নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত থাকায় নারীর মরদেহ দাফনে বাধা
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত থাকায় নারীর মরদেহ দাফনে বাধা
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ২০: ৪৫

মরদেহ দেখতে স্থানীয়দের ভিড়।
চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় এলাকায় এক নারীর মরদেহ দাফন নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকালে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্থানীয়দের আপত্তির মুখে দাফন কার্যক্রম থমকে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারী ছোটবেলা থেকেই নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়েও আপত্তি তোলা হয়। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নারী। তিনি সেখানে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে তার মরদেহ চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকার নিজ বাড়িতে আনা হয়। তবে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পরপরই দাফন নিয়ে আপত্তি তোলে স্থানীয়দের একটি অংশ।
এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বলেন, তার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। তাই এলাকাবাসী এখানে দাফন দিতে রাজি হয়নি।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিয়ে হয়েছিলো। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি স্বামী-সন্তান রেখে ঝিনাইদহের শৈলকূপার আরেকজনের সঙ্গে সংসার করেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় এলাকায় এক নারীর মরদেহ দাফন নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকালে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্থানীয়দের আপত্তির মুখে দাফন কার্যক্রম থমকে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারী ছোটবেলা থেকেই নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়েও আপত্তি তোলা হয়। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নারী। তিনি সেখানে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে তার মরদেহ চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকার নিজ বাড়িতে আনা হয়। তবে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পরপরই দাফন নিয়ে আপত্তি তোলে স্থানীয়দের একটি অংশ।
এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বলেন, তার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। তাই এলাকাবাসী এখানে দাফন দিতে রাজি হয়নি।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিয়ে হয়েছিলো। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি স্বামী-সন্তান রেখে ঝিনাইদহের শৈলকূপার আরেকজনের সঙ্গে সংসার করেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত থাকায় নারীর মরদেহ দাফনে বাধা
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ২০: ৪৫

মরদেহ দেখতে স্থানীয়দের ভিড়।
চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় এলাকায় এক নারীর মরদেহ দাফন নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকালে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্থানীয়দের আপত্তির মুখে দাফন কার্যক্রম থমকে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারী ছোটবেলা থেকেই নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়েও আপত্তি তোলা হয়। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নারী। তিনি সেখানে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে তার মরদেহ চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকার নিজ বাড়িতে আনা হয়। তবে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পরপরই দাফন নিয়ে আপত্তি তোলে স্থানীয়দের একটি অংশ।
এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বলেন, তার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। তাই এলাকাবাসী এখানে দাফন দিতে রাজি হয়নি।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিয়ে হয়েছিলো। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি স্বামী-সন্তান রেখে ঝিনাইদহের শৈলকূপার আরেকজনের সঙ্গে সংসার করেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
/এসআর/




