২ হাজারেরও বেশি বন্দীর সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি
২ হাজারেরও বেশি বন্দীর সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি
শিয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র উৎসব ঈদুল গাদিরের প্রাক্কালে ইরানের দুই হাজারেরও বেশি বন্দীর সাজা মওকুফ ও লাঘবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া অন্তত ৬৯০ বন্দির এখনো খোঁজ মেলেনি। পলাতক বন্দিদের মধ্যে ৯ জন জঙ্গিবাদের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন।

সন্ত্রাস, খুন, মাদক কারবার, ধর্ষণের পাশাপাশি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ও আটকের সংখ্যা বাড়ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে কারাগারে বন্দির চাপ।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকের কাছে আয়নাঘর একটি রূপকথার গল্পের মতো মনে হতো। কিন্তু এটি যে কোনো রূপকথা নয়, বরং এক ভয়াবহ বাস্তবতা—তা আজ প্রমাণিত হয়েছে।’

নিহতরা বন্দি নাকি অপরাধচক্রের সদস্য এই মুহূর্তে সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানুষের প্রাণহানি। এটা কোনোভাবেই ঘটা উচিত ছিল না।
শিয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র উৎসব ঈদুল গাদিরের প্রাক্কালে ইরানের দুই হাজারেরও বেশি বন্দীর সাজা মওকুফ ও লাঘবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা এ ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছেন।

বিমানবন্দরের ‘প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক’ থেকে তাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

দেশের মানুষ যখন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদ্যাপন করছেন, সেই আনন্দ থেকে বাদ যাননি কারাগারের বন্দিরাও। তারা যাতে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দময় পরিবেশে ঈদ কাটাতে পারেন, এর জন্য বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রানতাউ পাঞ্জাং আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
