাদন বাড়ছে। কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি এবং এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ। জেলেদের নিয়ম মেনে মাছ ধরারও আহ্বান জানান তিনি।




