ঢাবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা

ঢাবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদলেও বইছে নতুন নেতৃত্বের হাওয়া। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত নতুন কমিটি। বিগত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা, ত্যাগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকে প্রাধান্য দিয়ে শীর্ষ পদগুলোতে তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের নিয়ে আসা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চে গণেশ চন্দ্র রায় সাহসকে সভাপতি ও নাহিদুজ্জামান শিপনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত এক বছরের মেয়াদি কমিটি ইতোমধ্যেই আড়াই বছর পার করেছে। তাই সংগঠনে গতিশীলতা ফেরানো এবং ক্যাম্পাসের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের কথা বিবেচনায় রেখেই কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে এনেছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, এবারের কমিটিতে অছাত্র বা বিতর্কিতদের জায়গা দেওয়া হবে না। নিয়মিত, মেধাবী, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের হাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের একঝাঁক ছাত্রনেতা আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নুর আলম ভূঁইয়া ইমন (বর্তমান ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক); ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের জসিম খান (বর্তমান ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক); ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের বি এম কাওসার (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), সাইফ খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), আলমগীর হোসেন আলম (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং শেখ তানভীর বারী হামিম (ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী এবং কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক); ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মল্লিক ওয়াসী উদ্দিন তামি (দপ্তর সম্পাদক), বজলুর রহমান বিজয় (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং আবিদুল ইসলাম খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক); ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান (সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক) এবং মাহমুদুল হাসান (শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক); এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তানভীর আল হাদী মায়েদ (ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত এজিএস পদপ্রার্থী এবং বিজয় একাত্তর হলের আহ্বায়ক)।
নেতাকর্মী ও পদপ্রার্থীদের প্রত্যাশা
‘৫ই আগস্টের পূর্বে যাদের সংগ্রামী ইতিহাস রয়েছে এবং ৫ই আগস্ট পরবর্তীতে যারা শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম চলমান রেখেছে, তাদেরকে দিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কমিটি গঠন করার প্রত্যাশা রাখি। মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদেরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’
শেখ তানভীর বারি হামিম
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী এবং
কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক
‘শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করাই ছাত্রদলের মূল লক্ষ্য। দায়িত্ব পেলে শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সুস্থ ও রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখব।’
বি এম কাওসার
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং
বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
‘জুলাইয়ে আমরা এবং আমাদের সংগঠন কঠিন সময় পার করে এসেছে। সংগঠনের জন্য যেটি ভালো হবে সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে এবং সংগঠনের ভালোর জন্য আমরা সবাই সেই সিদ্ধান্তকেই মেনে নেব।’
মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামি
দপ্তর সম্পাদক
‘বিগত বিভিন্ন সময়ে যারা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে পারবে—এমন নেতৃত্বই আগামী দিনে প্রত্যাশা করছি।’
বজলুর রহমান বিজয়
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
‘যাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আছে এবং যারা সিনিয়র-জুনিয়রের সমন্বয়ে সংগঠন চালাতে পারবে, এমন মানুষদের নেতৃত্বই প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি দলের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য বা লয়ালটি আছে এমন ব্যক্তিদেরই দায়িত্বে প্রয়োজন।’
সাইফ খান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে থেকেছেন, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান মূল্যায়নের সময় এসেছে। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং যারা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের প্রতি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, ত্যাগ ও কমিটমেন্টের পরিচয় দিয়েছেন, তারাই নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। আমি বিশ্বাস করি, সংগঠন ত্যাগ, যোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে এমন নেতৃত্বই বেছে নেবে, যারা আগামী দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।’
আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান
সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদলেও বইছে নতুন নেতৃত্বের হাওয়া। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত নতুন কমিটি। বিগত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা, ত্যাগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকে প্রাধান্য দিয়ে শীর্ষ পদগুলোতে তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের নিয়ে আসা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চে গণেশ চন্দ্র রায় সাহসকে সভাপতি ও নাহিদুজ্জামান শিপনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত এক বছরের মেয়াদি কমিটি ইতোমধ্যেই আড়াই বছর পার করেছে। তাই সংগঠনে গতিশীলতা ফেরানো এবং ক্যাম্পাসের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের কথা বিবেচনায় রেখেই কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে এনেছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, এবারের কমিটিতে অছাত্র বা বিতর্কিতদের জায়গা দেওয়া হবে না। নিয়মিত, মেধাবী, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের হাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের একঝাঁক ছাত্রনেতা আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নুর আলম ভূঁইয়া ইমন (বর্তমান ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক); ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের জসিম খান (বর্তমান ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক); ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের বি এম কাওসার (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), সাইফ খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), আলমগীর হোসেন আলম (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং শেখ তানভীর বারী হামিম (ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী এবং কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক); ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মল্লিক ওয়াসী উদ্দিন তামি (দপ্তর সম্পাদক), বজলুর রহমান বিজয় (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং আবিদুল ইসলাম খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক); ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান (সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক) এবং মাহমুদুল হাসান (শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক); এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তানভীর আল হাদী মায়েদ (ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত এজিএস পদপ্রার্থী এবং বিজয় একাত্তর হলের আহ্বায়ক)।
নেতাকর্মী ও পদপ্রার্থীদের প্রত্যাশা
‘৫ই আগস্টের পূর্বে যাদের সংগ্রামী ইতিহাস রয়েছে এবং ৫ই আগস্ট পরবর্তীতে যারা শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম চলমান রেখেছে, তাদেরকে দিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কমিটি গঠন করার প্রত্যাশা রাখি। মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদেরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’
শেখ তানভীর বারি হামিম
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী এবং
কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক
‘শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করাই ছাত্রদলের মূল লক্ষ্য। দায়িত্ব পেলে শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সুস্থ ও রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখব।’
বি এম কাওসার
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং
বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
‘জুলাইয়ে আমরা এবং আমাদের সংগঠন কঠিন সময় পার করে এসেছে। সংগঠনের জন্য যেটি ভালো হবে সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে এবং সংগঠনের ভালোর জন্য আমরা সবাই সেই সিদ্ধান্তকেই মেনে নেব।’
মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামি
দপ্তর সম্পাদক
‘বিগত বিভিন্ন সময়ে যারা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে পারবে—এমন নেতৃত্বই আগামী দিনে প্রত্যাশা করছি।’
বজলুর রহমান বিজয়
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
‘যাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আছে এবং যারা সিনিয়র-জুনিয়রের সমন্বয়ে সংগঠন চালাতে পারবে, এমন মানুষদের নেতৃত্বই প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি দলের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য বা লয়ালটি আছে এমন ব্যক্তিদেরই দায়িত্বে প্রয়োজন।’
সাইফ খান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে থেকেছেন, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান মূল্যায়নের সময় এসেছে। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং যারা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের প্রতি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, ত্যাগ ও কমিটমেন্টের পরিচয় দিয়েছেন, তারাই নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। আমি বিশ্বাস করি, সংগঠন ত্যাগ, যোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে এমন নেতৃত্বই বেছে নেবে, যারা আগামী দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।’
আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান
সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক

ঢাবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদলেও বইছে নতুন নেতৃত্বের হাওয়া। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত নতুন কমিটি। বিগত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা, ত্যাগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকে প্রাধান্য দিয়ে শীর্ষ পদগুলোতে তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের নিয়ে আসা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চে গণেশ চন্দ্র রায় সাহসকে সভাপতি ও নাহিদুজ্জামান শিপনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত এক বছরের মেয়াদি কমিটি ইতোমধ্যেই আড়াই বছর পার করেছে। তাই সংগঠনে গতিশীলতা ফেরানো এবং ক্যাম্পাসের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের কথা বিবেচনায় রেখেই কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে এনেছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, এবারের কমিটিতে অছাত্র বা বিতর্কিতদের জায়গা দেওয়া হবে না। নিয়মিত, মেধাবী, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের হাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের একঝাঁক ছাত্রনেতা আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নুর আলম ভূঁইয়া ইমন (বর্তমান ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক); ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের জসিম খান (বর্তমান ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক); ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের বি এম কাওসার (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), সাইফ খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), আলমগীর হোসেন আলম (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং শেখ তানভীর বারী হামিম (ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী এবং কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক); ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মল্লিক ওয়াসী উদ্দিন তামি (দপ্তর সম্পাদক), বজলুর রহমান বিজয় (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং আবিদুল ইসলাম খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক); ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান (সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক) এবং মাহমুদুল হাসান (শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক); এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তানভীর আল হাদী মায়েদ (ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত এজিএস পদপ্রার্থী এবং বিজয় একাত্তর হলের আহ্বায়ক)।
নেতাকর্মী ও পদপ্রার্থীদের প্রত্যাশা
‘৫ই আগস্টের পূর্বে যাদের সংগ্রামী ইতিহাস রয়েছে এবং ৫ই আগস্ট পরবর্তীতে যারা শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম চলমান রেখেছে, তাদেরকে দিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কমিটি গঠন করার প্রত্যাশা রাখি। মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদেরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’
শেখ তানভীর বারি হামিম
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী এবং
কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক
‘শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করাই ছাত্রদলের মূল লক্ষ্য। দায়িত্ব পেলে শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সুস্থ ও রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখব।’
বি এম কাওসার
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং
বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
‘জুলাইয়ে আমরা এবং আমাদের সংগঠন কঠিন সময় পার করে এসেছে। সংগঠনের জন্য যেটি ভালো হবে সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে এবং সংগঠনের ভালোর জন্য আমরা সবাই সেই সিদ্ধান্তকেই মেনে নেব।’
মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামি
দপ্তর সম্পাদক
‘বিগত বিভিন্ন সময়ে যারা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে পারবে—এমন নেতৃত্বই আগামী দিনে প্রত্যাশা করছি।’
বজলুর রহমান বিজয়
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
‘যাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আছে এবং যারা সিনিয়র-জুনিয়রের সমন্বয়ে সংগঠন চালাতে পারবে, এমন মানুষদের নেতৃত্বই প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি দলের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য বা লয়ালটি আছে এমন ব্যক্তিদেরই দায়িত্বে প্রয়োজন।’
সাইফ খান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে থেকেছেন, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান মূল্যায়নের সময় এসেছে। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং যারা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের প্রতি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, ত্যাগ ও কমিটমেন্টের পরিচয় দিয়েছেন, তারাই নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। আমি বিশ্বাস করি, সংগঠন ত্যাগ, যোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে এমন নেতৃত্বই বেছে নেবে, যারা আগামী দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।’
আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান
সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক







