শিরোনাম

রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার বদ্ধপরিকর: ডিএসসিসি প্রশাসক

সিটিজেন ডেস্ক
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার বদ্ধপরিকর: ডিএসসিসি প্রশাসক
ছবি: সিটিজেন জার্নাল

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা ও জাতিসংঘ ‘বেশাখ ডে-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বুদ্ধ পূজা, আলোচনা সভা এবং বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মি. গোকুল ভি. কে এবং সভাপতিত্ব করেন শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাশের। অনুষ্ঠানের শুরুতে বুদ্ধ পূজা ও অষ্টপরিষ্কার দানসহ ধর্মীয় নানা আচার সম্পন্ন করা হয় এবং দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মোঃ আবদুস সালাম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি। একই ভূখণ্ডে আমরা সমঅধিকার এবং একই সম্ভাবনা নিয়ে বসবাস করি। তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ আশ্বাস প্রদান করেন। প্রশাসক উল্লেখ করেন, বাসাবো বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতের পরিকল্পনাগুলোতে শহরের পানি দ্রুত নদীতে নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত আউটলেটের অভাব ছিল। ফলে বর্তমানে এ সমস্যা নিরসনে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার ও ডিএসসিসি জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নিউমার্কেট ও সোয়ারিঘাট এলাকায় দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।

স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে ডিএসসিসি নিয়মিতভাবে ড্রেন ও বক্স কালভার্ট পরিষ্কারসহ খালের প্রবাহ সচল রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে এসব উদ্যোগের পূর্ণ সুফল পেতে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, খাল, নদী ও ড্রেনে পলিথিন বা প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে গৌতম বুদ্ধের শান্তি ও অহিংসার বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

/এমএকে/