পুশ-ইন থেকে বিরত থাকবে ভারত, আশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

পুশ-ইন থেকে বিরত থাকবে ভারত, আশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
ফরিদপুর সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া বা পুশ-ইনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সেইসঙ্গে রাতের অন্ধকারে পুশ-ইন করা বা এই ধরনের কাজ থেকে ভারত সরকার বিরত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে এ সংবর্ধনা দেয় সালথা প্রেসক্লাব।
সীমান্তে বিজিবি অত্যন্ত কঠিন ও শক্ত অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত থেকে যেসব পুশ-ইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটা প্রতিহত করছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
সমস্যা সমধানের বিষয়ে সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ১৩টি চিঠি গিয়েছে দিল্লিতে, এই পুশ-ইন বন্ধ করার জন্য। যেকোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অবৈধ বা তাদের অবৈধ নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার জন্য বা ফেরত পাঠানোর জন্য একটা সুস্পষ্ট নীতিমালা আছে। একটা মেকানিজম আছে। আমরা আশা করব যে ভারত সরকার সেই নীতিমালা অবলম্বন করবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি কোনো বাংলাদেশি ওখানে (ভারতে) অবৈধভাবে থেকে থাকে, তারা বৈধ পথে আমাদের সঙ্গে কূটনীতির মাধ্যমে ফেরত পাঠাবে। একইভাবে বাংলাদেশে যদি কোনো অবৈধ ভারতীয় থেকে থাকে, তাদেরকেও আমরা সেই নীতিমালা অনুযায়ী ফেরত পাঠাব। রাতের অন্ধকারে পুশ-ইন করা বা এই ধরনের কাজ থেকে ভারত সরকার বিরত থাকবে বলে আমরা আশা করি।
তিনি আরও বলেন, আমরা কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছি। কূটনীতির মধ্য দিয়ে আমরা এটা সমাধান করব।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া বা পুশ-ইনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সেইসঙ্গে রাতের অন্ধকারে পুশ-ইন করা বা এই ধরনের কাজ থেকে ভারত সরকার বিরত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে এ সংবর্ধনা দেয় সালথা প্রেসক্লাব।
সীমান্তে বিজিবি অত্যন্ত কঠিন ও শক্ত অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত থেকে যেসব পুশ-ইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটা প্রতিহত করছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
সমস্যা সমধানের বিষয়ে সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ১৩টি চিঠি গিয়েছে দিল্লিতে, এই পুশ-ইন বন্ধ করার জন্য। যেকোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অবৈধ বা তাদের অবৈধ নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার জন্য বা ফেরত পাঠানোর জন্য একটা সুস্পষ্ট নীতিমালা আছে। একটা মেকানিজম আছে। আমরা আশা করব যে ভারত সরকার সেই নীতিমালা অবলম্বন করবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি কোনো বাংলাদেশি ওখানে (ভারতে) অবৈধভাবে থেকে থাকে, তারা বৈধ পথে আমাদের সঙ্গে কূটনীতির মাধ্যমে ফেরত পাঠাবে। একইভাবে বাংলাদেশে যদি কোনো অবৈধ ভারতীয় থেকে থাকে, তাদেরকেও আমরা সেই নীতিমালা অনুযায়ী ফেরত পাঠাব। রাতের অন্ধকারে পুশ-ইন করা বা এই ধরনের কাজ থেকে ভারত সরকার বিরত থাকবে বলে আমরা আশা করি।
তিনি আরও বলেন, আমরা কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছি। কূটনীতির মধ্য দিয়ে আমরা এটা সমাধান করব।

পুশ-ইন থেকে বিরত থাকবে ভারত, আশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
ফরিদপুর সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া বা পুশ-ইনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সেইসঙ্গে রাতের অন্ধকারে পুশ-ইন করা বা এই ধরনের কাজ থেকে ভারত সরকার বিরত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে এ সংবর্ধনা দেয় সালথা প্রেসক্লাব।
সীমান্তে বিজিবি অত্যন্ত কঠিন ও শক্ত অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত থেকে যেসব পুশ-ইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটা প্রতিহত করছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
সমস্যা সমধানের বিষয়ে সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ১৩টি চিঠি গিয়েছে দিল্লিতে, এই পুশ-ইন বন্ধ করার জন্য। যেকোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অবৈধ বা তাদের অবৈধ নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার জন্য বা ফেরত পাঠানোর জন্য একটা সুস্পষ্ট নীতিমালা আছে। একটা মেকানিজম আছে। আমরা আশা করব যে ভারত সরকার সেই নীতিমালা অবলম্বন করবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি কোনো বাংলাদেশি ওখানে (ভারতে) অবৈধভাবে থেকে থাকে, তারা বৈধ পথে আমাদের সঙ্গে কূটনীতির মাধ্যমে ফেরত পাঠাবে। একইভাবে বাংলাদেশে যদি কোনো অবৈধ ভারতীয় থেকে থাকে, তাদেরকেও আমরা সেই নীতিমালা অনুযায়ী ফেরত পাঠাব। রাতের অন্ধকারে পুশ-ইন করা বা এই ধরনের কাজ থেকে ভারত সরকার বিরত থাকবে বলে আমরা আশা করি।
তিনি আরও বলেন, আমরা কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছি। কূটনীতির মধ্য দিয়ে আমরা এটা সমাধান করব।

পুশইন ঠেকাতে ১১ জেলায় আনসার মোতায়েন


