মক্কা জোটের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছে ইরান

মক্কা জোটের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের জেরে প্রায় আট মাস ধরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এ অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের তিন দেশ সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান। এ বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর উপ-সচিব আলী বাঘেরি কানি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুসারেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আলী বাঘেরি বলেন, পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম কালিন বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। আর সেখানে তেহরানের প্রতিনিধিত্ব করবেন সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসিন রেজাই। তিনি আরও বলেন, বৈঠকটি দীর্ঘস্থায়ী আঞ্চলিক নিরাপত্তা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পদক্ষেপ হতে পারে। আমরা আশা করি, উদ্যোগটি একটি স্থিতিশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যখন আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই আকস্মিক হামলা চালায় ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত সাময়িকভাবে থামে, কিন্তু সংকটের কারণ অপরিবর্তিত থেকে যায়। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালির আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
জুনে একটি সমঝোতা চুক্তি শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার কূটনৈতিক যোগাযোগ একপ্রকার বন্ধ রয়েছে। ফলে যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইয়েমেনে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনীর লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ার মধ্য দিয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের জেরে প্রায় আট মাস ধরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এ অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের তিন দেশ সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান। এ বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর উপ-সচিব আলী বাঘেরি কানি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুসারেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আলী বাঘেরি বলেন, পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম কালিন বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। আর সেখানে তেহরানের প্রতিনিধিত্ব করবেন সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসিন রেজাই। তিনি আরও বলেন, বৈঠকটি দীর্ঘস্থায়ী আঞ্চলিক নিরাপত্তা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পদক্ষেপ হতে পারে। আমরা আশা করি, উদ্যোগটি একটি স্থিতিশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যখন আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই আকস্মিক হামলা চালায় ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত সাময়িকভাবে থামে, কিন্তু সংকটের কারণ অপরিবর্তিত থেকে যায়। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালির আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
জুনে একটি সমঝোতা চুক্তি শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার কূটনৈতিক যোগাযোগ একপ্রকার বন্ধ রয়েছে। ফলে যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইয়েমেনে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনীর লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ার মধ্য দিয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে।
সূত্র: রয়টার্স

মক্কা জোটের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের জেরে প্রায় আট মাস ধরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এ অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের তিন দেশ সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান। এ বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর উপ-সচিব আলী বাঘেরি কানি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুসারেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আলী বাঘেরি বলেন, পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম কালিন বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। আর সেখানে তেহরানের প্রতিনিধিত্ব করবেন সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসিন রেজাই। তিনি আরও বলেন, বৈঠকটি দীর্ঘস্থায়ী আঞ্চলিক নিরাপত্তা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পদক্ষেপ হতে পারে। আমরা আশা করি, উদ্যোগটি একটি স্থিতিশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যখন আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই আকস্মিক হামলা চালায় ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত সাময়িকভাবে থামে, কিন্তু সংকটের কারণ অপরিবর্তিত থেকে যায়। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালির আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
জুনে একটি সমঝোতা চুক্তি শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার কূটনৈতিক যোগাযোগ একপ্রকার বন্ধ রয়েছে। ফলে যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইয়েমেনে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনীর লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ার মধ্য দিয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে।
সূত্র: রয়টার্স

ইসরায়েলের নির্বাচন ব্যাহতের চেষ্টা করতে পারে ইরান: নেতানিয়াহু







