গ্রাফিতি ইস্যুতে উত্তেজনা: চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়কে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

গ্রাফিতি ইস্যুতে উত্তেজনা: চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়কে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

জুলাই গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা ঘিরে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোমবার (১৮ মে) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশ-১৯৭৮-এর ৩০ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সিএমপি জানায়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসব এলাকায় কোনো ধরনের জমায়েত, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ইত্যাদি করা যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ তুলে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় ‘জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন’ কর্মসূচি পালন করে এনসিপি। গতকাল রবিবার চসিক কার্যালয়ের প্রবেশমুখের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় এনসিপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের পিলারে আঁকা জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে।
তবে তাদের এমন অভিযোগ নাকচ করে রবিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় চসিকের জনসংযোগ শাখা। এতে বলা হয়, চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনের নির্দেশে নগরের কোথাও জুলাইয়ের গ্রাফিতি অপসারণের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
মেয়রের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণে মেয়র শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতির ক্ষেত্রে এমন নির্দেশনার প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বানও জানানো হয়।
এমন বিজ্ঞপ্তির পরেও সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এ সময় মেয়র শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে একই এলাকায় রাতে মিছিল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

জুলাই গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা ঘিরে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোমবার (১৮ মে) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশ-১৯৭৮-এর ৩০ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সিএমপি জানায়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসব এলাকায় কোনো ধরনের জমায়েত, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ইত্যাদি করা যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ তুলে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় ‘জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন’ কর্মসূচি পালন করে এনসিপি। গতকাল রবিবার চসিক কার্যালয়ের প্রবেশমুখের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় এনসিপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের পিলারে আঁকা জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে।
তবে তাদের এমন অভিযোগ নাকচ করে রবিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় চসিকের জনসংযোগ শাখা। এতে বলা হয়, চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনের নির্দেশে নগরের কোথাও জুলাইয়ের গ্রাফিতি অপসারণের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
মেয়রের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণে মেয়র শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতির ক্ষেত্রে এমন নির্দেশনার প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বানও জানানো হয়।
এমন বিজ্ঞপ্তির পরেও সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এ সময় মেয়র শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে একই এলাকায় রাতে মিছিল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

গ্রাফিতি ইস্যুতে উত্তেজনা: চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়কে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

জুলাই গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা ঘিরে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোমবার (১৮ মে) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশ-১৯৭৮-এর ৩০ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সিএমপি জানায়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসব এলাকায় কোনো ধরনের জমায়েত, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ইত্যাদি করা যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ তুলে নগরীর টাইগারপাস এলাকায় ‘জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন’ কর্মসূচি পালন করে এনসিপি। গতকাল রবিবার চসিক কার্যালয়ের প্রবেশমুখের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় এনসিপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের পিলারে আঁকা জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে।
তবে তাদের এমন অভিযোগ নাকচ করে রবিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় চসিকের জনসংযোগ শাখা। এতে বলা হয়, চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনের নির্দেশে নগরের কোথাও জুলাইয়ের গ্রাফিতি অপসারণের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
মেয়রের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণে মেয়র শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতির ক্ষেত্রে এমন নির্দেশনার প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বানও জানানো হয়।
এমন বিজ্ঞপ্তির পরেও সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এ সময় মেয়র শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে একই এলাকায় রাতে মিছিল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এনসিপির ২২ নেতার পদত্যাগ


