ফরিদপুরে বিয়েবাড়িতে মাংস কম দেওয়ায় সংঘর্ষ

ফরিদপুরে বিয়েবাড়িতে মাংস কম দেওয়ায় সংঘর্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গরুর মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কনেপক্ষ ও তাদের আমন্ত্রিত গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৯ জুন) বিকালের দিকে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে খাওয়ার সময় কনেপক্ষের আমন্ত্রিত গ্রামবাসীর কয়েকজন মাংস কম দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষ লাঠি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরিফ মিয়া, শহীদ মাতুব্বর, সোহরাব মাতুব্বর ও মমতাজ বেগমকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর বলেন, স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে কিছু সমস্যা থাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে মেয়েপক্ষের সঙ্গে বরপক্ষের কোনো ঝামেলা হয়নি। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে, তারা গ্রামের লোক এবং মেয়েপক্ষের আমন্ত্রিত অতিথি। সংঘর্ষের পর বরপক্ষের লোকজন মেয়ের বাড়িতে আসেন এবং বিয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
কনের বাবা লাভলু শেখ বলেন, তারা শুধু মাংসের বিষয় নিয়ে ঝামেলা করেনি, বরং পরিকল্পিতভাবে আমার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টা করেছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ ব্যাপারে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গরুর মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কনেপক্ষ ও তাদের আমন্ত্রিত গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৯ জুন) বিকালের দিকে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে খাওয়ার সময় কনেপক্ষের আমন্ত্রিত গ্রামবাসীর কয়েকজন মাংস কম দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষ লাঠি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরিফ মিয়া, শহীদ মাতুব্বর, সোহরাব মাতুব্বর ও মমতাজ বেগমকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর বলেন, স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে কিছু সমস্যা থাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে মেয়েপক্ষের সঙ্গে বরপক্ষের কোনো ঝামেলা হয়নি। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে, তারা গ্রামের লোক এবং মেয়েপক্ষের আমন্ত্রিত অতিথি। সংঘর্ষের পর বরপক্ষের লোকজন মেয়ের বাড়িতে আসেন এবং বিয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
কনের বাবা লাভলু শেখ বলেন, তারা শুধু মাংসের বিষয় নিয়ে ঝামেলা করেনি, বরং পরিকল্পিতভাবে আমার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টা করেছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ ব্যাপারে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

ফরিদপুরে বিয়েবাড়িতে মাংস কম দেওয়ায় সংঘর্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গরুর মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কনেপক্ষ ও তাদের আমন্ত্রিত গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৯ জুন) বিকালের দিকে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে খাওয়ার সময় কনেপক্ষের আমন্ত্রিত গ্রামবাসীর কয়েকজন মাংস কম দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষ লাঠি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরিফ মিয়া, শহীদ মাতুব্বর, সোহরাব মাতুব্বর ও মমতাজ বেগমকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর বলেন, স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে কিছু সমস্যা থাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে মেয়েপক্ষের সঙ্গে বরপক্ষের কোনো ঝামেলা হয়নি। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে, তারা গ্রামের লোক এবং মেয়েপক্ষের আমন্ত্রিত অতিথি। সংঘর্ষের পর বরপক্ষের লোকজন মেয়ের বাড়িতে আসেন এবং বিয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
কনের বাবা লাভলু শেখ বলেন, তারা শুধু মাংসের বিষয় নিয়ে ঝামেলা করেনি, বরং পরিকল্পিতভাবে আমার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টা করেছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ ব্যাপারে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।




