নেত্রকোনায় হাওরে ফসল ডুবে ৩১৩ কোটি টাকার ক্ষতি

নেত্রকোনায় হাওরে ফসল ডুবে ৩১৩ কোটি টাকার ক্ষতি
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে নেত্রকোনায় ৩১৩ কোটি টাকার ফসল ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তবে এ ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে জানিয়েছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, নেত্রকোনায় অন্তত ২২ হাজার ৩৪৮ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৬৯ হাজার ৬৯৮ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন, যার আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১৩ কোটি টাকা।
তবে স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরো অনেক বেশি হবে।
বৃষ্টিপাতে হাওরাঞ্চলে পানি জমে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মানবসৃষ্ট কারণকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মানুষ নদ-নদী, খাল-বিল ও হাওরগুলোর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তাই অসময়ে এমন দুর্যোগ দেখা দিয়েছে।
পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান বলেন, হাওরাঞ্চলের নদ-নদী, খাল-বিলের পানি প্রবাহ নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাণ প্রকৃতিও। মানবসৃষ্ট কারণেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ফসল তলানোয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে। কিন্তু কৃষকরা জানান, হাওরাঞ্চলের শতকরা ৪০ ভাগ ধানও কাটা সম্ভব হয়নি। কৃষি অফিসের তথ্য সঠিক নয় বলে অভিযোগ কৃষকদের।
জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার কৃষক হাফিজুর রহমান জানান, হাওরে যে পানি জমেছে এটা বন্যা না। এটা হলো জলাবদ্ধতা। আগে বৃষ্টি হলে পানি বের হয়ে যাওয়ার নালা ছিল। বর্তমানে তা নাই। যে কারণে পানি জমে ফসল তলিয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।
এদিকে, গত দুদিন ধরে রোদ থাকায় কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তারা তাদের ভিজা ধান শুকাতে শুরু করেছেন। তবে কোনো বৃষ্টিপাত না হলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় উবদাখালী নদী ও কংস নদের পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত উবদাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ও কংস নদের পানি বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটাট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে নেত্রকোনায় ৩১৩ কোটি টাকার ফসল ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তবে এ ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে জানিয়েছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, নেত্রকোনায় অন্তত ২২ হাজার ৩৪৮ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৬৯ হাজার ৬৯৮ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন, যার আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১৩ কোটি টাকা।
তবে স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরো অনেক বেশি হবে।
বৃষ্টিপাতে হাওরাঞ্চলে পানি জমে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মানবসৃষ্ট কারণকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মানুষ নদ-নদী, খাল-বিল ও হাওরগুলোর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তাই অসময়ে এমন দুর্যোগ দেখা দিয়েছে।
পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান বলেন, হাওরাঞ্চলের নদ-নদী, খাল-বিলের পানি প্রবাহ নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাণ প্রকৃতিও। মানবসৃষ্ট কারণেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ফসল তলানোয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে। কিন্তু কৃষকরা জানান, হাওরাঞ্চলের শতকরা ৪০ ভাগ ধানও কাটা সম্ভব হয়নি। কৃষি অফিসের তথ্য সঠিক নয় বলে অভিযোগ কৃষকদের।
জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার কৃষক হাফিজুর রহমান জানান, হাওরে যে পানি জমেছে এটা বন্যা না। এটা হলো জলাবদ্ধতা। আগে বৃষ্টি হলে পানি বের হয়ে যাওয়ার নালা ছিল। বর্তমানে তা নাই। যে কারণে পানি জমে ফসল তলিয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।
এদিকে, গত দুদিন ধরে রোদ থাকায় কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তারা তাদের ভিজা ধান শুকাতে শুরু করেছেন। তবে কোনো বৃষ্টিপাত না হলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় উবদাখালী নদী ও কংস নদের পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত উবদাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ও কংস নদের পানি বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটাট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোনায় হাওরে ফসল ডুবে ৩১৩ কোটি টাকার ক্ষতি
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে নেত্রকোনায় ৩১৩ কোটি টাকার ফসল ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তবে এ ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে জানিয়েছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, নেত্রকোনায় অন্তত ২২ হাজার ৩৪৮ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৬৯ হাজার ৬৯৮ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন, যার আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১৩ কোটি টাকা।
তবে স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরো অনেক বেশি হবে।
বৃষ্টিপাতে হাওরাঞ্চলে পানি জমে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মানবসৃষ্ট কারণকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মানুষ নদ-নদী, খাল-বিল ও হাওরগুলোর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তাই অসময়ে এমন দুর্যোগ দেখা দিয়েছে।
পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান বলেন, হাওরাঞ্চলের নদ-নদী, খাল-বিলের পানি প্রবাহ নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাণ প্রকৃতিও। মানবসৃষ্ট কারণেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ফসল তলানোয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে। কিন্তু কৃষকরা জানান, হাওরাঞ্চলের শতকরা ৪০ ভাগ ধানও কাটা সম্ভব হয়নি। কৃষি অফিসের তথ্য সঠিক নয় বলে অভিযোগ কৃষকদের।
জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার কৃষক হাফিজুর রহমান জানান, হাওরে যে পানি জমেছে এটা বন্যা না। এটা হলো জলাবদ্ধতা। আগে বৃষ্টি হলে পানি বের হয়ে যাওয়ার নালা ছিল। বর্তমানে তা নাই। যে কারণে পানি জমে ফসল তলিয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।
এদিকে, গত দুদিন ধরে রোদ থাকায় কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তারা তাদের ভিজা ধান শুকাতে শুরু করেছেন। তবে কোনো বৃষ্টিপাত না হলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় উবদাখালী নদী ও কংস নদের পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত উবদাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ও কংস নদের পানি বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটাট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।




