ফরিদপুরে দুই ভাইকে কোপাল প্রতিপক্ষ, একজনের হাত-পা বিচ্ছিন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে দুই ভাইকে কোপাল প্রতিপক্ষ, একজনের হাত-পা বিচ্ছিন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৫২

হামলার শিকার দুই ভাইয়ের মায়ের আহাজারি। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হায়দার মুন্সি নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সুজন মুন্সিকেও কুপিয়ে আহত করেছে তারা। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জেলার চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা ওই এলাকার মৃত ধলা মুন্সির ছেলে।
আহতদের পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের ইসলাম মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডল নামে এক যুবকের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে হায়দার মুন্সির। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় কালামের পক্ষে স্বাক্ষী না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই জের ধরে পরিকল্পিতভাবে রাতে ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জন ধারালো চাপাতি ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ছোট ভাই সুজন মুন্সি ছুটে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে দুই ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিজেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
আহত সুজন মুন্সি বলেন, আমার ভাই দৌড়ে একটি বাড়িতে গিয়ে পালালেও সেখান থেকে বের করে কুপিয়ে হাত-পা কেটে ফেলাইছে। ভাই সত্যি কথা বলায় আজকে এই পরিণতি হলো। যে কালাম আমার ভাইকে মারছে সে মূলত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করে। ভাই বাঁচবে কি-না জানি না। আমি সরকারের কাছে বিচার চাই।
এ সময় হাসপাতালের বারান্দায় আহাজারিতে ভেঙে পড়েন তার মা নিলু খাতুন। বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, নৃশংস ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. রশিদ জানান, আহতদের মধ্যে হায়দার মুন্সির অবস্থা সংকটাপন্ন। তার দুটি হাত ও একটি পায়ে গুরুত্বর জখম রয়েছে। তার মধ্যে একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন বলা যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দ্রুতই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হায়দার মুন্সি নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সুজন মুন্সিকেও কুপিয়ে আহত করেছে তারা। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জেলার চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা ওই এলাকার মৃত ধলা মুন্সির ছেলে।
আহতদের পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের ইসলাম মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডল নামে এক যুবকের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে হায়দার মুন্সির। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় কালামের পক্ষে স্বাক্ষী না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই জের ধরে পরিকল্পিতভাবে রাতে ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জন ধারালো চাপাতি ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ছোট ভাই সুজন মুন্সি ছুটে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে দুই ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিজেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
আহত সুজন মুন্সি বলেন, আমার ভাই দৌড়ে একটি বাড়িতে গিয়ে পালালেও সেখান থেকে বের করে কুপিয়ে হাত-পা কেটে ফেলাইছে। ভাই সত্যি কথা বলায় আজকে এই পরিণতি হলো। যে কালাম আমার ভাইকে মারছে সে মূলত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করে। ভাই বাঁচবে কি-না জানি না। আমি সরকারের কাছে বিচার চাই।
এ সময় হাসপাতালের বারান্দায় আহাজারিতে ভেঙে পড়েন তার মা নিলু খাতুন। বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, নৃশংস ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. রশিদ জানান, আহতদের মধ্যে হায়দার মুন্সির অবস্থা সংকটাপন্ন। তার দুটি হাত ও একটি পায়ে গুরুত্বর জখম রয়েছে। তার মধ্যে একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন বলা যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দ্রুতই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

ফরিদপুরে দুই ভাইকে কোপাল প্রতিপক্ষ, একজনের হাত-পা বিচ্ছিন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৫২

হামলার শিকার দুই ভাইয়ের মায়ের আহাজারি। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হায়দার মুন্সি নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সুজন মুন্সিকেও কুপিয়ে আহত করেছে তারা। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জেলার চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা ওই এলাকার মৃত ধলা মুন্সির ছেলে।
আহতদের পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের ইসলাম মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডল নামে এক যুবকের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে হায়দার মুন্সির। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় কালামের পক্ষে স্বাক্ষী না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই জের ধরে পরিকল্পিতভাবে রাতে ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জন ধারালো চাপাতি ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ছোট ভাই সুজন মুন্সি ছুটে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে দুই ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিজেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
আহত সুজন মুন্সি বলেন, আমার ভাই দৌড়ে একটি বাড়িতে গিয়ে পালালেও সেখান থেকে বের করে কুপিয়ে হাত-পা কেটে ফেলাইছে। ভাই সত্যি কথা বলায় আজকে এই পরিণতি হলো। যে কালাম আমার ভাইকে মারছে সে মূলত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করে। ভাই বাঁচবে কি-না জানি না। আমি সরকারের কাছে বিচার চাই।
এ সময় হাসপাতালের বারান্দায় আহাজারিতে ভেঙে পড়েন তার মা নিলু খাতুন। বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, নৃশংস ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. রশিদ জানান, আহতদের মধ্যে হায়দার মুন্সির অবস্থা সংকটাপন্ন। তার দুটি হাত ও একটি পায়ে গুরুত্বর জখম রয়েছে। তার মধ্যে একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন বলা যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দ্রুতই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
/এসআর/




