কারাগারে ঈদ আয়োজন, স্বজনদের সঙ্গে ফোনালাপের সুযোগ

কারাগারে ঈদ আয়োজন, স্বজনদের সঙ্গে ফোনালাপের সুযোগ
সিটিজেন ডেস্ক

দেশের মানুষ যখন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদ্যাপন করছেন, সেই আনন্দ থেকে বাদ যাননি কারাগারের বন্দিরাও। তারা যেন যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দময় পরিবেশে ঈদ কাটাতে পারেন, এর জন্য বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টায় কারাগারে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে কারাবন্দি ও কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা (স্টাফ) অংশ নেন। নামাজ শেষে কারাবন্দিদের মাঝে ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। সকালের নাস্তা হিসেবে ছিল মুড়ি, পায়েস ও সেমাই।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দেশের কারাগারে ঈদে বিশেষ খাবার হিসেবে দুপুরের মেনুতে রয়েছে পোলাও, গরুর রেজালা, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাসির মাংস, সিদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ ও পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৫টি কারাগারের মধ্যে ৭৩টিতে বর্তমানে বন্দি রয়েছে। হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে মোট বন্দির সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন।
ঈদের দিন বন্দিরা স্বজনদের রান্না করা খাবার খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি খেলাধুলারও আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে ৫ মিনিট কথা বলার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন বন্দিদের নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনের মধ্যে একদিন স্বজনদের সঙ্গে বন্দিরা দেখাও করতে পারবেন।
এবারের ঈদে বন্দিদের নতুন পোশাকও সরবরাহ করা হয়েছে। কারাগারের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে দুস্থ বন্দিদের মাঝে লুঙ্গি, গেঞ্জি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করা হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেল সুপার ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বন্দি ও স্টাফরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। পূর্বনির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সকালে তাদের মুড়ি, পায়েস ও সেমাই দেওয়া হয়েছে। খাওয়া শেষে শুরু হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দেশের মানুষ যখন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদ্যাপন করছেন, সেই আনন্দ থেকে বাদ যাননি কারাগারের বন্দিরাও। তারা যেন যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দময় পরিবেশে ঈদ কাটাতে পারেন, এর জন্য বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টায় কারাগারে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে কারাবন্দি ও কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা (স্টাফ) অংশ নেন। নামাজ শেষে কারাবন্দিদের মাঝে ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। সকালের নাস্তা হিসেবে ছিল মুড়ি, পায়েস ও সেমাই।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দেশের কারাগারে ঈদে বিশেষ খাবার হিসেবে দুপুরের মেনুতে রয়েছে পোলাও, গরুর রেজালা, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাসির মাংস, সিদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ ও পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৫টি কারাগারের মধ্যে ৭৩টিতে বর্তমানে বন্দি রয়েছে। হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে মোট বন্দির সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন।
ঈদের দিন বন্দিরা স্বজনদের রান্না করা খাবার খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি খেলাধুলারও আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে ৫ মিনিট কথা বলার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন বন্দিদের নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনের মধ্যে একদিন স্বজনদের সঙ্গে বন্দিরা দেখাও করতে পারবেন।
এবারের ঈদে বন্দিদের নতুন পোশাকও সরবরাহ করা হয়েছে। কারাগারের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে দুস্থ বন্দিদের মাঝে লুঙ্গি, গেঞ্জি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করা হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেল সুপার ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বন্দি ও স্টাফরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। পূর্বনির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সকালে তাদের মুড়ি, পায়েস ও সেমাই দেওয়া হয়েছে। খাওয়া শেষে শুরু হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

কারাগারে ঈদ আয়োজন, স্বজনদের সঙ্গে ফোনালাপের সুযোগ
সিটিজেন ডেস্ক

দেশের মানুষ যখন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদ্যাপন করছেন, সেই আনন্দ থেকে বাদ যাননি কারাগারের বন্দিরাও। তারা যেন যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দময় পরিবেশে ঈদ কাটাতে পারেন, এর জন্য বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টায় কারাগারে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে কারাবন্দি ও কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা (স্টাফ) অংশ নেন। নামাজ শেষে কারাবন্দিদের মাঝে ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। সকালের নাস্তা হিসেবে ছিল মুড়ি, পায়েস ও সেমাই।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দেশের কারাগারে ঈদে বিশেষ খাবার হিসেবে দুপুরের মেনুতে রয়েছে পোলাও, গরুর রেজালা, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাসির মাংস, সিদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ ও পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৫টি কারাগারের মধ্যে ৭৩টিতে বর্তমানে বন্দি রয়েছে। হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে মোট বন্দির সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন।
ঈদের দিন বন্দিরা স্বজনদের রান্না করা খাবার খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি খেলাধুলারও আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে ৫ মিনিট কথা বলার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন বন্দিদের নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনের মধ্যে একদিন স্বজনদের সঙ্গে বন্দিরা দেখাও করতে পারবেন।
এবারের ঈদে বন্দিদের নতুন পোশাকও সরবরাহ করা হয়েছে। কারাগারের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে দুস্থ বন্দিদের মাঝে লুঙ্গি, গেঞ্জি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করা হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেল সুপার ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বন্দি ও স্টাফরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। পূর্বনির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সকালে তাদের মুড়ি, পায়েস ও সেমাই দেওয়া হয়েছে। খাওয়া শেষে শুরু হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।




