মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে সিরিয়া

মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে সিরিয়া
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিদেশীয় মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে সিরিয়া। বাহরাইনে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘মানামা সংলাপ’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি।
শাইবানি জানান, মক্কা জোটে সিরিয়া যুক্ত হবে কি না- তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ও যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, অঞ্চলে যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দামেস্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এছাড়া সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় দামেস্কের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি ইয়েমেনের ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, আগস্টে সৌদি আরবের মক্কায় রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামেরাবাদের মধ্যে এ ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে সামরিক জোট ‘ন্যাটো’র সঙ্গে তুলনা করছেন। এর মূল ভিত্তি হলো- জোটের কোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। চুক্তিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রক্রিয়া বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন থাকলেও তুরস্ক ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে, রিয়াদকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অংশ হিসেবে ইয়েমেনে কোনো তুর্কি সেনা পাঠানো হবে না। বিগত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নতুন সিরীয় সরকারের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থক হয়ে উঠেছে সৌদি আরব।
একই অনুষ্ঠানে সিরিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা সংকট তুলে ধরে শাইবানি অভিযোগ করেন, গত দুই বছরেরও কম সময়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ১ হাজারের বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যাতে বহু সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিদিন এভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হওয়ার চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমতাবস্থায় কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র কেবল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি যৌক্তিক হতে পারে?
সূত্র: আল জাজিরা

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিদেশীয় মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে সিরিয়া। বাহরাইনে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘মানামা সংলাপ’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি।
শাইবানি জানান, মক্কা জোটে সিরিয়া যুক্ত হবে কি না- তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ও যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, অঞ্চলে যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দামেস্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এছাড়া সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় দামেস্কের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি ইয়েমেনের ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, আগস্টে সৌদি আরবের মক্কায় রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামেরাবাদের মধ্যে এ ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে সামরিক জোট ‘ন্যাটো’র সঙ্গে তুলনা করছেন। এর মূল ভিত্তি হলো- জোটের কোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। চুক্তিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রক্রিয়া বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন থাকলেও তুরস্ক ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে, রিয়াদকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অংশ হিসেবে ইয়েমেনে কোনো তুর্কি সেনা পাঠানো হবে না। বিগত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নতুন সিরীয় সরকারের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থক হয়ে উঠেছে সৌদি আরব।
একই অনুষ্ঠানে সিরিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা সংকট তুলে ধরে শাইবানি অভিযোগ করেন, গত দুই বছরেরও কম সময়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ১ হাজারের বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যাতে বহু সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিদিন এভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হওয়ার চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমতাবস্থায় কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র কেবল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি যৌক্তিক হতে পারে?
সূত্র: আল জাজিরা

মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে সিরিয়া
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিদেশীয় মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে সিরিয়া। বাহরাইনে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘মানামা সংলাপ’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি।
শাইবানি জানান, মক্কা জোটে সিরিয়া যুক্ত হবে কি না- তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ও যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, অঞ্চলে যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দামেস্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এছাড়া সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় দামেস্কের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি ইয়েমেনের ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, আগস্টে সৌদি আরবের মক্কায় রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামেরাবাদের মধ্যে এ ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে সামরিক জোট ‘ন্যাটো’র সঙ্গে তুলনা করছেন। এর মূল ভিত্তি হলো- জোটের কোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। চুক্তিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রক্রিয়া বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন থাকলেও তুরস্ক ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে, রিয়াদকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অংশ হিসেবে ইয়েমেনে কোনো তুর্কি সেনা পাঠানো হবে না। বিগত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নতুন সিরীয় সরকারের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থক হয়ে উঠেছে সৌদি আরব।
একই অনুষ্ঠানে সিরিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা সংকট তুলে ধরে শাইবানি অভিযোগ করেন, গত দুই বছরেরও কম সময়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে ১ হাজারের বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যাতে বহু সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিদিন এভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হওয়ার চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমতাবস্থায় কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র কেবল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি যৌক্তিক হতে পারে?
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যেকোনো হামলার ‘অকল্পনীয়’ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের







