লোকসানের পরও ঢাকা-নারিতা রুটে চালু হচ্ছে বিমানের ফ্লাইট

লোকসানের পরও ঢাকা-নারিতা রুটে চালু হচ্ছে বিমানের ফ্লাইট
আয়নাল হোসেন

বিপুল পরিমাণ লোকসানের পরও ঢাকা- নারিতা- ঢাকা রুটে আবার ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২৭ জুলাই থেকে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বিষয়ে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিতে বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়, ফ্লাইট পরিচালনার সময় সকাল ১১টার পরিবর্তে বেলা ২টায় বা তার পরে সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারণ করতে হবে। ঢাকা- নারিতা-ঢাকা রুটে বর্হিগমনের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করে ১১ জুনের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানাতে বলা হয়। একই সঙ্গে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে আকাশপথে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের চলাচলের এই রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঘটা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালু করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওই সময় জাপানে তৎকালীন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের ২০ জন কর্মকর্তা, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ১০টি ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ ৭৯ জন গিয়েছিলেন। পাঁচ দিনের বিলাসী উদ্বোধনী সফরে প্রায় ২০ কোটি টাকা বাজেট ধরা হয়েছিল। তবে ক্রমাগত লোকসান, উড়োজাহাজের সংকট এবং হজ ফ্লাইটের চাপে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে এই রুটের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
পুনরায় ফ্লাইট চালুর যৌক্তিকতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশন) ক্যাপ্টেন এ কে এম আমিনুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া নতুন ফ্লাইট চালুর সুযোগ নেই। তবে এই বিষয়ে আমি আর বেশি কিছু বলতে পারবো না।’
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ঢাকা–নারিতা–ঢাকা রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু করা নিয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত থাকবেন।
তীব্র যাত্রী সংকট ও লোকসান শুরু থেকেই এই রুটে ধারণক্ষমতার তুলনায় অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকতো। পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় প্রতিটি ফ্লাইটে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লোকসান হচ্ছিল।
দূরপাল্লার এই আন্তর্জাতিক রুটের জন্য বিমানের বহরে পর্যাপ্ত এবং উপযুক্ত উড়োজাহাজের সংকট দেখা দিয়েছিল। এসব কারণে এই রুটে ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, বিমান প্রথম ঢাকা-নারিতা রুট চালু করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৮১ সালে অস্থায়ীভাবে বন্ধের পর আবার চালু হয়ে ২০০৬ সালে লোকসানের কারণে রুটটি বন্ধ হয়েছিল। ১৭ বছর পর ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ধুমধাম করে পুনরায় চালু হয় এই রুটের ফ্লাইট। যাত্রীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। কারণ এতে ভ্রমণের সময় কমে ৬-৭ ঘণ্টায় নেমে আসে এবং দীর্ঘ ট্রানজিট এড়ানো সম্ভব হয়।
তবে উড়োজাহাজ ঘাটতি ও টানা আর্থিক ক্ষতির অজুহাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে আবারও এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। এতে যাত্রীদের তৃতীয় দেশের ট্রানজিটের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে ভ্রমণের সময় ও ব্যয় দুই-ই বেড়ে গেছে।
বিমানের সূত্র জানায়, নারিতার প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৯৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। ফ্লাইটে গড়ে ৬৯ শতাংশ আসন পূর্ণ থাকলেও এ রুটে মোট লোকসান দাঁড়ায় ২১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায়।

বিপুল পরিমাণ লোকসানের পরও ঢাকা- নারিতা- ঢাকা রুটে আবার ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২৭ জুলাই থেকে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বিষয়ে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিতে বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়, ফ্লাইট পরিচালনার সময় সকাল ১১টার পরিবর্তে বেলা ২টায় বা তার পরে সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারণ করতে হবে। ঢাকা- নারিতা-ঢাকা রুটে বর্হিগমনের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করে ১১ জুনের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানাতে বলা হয়। একই সঙ্গে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে আকাশপথে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের চলাচলের এই রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঘটা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালু করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওই সময় জাপানে তৎকালীন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের ২০ জন কর্মকর্তা, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ১০টি ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ ৭৯ জন গিয়েছিলেন। পাঁচ দিনের বিলাসী উদ্বোধনী সফরে প্রায় ২০ কোটি টাকা বাজেট ধরা হয়েছিল। তবে ক্রমাগত লোকসান, উড়োজাহাজের সংকট এবং হজ ফ্লাইটের চাপে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে এই রুটের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
পুনরায় ফ্লাইট চালুর যৌক্তিকতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশন) ক্যাপ্টেন এ কে এম আমিনুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া নতুন ফ্লাইট চালুর সুযোগ নেই। তবে এই বিষয়ে আমি আর বেশি কিছু বলতে পারবো না।’
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ঢাকা–নারিতা–ঢাকা রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু করা নিয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত থাকবেন।
তীব্র যাত্রী সংকট ও লোকসান শুরু থেকেই এই রুটে ধারণক্ষমতার তুলনায় অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকতো। পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় প্রতিটি ফ্লাইটে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লোকসান হচ্ছিল।
দূরপাল্লার এই আন্তর্জাতিক রুটের জন্য বিমানের বহরে পর্যাপ্ত এবং উপযুক্ত উড়োজাহাজের সংকট দেখা দিয়েছিল। এসব কারণে এই রুটে ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, বিমান প্রথম ঢাকা-নারিতা রুট চালু করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৮১ সালে অস্থায়ীভাবে বন্ধের পর আবার চালু হয়ে ২০০৬ সালে লোকসানের কারণে রুটটি বন্ধ হয়েছিল। ১৭ বছর পর ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ধুমধাম করে পুনরায় চালু হয় এই রুটের ফ্লাইট। যাত্রীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। কারণ এতে ভ্রমণের সময় কমে ৬-৭ ঘণ্টায় নেমে আসে এবং দীর্ঘ ট্রানজিট এড়ানো সম্ভব হয়।
তবে উড়োজাহাজ ঘাটতি ও টানা আর্থিক ক্ষতির অজুহাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে আবারও এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। এতে যাত্রীদের তৃতীয় দেশের ট্রানজিটের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে ভ্রমণের সময় ও ব্যয় দুই-ই বেড়ে গেছে।
বিমানের সূত্র জানায়, নারিতার প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৯৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। ফ্লাইটে গড়ে ৬৯ শতাংশ আসন পূর্ণ থাকলেও এ রুটে মোট লোকসান দাঁড়ায় ২১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায়।

লোকসানের পরও ঢাকা-নারিতা রুটে চালু হচ্ছে বিমানের ফ্লাইট
আয়নাল হোসেন

বিপুল পরিমাণ লোকসানের পরও ঢাকা- নারিতা- ঢাকা রুটে আবার ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২৭ জুলাই থেকে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বিষয়ে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিতে বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়, ফ্লাইট পরিচালনার সময় সকাল ১১টার পরিবর্তে বেলা ২টায় বা তার পরে সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারণ করতে হবে। ঢাকা- নারিতা-ঢাকা রুটে বর্হিগমনের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করে ১১ জুনের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানাতে বলা হয়। একই সঙ্গে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে আকাশপথে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের চলাচলের এই রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঘটা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালু করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওই সময় জাপানে তৎকালীন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের ২০ জন কর্মকর্তা, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ১০টি ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ ৭৯ জন গিয়েছিলেন। পাঁচ দিনের বিলাসী উদ্বোধনী সফরে প্রায় ২০ কোটি টাকা বাজেট ধরা হয়েছিল। তবে ক্রমাগত লোকসান, উড়োজাহাজের সংকট এবং হজ ফ্লাইটের চাপে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে এই রুটের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
পুনরায় ফ্লাইট চালুর যৌক্তিকতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশন) ক্যাপ্টেন এ কে এম আমিনুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া নতুন ফ্লাইট চালুর সুযোগ নেই। তবে এই বিষয়ে আমি আর বেশি কিছু বলতে পারবো না।’
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ঢাকা–নারিতা–ঢাকা রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু করা নিয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত থাকবেন।
তীব্র যাত্রী সংকট ও লোকসান শুরু থেকেই এই রুটে ধারণক্ষমতার তুলনায় অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকতো। পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় প্রতিটি ফ্লাইটে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লোকসান হচ্ছিল।
দূরপাল্লার এই আন্তর্জাতিক রুটের জন্য বিমানের বহরে পর্যাপ্ত এবং উপযুক্ত উড়োজাহাজের সংকট দেখা দিয়েছিল। এসব কারণে এই রুটে ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, বিমান প্রথম ঢাকা-নারিতা রুট চালু করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৮১ সালে অস্থায়ীভাবে বন্ধের পর আবার চালু হয়ে ২০০৬ সালে লোকসানের কারণে রুটটি বন্ধ হয়েছিল। ১৭ বছর পর ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ধুমধাম করে পুনরায় চালু হয় এই রুটের ফ্লাইট। যাত্রীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। কারণ এতে ভ্রমণের সময় কমে ৬-৭ ঘণ্টায় নেমে আসে এবং দীর্ঘ ট্রানজিট এড়ানো সম্ভব হয়।
তবে উড়োজাহাজ ঘাটতি ও টানা আর্থিক ক্ষতির অজুহাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে আবারও এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। এতে যাত্রীদের তৃতীয় দেশের ট্রানজিটের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে ভ্রমণের সময় ও ব্যয় দুই-ই বেড়ে গেছে।
বিমানের সূত্র জানায়, নারিতার প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৯৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। ফ্লাইটে গড়ে ৬৯ শতাংশ আসন পূর্ণ থাকলেও এ রুটে মোট লোকসান দাঁড়ায় ২১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায়।




