‘সর্বহারা পার্টির’ পরিচয়ে ৮ শিক্ষকের ফোনে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকির অভিযোগ

‘সর্বহারা পার্টির’ পরিচয়ে ৮ শিক্ষকের ফোনে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় কথিত ‘সর্বহারা পার্টির’ সদস্য পরিচয়ে সংখ্যালঘু কলেজ শিক্ষকদের কাছে ফোন করে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদার টাকা না দিলে তাদের হত্যাসহ ‘নির্মম পরিণতির’ হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পাঁচ শিক্ষকের পক্ষে বোয়ালমারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক পরেশ কুমার পাল। তবে পরবর্তীতে একই ধরনের হুমকি মোট আটজন সংখ্যালঘু শিক্ষক পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
ডিজি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে কলেজে অবস্থানকালে পরেশ কুমার পালের মুঠোফোনে গ্রামীণফোন (০১৩৩৫৭৫১৭৬৯) নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনদাতা নিজেকে ‘গৌতম বিশ্বাস’ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, তিনি ‘সর্বহারা পার্টির’ বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য। একপর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেন।
পরেশ কুমার পাল বলেন, ফোনদাতা আমাদের ৭-৮ জন কলেজশিক্ষকের কাছে আলাদা তিনটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে টাকা দাবি করে বলেন, তাদের কয়েকজন সহকর্মী বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং তাদের ছাড়াতে বিপুল পরিমাণ অর্থ দরকার। এজন্য অন্তত ২৫ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রত্যেক শিক্ষককে পাঠাতে বলেন। এ টাকা না পাঠালে একেক শিক্ষককে একেক ধরনের খারাপ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়।
আরেক ভুক্তভোগী সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ রায় বলেন, তাকে ফোন করে লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে তার ছেলের পায়ে গুলি লাগলে যেভাবে টাকা সংগ্রহ করে চিকিৎসা করাবেন, সেভাবে টাকা সংগ্রহ করে পাঠাতে হুমকি দেওয়া হয়।
সহযোগী অধ্যাপক নিলয় কুমার সাহা বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে আমাদের আটজন হিন্দু সহকর্মীকে সমজাতীয় হুমকি দেওয়া হয়। আমরা এ ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।
তিনি আরও জানান, তাদের সাবেক সহকর্মী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন লস্কর ইতোমধ্যে একটি বিকাশ নম্বরে পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, টাকা না পাঠালে রংপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষক পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া ঘটনার মতো নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চরমপন্থী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো প্রতারক চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এ ঘটনায় যে বা যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় কথিত ‘সর্বহারা পার্টির’ সদস্য পরিচয়ে সংখ্যালঘু কলেজ শিক্ষকদের কাছে ফোন করে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদার টাকা না দিলে তাদের হত্যাসহ ‘নির্মম পরিণতির’ হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পাঁচ শিক্ষকের পক্ষে বোয়ালমারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক পরেশ কুমার পাল। তবে পরবর্তীতে একই ধরনের হুমকি মোট আটজন সংখ্যালঘু শিক্ষক পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
ডিজি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে কলেজে অবস্থানকালে পরেশ কুমার পালের মুঠোফোনে গ্রামীণফোন (০১৩৩৫৭৫১৭৬৯) নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনদাতা নিজেকে ‘গৌতম বিশ্বাস’ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, তিনি ‘সর্বহারা পার্টির’ বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য। একপর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেন।
পরেশ কুমার পাল বলেন, ফোনদাতা আমাদের ৭-৮ জন কলেজশিক্ষকের কাছে আলাদা তিনটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে টাকা দাবি করে বলেন, তাদের কয়েকজন সহকর্মী বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং তাদের ছাড়াতে বিপুল পরিমাণ অর্থ দরকার। এজন্য অন্তত ২৫ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রত্যেক শিক্ষককে পাঠাতে বলেন। এ টাকা না পাঠালে একেক শিক্ষককে একেক ধরনের খারাপ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়।
আরেক ভুক্তভোগী সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ রায় বলেন, তাকে ফোন করে লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে তার ছেলের পায়ে গুলি লাগলে যেভাবে টাকা সংগ্রহ করে চিকিৎসা করাবেন, সেভাবে টাকা সংগ্রহ করে পাঠাতে হুমকি দেওয়া হয়।
সহযোগী অধ্যাপক নিলয় কুমার সাহা বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে আমাদের আটজন হিন্দু সহকর্মীকে সমজাতীয় হুমকি দেওয়া হয়। আমরা এ ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।
তিনি আরও জানান, তাদের সাবেক সহকর্মী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন লস্কর ইতোমধ্যে একটি বিকাশ নম্বরে পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, টাকা না পাঠালে রংপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষক পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া ঘটনার মতো নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চরমপন্থী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো প্রতারক চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এ ঘটনায় যে বা যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

‘সর্বহারা পার্টির’ পরিচয়ে ৮ শিক্ষকের ফোনে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় কথিত ‘সর্বহারা পার্টির’ সদস্য পরিচয়ে সংখ্যালঘু কলেজ শিক্ষকদের কাছে ফোন করে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদার টাকা না দিলে তাদের হত্যাসহ ‘নির্মম পরিণতির’ হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পাঁচ শিক্ষকের পক্ষে বোয়ালমারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক পরেশ কুমার পাল। তবে পরবর্তীতে একই ধরনের হুমকি মোট আটজন সংখ্যালঘু শিক্ষক পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
ডিজি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে কলেজে অবস্থানকালে পরেশ কুমার পালের মুঠোফোনে গ্রামীণফোন (০১৩৩৫৭৫১৭৬৯) নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনদাতা নিজেকে ‘গৌতম বিশ্বাস’ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, তিনি ‘সর্বহারা পার্টির’ বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য। একপর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেন।
পরেশ কুমার পাল বলেন, ফোনদাতা আমাদের ৭-৮ জন কলেজশিক্ষকের কাছে আলাদা তিনটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে টাকা দাবি করে বলেন, তাদের কয়েকজন সহকর্মী বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং তাদের ছাড়াতে বিপুল পরিমাণ অর্থ দরকার। এজন্য অন্তত ২৫ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রত্যেক শিক্ষককে পাঠাতে বলেন। এ টাকা না পাঠালে একেক শিক্ষককে একেক ধরনের খারাপ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়।
আরেক ভুক্তভোগী সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ রায় বলেন, তাকে ফোন করে লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে তার ছেলের পায়ে গুলি লাগলে যেভাবে টাকা সংগ্রহ করে চিকিৎসা করাবেন, সেভাবে টাকা সংগ্রহ করে পাঠাতে হুমকি দেওয়া হয়।
সহযোগী অধ্যাপক নিলয় কুমার সাহা বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে আমাদের আটজন হিন্দু সহকর্মীকে সমজাতীয় হুমকি দেওয়া হয়। আমরা এ ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।
তিনি আরও জানান, তাদের সাবেক সহকর্মী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন লস্কর ইতোমধ্যে একটি বিকাশ নম্বরে পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, টাকা না পাঠালে রংপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষক পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া ঘটনার মতো নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চরমপন্থী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো প্রতারক চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এ ঘটনায় যে বা যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

ফরিদপুরে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের মশাল মিছিল







