এক হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে সফল নারী উদ্যোক্তা

এক হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে সফল নারী উদ্যোক্তা
পাবনা সংবাদদাতা

মাত্র এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে বাড়িতে খাবার তৈরি করে বিক্রি শুরু করেছিলেন অনুজা সাহা এ্যানি। আজ তিনি পাবনার একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজের পরিশ্রম ও সাহসিকতায় তিনি যেমন সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছেন, তেমনি কয়েকজন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন।
পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার অমূল্য কুমার সাহা ও অঞ্জনা সাহার একমাত্র মেয়ে অনুজা সাহা এ্যানি। ২০০৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর তার বিয়ে হয়। পরে সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। স্বামী বিপ্লব কুমারের ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিলে পরিবারে নেমে আসে আর্থিক সংকট।
এই কঠিন সময়েও অনুজা পড়াশোনা চালিয়ে যান। ২০০৬ সালে এইচএসসি এবং ২০১২ সালে এমএসসি সম্পন্ন করেন। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও কোনো চাকরি পাননি।
চাকরির আশায় অপেক্ষা না করে তিনি নতুন পথ বেছে নেন। পত্র-পত্রিকায় দেশের বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তার গল্প পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। মায়ের সহযোগিতায় মাত্র এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ছোট পরিসরে খাবারের হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করেন।

অনুজার মা ছিলেন একজন দক্ষ রাঁধুনি। মায়ের কাছ থেকে রান্না শিখে তিনি বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করতে শুরু করেন। প্রথমে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে পিঠা, কেক, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, সাদা ভাত ও বিরিয়ানি সরবরাহ করতেন পাবনার বিভিন্ন এলাকায়। ধীরে ধীরে তার ব্যবসার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।
১৪ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনুজা আজ একজন সফল ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে তিনি ‘মায়ের পরশ’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন। সেখানে স্বল্পমূল্যে খাবার বিক্রি করে তিনি সাধারণ মানুষের কাছেও বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
অনুজা সাহা এ্যানি বলেন, ‘শুরুতে মা ব্যবসা করার ব্যাপারে অনাগ্রহী ছিলেন। কিন্তু সংসারের কঠিন বাস্তবতা দেখে তিনি আমাকে সমর্থন দেন। মায়ের কাছ থেকে রান্না শিখেই আমি এই কাজ শুরু করি। এখন সবার ভালোবাসায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েদের বলবো– কোনো কাজই ছোট নয়। ভয় পেয়ে বসে থাকলে চলবে না। পরিশ্রম করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। তাহলেই সফলতা আসবে।’
অনুজা সাহার স্বামী বিপ্লব কুমার জানান, তার ব্যবসার অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ার পর তারা দুজনই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। সে সময় অনুজা সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমে কিছুটা ভয় থাকলেও পরে ব্যবসা ভালো চলায় তিনি স্ত্রীর পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
পাবনার মানবাধিকার কর্মী কামাল সিদ্দিকী বলেন, অনুজা সাহা এ্যানির সংগ্রাম শুরু থেকেই তিনি দেখেছেন। তিনি এখন সমাজের অন্য নারীদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পাবনা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার জলি বলেন, ‘এ্যানি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তাকে দেখে পাবনার অনেক নারী উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছেন। অন্য নারীরাও তার মতো নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক– এটাই প্রত্যাশা।

মাত্র এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে বাড়িতে খাবার তৈরি করে বিক্রি শুরু করেছিলেন অনুজা সাহা এ্যানি। আজ তিনি পাবনার একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজের পরিশ্রম ও সাহসিকতায় তিনি যেমন সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছেন, তেমনি কয়েকজন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন।
পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার অমূল্য কুমার সাহা ও অঞ্জনা সাহার একমাত্র মেয়ে অনুজা সাহা এ্যানি। ২০০৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর তার বিয়ে হয়। পরে সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। স্বামী বিপ্লব কুমারের ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিলে পরিবারে নেমে আসে আর্থিক সংকট।
এই কঠিন সময়েও অনুজা পড়াশোনা চালিয়ে যান। ২০০৬ সালে এইচএসসি এবং ২০১২ সালে এমএসসি সম্পন্ন করেন। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও কোনো চাকরি পাননি।
চাকরির আশায় অপেক্ষা না করে তিনি নতুন পথ বেছে নেন। পত্র-পত্রিকায় দেশের বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তার গল্প পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। মায়ের সহযোগিতায় মাত্র এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ছোট পরিসরে খাবারের হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করেন।

অনুজার মা ছিলেন একজন দক্ষ রাঁধুনি। মায়ের কাছ থেকে রান্না শিখে তিনি বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করতে শুরু করেন। প্রথমে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে পিঠা, কেক, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, সাদা ভাত ও বিরিয়ানি সরবরাহ করতেন পাবনার বিভিন্ন এলাকায়। ধীরে ধীরে তার ব্যবসার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।
১৪ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনুজা আজ একজন সফল ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে তিনি ‘মায়ের পরশ’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন। সেখানে স্বল্পমূল্যে খাবার বিক্রি করে তিনি সাধারণ মানুষের কাছেও বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
অনুজা সাহা এ্যানি বলেন, ‘শুরুতে মা ব্যবসা করার ব্যাপারে অনাগ্রহী ছিলেন। কিন্তু সংসারের কঠিন বাস্তবতা দেখে তিনি আমাকে সমর্থন দেন। মায়ের কাছ থেকে রান্না শিখেই আমি এই কাজ শুরু করি। এখন সবার ভালোবাসায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েদের বলবো– কোনো কাজই ছোট নয়। ভয় পেয়ে বসে থাকলে চলবে না। পরিশ্রম করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। তাহলেই সফলতা আসবে।’
অনুজা সাহার স্বামী বিপ্লব কুমার জানান, তার ব্যবসার অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ার পর তারা দুজনই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। সে সময় অনুজা সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমে কিছুটা ভয় থাকলেও পরে ব্যবসা ভালো চলায় তিনি স্ত্রীর পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
পাবনার মানবাধিকার কর্মী কামাল সিদ্দিকী বলেন, অনুজা সাহা এ্যানির সংগ্রাম শুরু থেকেই তিনি দেখেছেন। তিনি এখন সমাজের অন্য নারীদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পাবনা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার জলি বলেন, ‘এ্যানি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তাকে দেখে পাবনার অনেক নারী উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছেন। অন্য নারীরাও তার মতো নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক– এটাই প্রত্যাশা।

এক হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে সফল নারী উদ্যোক্তা
পাবনা সংবাদদাতা

মাত্র এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে বাড়িতে খাবার তৈরি করে বিক্রি শুরু করেছিলেন অনুজা সাহা এ্যানি। আজ তিনি পাবনার একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজের পরিশ্রম ও সাহসিকতায় তিনি যেমন সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছেন, তেমনি কয়েকজন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন।
পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার অমূল্য কুমার সাহা ও অঞ্জনা সাহার একমাত্র মেয়ে অনুজা সাহা এ্যানি। ২০০৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর তার বিয়ে হয়। পরে সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। স্বামী বিপ্লব কুমারের ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিলে পরিবারে নেমে আসে আর্থিক সংকট।
এই কঠিন সময়েও অনুজা পড়াশোনা চালিয়ে যান। ২০০৬ সালে এইচএসসি এবং ২০১২ সালে এমএসসি সম্পন্ন করেন। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও কোনো চাকরি পাননি।
চাকরির আশায় অপেক্ষা না করে তিনি নতুন পথ বেছে নেন। পত্র-পত্রিকায় দেশের বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তার গল্প পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। মায়ের সহযোগিতায় মাত্র এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ছোট পরিসরে খাবারের হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করেন।

অনুজার মা ছিলেন একজন দক্ষ রাঁধুনি। মায়ের কাছ থেকে রান্না শিখে তিনি বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করতে শুরু করেন। প্রথমে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে পিঠা, কেক, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, সাদা ভাত ও বিরিয়ানি সরবরাহ করতেন পাবনার বিভিন্ন এলাকায়। ধীরে ধীরে তার ব্যবসার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।
১৪ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনুজা আজ একজন সফল ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে তিনি ‘মায়ের পরশ’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন। সেখানে স্বল্পমূল্যে খাবার বিক্রি করে তিনি সাধারণ মানুষের কাছেও বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
অনুজা সাহা এ্যানি বলেন, ‘শুরুতে মা ব্যবসা করার ব্যাপারে অনাগ্রহী ছিলেন। কিন্তু সংসারের কঠিন বাস্তবতা দেখে তিনি আমাকে সমর্থন দেন। মায়ের কাছ থেকে রান্না শিখেই আমি এই কাজ শুরু করি। এখন সবার ভালোবাসায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েদের বলবো– কোনো কাজই ছোট নয়। ভয় পেয়ে বসে থাকলে চলবে না। পরিশ্রম করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। তাহলেই সফলতা আসবে।’
অনুজা সাহার স্বামী বিপ্লব কুমার জানান, তার ব্যবসার অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ার পর তারা দুজনই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। সে সময় অনুজা সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমে কিছুটা ভয় থাকলেও পরে ব্যবসা ভালো চলায় তিনি স্ত্রীর পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
পাবনার মানবাধিকার কর্মী কামাল সিদ্দিকী বলেন, অনুজা সাহা এ্যানির সংগ্রাম শুরু থেকেই তিনি দেখেছেন। তিনি এখন সমাজের অন্য নারীদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পাবনা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার জলি বলেন, ‘এ্যানি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তাকে দেখে পাবনার অনেক নারী উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছেন। অন্য নারীরাও তার মতো নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক– এটাই প্রত্যাশা।




