বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, দুই দিন ধরে শূন্যরেখায় ১০ জন

বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, দুই দিন ধরে শূন্যরেখায় ১০ জন
যশোর সংবাদদাতা

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের শিকার নারী-শিশুসহ ১০ জন দ্বিতীয় দিনের মতো সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। গতকাল সোমবার তাদের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে মঙ্গলবারও (২ জুন) শূণ্যরেখার একটি গাছের নিচে চরম অনিশ্চয়তা আর আতঙ্ক নিয়ে তাদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।
এর আগে, গত ৩১ মে গভীর রাতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর খড়ের মাঠ সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের গেট খুলে ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি সদস্যদের কঠোর প্রতিরোধের মুখে সেটা সম্ভব হয়নি। ফলে গত দুই দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়ে ওই ১০ জন।
অভিযোগ রয়েছে, বিএসএফ নিজেদের সীমান্তের সব সার্চলাইট ও লাইটিং ব্যবস্থা বন্ধ করে এই পুশইন চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিজিবির প্রতিরোধের মুখে বারবারই ব্যর্থ হয় বিএসএফ সদস্যরা।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে ৪৯ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিএসএফকে বলেছি, তারা (শূন্যরেখায় আটকা পড়া ১০ জন) যদি বাংলাদেশি নাগরিক হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তাদের পাঠালে আমরা গ্রহণ করবো। তবে অবৈধভাবে ঠেলে পাঠালে আমরা মেনে নেবো না। আমরা অবৈধভাবে কোনো নাগরিককে বাংলাদেশের জিরো লাইন ক্রস করতে দেবো না।’

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের শিকার নারী-শিশুসহ ১০ জন দ্বিতীয় দিনের মতো সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। গতকাল সোমবার তাদের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে মঙ্গলবারও (২ জুন) শূণ্যরেখার একটি গাছের নিচে চরম অনিশ্চয়তা আর আতঙ্ক নিয়ে তাদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।
এর আগে, গত ৩১ মে গভীর রাতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর খড়ের মাঠ সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের গেট খুলে ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি সদস্যদের কঠোর প্রতিরোধের মুখে সেটা সম্ভব হয়নি। ফলে গত দুই দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়ে ওই ১০ জন।
অভিযোগ রয়েছে, বিএসএফ নিজেদের সীমান্তের সব সার্চলাইট ও লাইটিং ব্যবস্থা বন্ধ করে এই পুশইন চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিজিবির প্রতিরোধের মুখে বারবারই ব্যর্থ হয় বিএসএফ সদস্যরা।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে ৪৯ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিএসএফকে বলেছি, তারা (শূন্যরেখায় আটকা পড়া ১০ জন) যদি বাংলাদেশি নাগরিক হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তাদের পাঠালে আমরা গ্রহণ করবো। তবে অবৈধভাবে ঠেলে পাঠালে আমরা মেনে নেবো না। আমরা অবৈধভাবে কোনো নাগরিককে বাংলাদেশের জিরো লাইন ক্রস করতে দেবো না।’

বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, দুই দিন ধরে শূন্যরেখায় ১০ জন
যশোর সংবাদদাতা

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের শিকার নারী-শিশুসহ ১০ জন দ্বিতীয় দিনের মতো সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। গতকাল সোমবার তাদের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে মঙ্গলবারও (২ জুন) শূণ্যরেখার একটি গাছের নিচে চরম অনিশ্চয়তা আর আতঙ্ক নিয়ে তাদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।
এর আগে, গত ৩১ মে গভীর রাতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর খড়ের মাঠ সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের গেট খুলে ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি সদস্যদের কঠোর প্রতিরোধের মুখে সেটা সম্ভব হয়নি। ফলে গত দুই দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়ে ওই ১০ জন।
অভিযোগ রয়েছে, বিএসএফ নিজেদের সীমান্তের সব সার্চলাইট ও লাইটিং ব্যবস্থা বন্ধ করে এই পুশইন চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিজিবির প্রতিরোধের মুখে বারবারই ব্যর্থ হয় বিএসএফ সদস্যরা।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে ৪৯ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিএসএফকে বলেছি, তারা (শূন্যরেখায় আটকা পড়া ১০ জন) যদি বাংলাদেশি নাগরিক হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তাদের পাঠালে আমরা গ্রহণ করবো। তবে অবৈধভাবে ঠেলে পাঠালে আমরা মেনে নেবো না। আমরা অবৈধভাবে কোনো নাগরিককে বাংলাদেশের জিরো লাইন ক্রস করতে দেবো না।’

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের ‘পুশইন’ চেষ্টা, শূন্যরেখায় আটকে ১০-১৩ জন


