সৌদির নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত পাকিস্তান
সৌদির নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত পাকিস্তান
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলার মুখে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম মিত্র সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান।


ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের তৎপরতা শুরু হয়েছে।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় যৌথ সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’-এর প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদ।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে রিয়াদের মাটিতে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের কাছে বিশ্ব পরিস্থিতি অন্য রকম মনে হয়েছিল। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরকে বড় এক কূটনৈতিক বিজয় বলে মনে করেছিলেন।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলার মুখে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম মিত্র সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান।

সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে পাকিস্তান।

পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত বহুল আলোচিত ‘মক্কা চুক্তি’ মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট। একই সঙ্গে এ ত্রিপক্ষীয় জোটে নতুন কোনো দেশকে যুক্ত করার কোনো পরিকল্পনা আপাতত তাদের নেই বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

সৌদি আরবের ওপর যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন বড় সামরিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে ইরানের কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি।

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে সদস্য হিসেবে যোগদানের জন্য এখনও বাংলাদেশ কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পায়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বহুল আলোচিত মক্কা চুক্তির কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়েছে। এ চুক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় সম্মত হয়েছে তিন দেশ।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে গঠিত নতুন সামরিক জোটের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বজুড়ে সফলভাবে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করে আসছে। আমাদের শান্তিরক্ষীদের এই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। মক্কা চুক্তিতে অংশগ্রহণ করতে ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বাংলাদেশ।

মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা হরে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা টানাপোড়েনের মধ্যেই লাতিন আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার দিকে হাত বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (এমজেডিএ) নতুন দেশ যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি। তবে কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার আবেদন করলে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, ‘সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তিতে’ বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলে সরকার এতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করবে।’

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ‘মক্কা চুক্তি’ নামে পরিচিত এ যৌথ

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ‘মক্কা চুক্তি’ নামে পরিচিত এ যৌথ প্রতিরক্ষা জোটে ঢাকার শামিল হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সামরিক অঙ্গনে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়ে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে মুসলিম বিশ্বের তিন প্রভাবশালী দেশ তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান। সামরিক জোট ন্যাটোর আদলে হয়েছে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামের এ সমঝোতা।

মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী তিন দেশ তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান নিজেদের সার্বিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করতে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা
