অবৈধ ফোন নিষ্ক্রিয়ে কঠোর অবস্থান: ছাড় নেই, সতর্ক করলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবৈধ ফোন নিষ্ক্রিয়ে কঠোর অবস্থান: ছাড় নেই, সতর্ক করলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ২০: ৩৩

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
অবৈধভাবে আমদানি ও চোরাচালানকৃত মোবাইল ফোন বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ সহকারীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘ক্লোন করা, অবৈধ আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করব। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, অবৈধ ফোনকে কেন্দ্র করে সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন, সিম–সংক্রান্ত অপরাধ, জুয়ার লিংক বা এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস পাঠানো, ভুল এমএফএস রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, ক্লোন ফোন জালিয়াতি, পেটেন্ট ও প্রযুক্তিগত রয়্যালটি ফাঁকি, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকিসহ নানা অনিয়ম চলছে। ভারত–চীন থেকে অবৈধভাবে ‘আনবক্সড’ ফোন আনা, লাগেজ পার্টি বা সীমান্ত চোরাচালানও এসব অপরাধের অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, এসব কার্যক্রম নাগরিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে বিডা, ব্যাংকিং খাত, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান, বিএফআইইউ ও এনবিআর সবার পক্ষ থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
‘ডাম্পিংয়ের সুযোগ আর দেওয়া হবে না বলে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে এক বছর আগেই লাখো ফোন দেশে ঢুকিয়ে ডাম্পিং করার সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না। মোবাইল ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নয়; তারা বৈধভাবে আমদানিকৃত বা দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ফোন বিক্রি করলেই কোনো সমস্যা নেই।’
তিনি জানান, একটি আইএমইআই নম্বরের বিপরীতে লাখ লাখ ফোন তৈরি করে দেশে আনা হচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে এসব সিটিআর (ক্লোন) করা সম্ভব হবে না। তাই এনইআইআর বন্ধে একটি মাফিয়া চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। লাগেজ পার্টি, ভুয়া এইচএস কোড, সীমান্ত চোরাচালানসহ কেজি দরে মোবাইল আনার প্রবণতা বন্ধে কঠোর নজরদারি জোরদার করার কথা জানান তিনি।
ফয়েজ আহমদ বলেন, বৈধপথে বিদেশ থেকে আনা ফোনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করতে বিটিআরসি কাজ করছে। ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বরের আগে অ্যাকটিভ থাকা সব ফোনই বৈধ হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পাবে।
ভারতসহ অন্যান্য দেশে এভাবে গণহারে বিদেশি ফোন ঢোকে না উল্লেখ করে বিশেষ সহকারী বলেন, ‘অবৈধ ফোন এনে হাই–এন্ড ফোনের দাম কমাতে হবে—এই চাপ বিটিআরসির ওপর কেউ দিতে পারে না। নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করা সিম ক্লোন নয় এমন ফোনে ব্যবহার করলে কোনো ঝামেলা হবে না।’
প্রবাসীরা নিয়ম অনুসারে এক বা দুটি ফোন ফ্রি আনতে পারবেন এবং সেগুলোর রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে—বলেছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তবে দুটির বেশি আনলে এনবিআরের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। রেজিস্ট্রেশন, ডি–রেজিস্ট্রেশন ও রি–রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে প্রাপ্ত যৌক্তিক মতামত আমলে নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

অবৈধভাবে আমদানি ও চোরাচালানকৃত মোবাইল ফোন বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ সহকারীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘ক্লোন করা, অবৈধ আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করব। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, অবৈধ ফোনকে কেন্দ্র করে সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন, সিম–সংক্রান্ত অপরাধ, জুয়ার লিংক বা এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস পাঠানো, ভুল এমএফএস রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, ক্লোন ফোন জালিয়াতি, পেটেন্ট ও প্রযুক্তিগত রয়্যালটি ফাঁকি, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকিসহ নানা অনিয়ম চলছে। ভারত–চীন থেকে অবৈধভাবে ‘আনবক্সড’ ফোন আনা, লাগেজ পার্টি বা সীমান্ত চোরাচালানও এসব অপরাধের অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, এসব কার্যক্রম নাগরিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে বিডা, ব্যাংকিং খাত, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান, বিএফআইইউ ও এনবিআর সবার পক্ষ থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
‘ডাম্পিংয়ের সুযোগ আর দেওয়া হবে না বলে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে এক বছর আগেই লাখো ফোন দেশে ঢুকিয়ে ডাম্পিং করার সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না। মোবাইল ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নয়; তারা বৈধভাবে আমদানিকৃত বা দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ফোন বিক্রি করলেই কোনো সমস্যা নেই।’
তিনি জানান, একটি আইএমইআই নম্বরের বিপরীতে লাখ লাখ ফোন তৈরি করে দেশে আনা হচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে এসব সিটিআর (ক্লোন) করা সম্ভব হবে না। তাই এনইআইআর বন্ধে একটি মাফিয়া চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। লাগেজ পার্টি, ভুয়া এইচএস কোড, সীমান্ত চোরাচালানসহ কেজি দরে মোবাইল আনার প্রবণতা বন্ধে কঠোর নজরদারি জোরদার করার কথা জানান তিনি।
ফয়েজ আহমদ বলেন, বৈধপথে বিদেশ থেকে আনা ফোনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করতে বিটিআরসি কাজ করছে। ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বরের আগে অ্যাকটিভ থাকা সব ফোনই বৈধ হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পাবে।
ভারতসহ অন্যান্য দেশে এভাবে গণহারে বিদেশি ফোন ঢোকে না উল্লেখ করে বিশেষ সহকারী বলেন, ‘অবৈধ ফোন এনে হাই–এন্ড ফোনের দাম কমাতে হবে—এই চাপ বিটিআরসির ওপর কেউ দিতে পারে না। নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করা সিম ক্লোন নয় এমন ফোনে ব্যবহার করলে কোনো ঝামেলা হবে না।’
প্রবাসীরা নিয়ম অনুসারে এক বা দুটি ফোন ফ্রি আনতে পারবেন এবং সেগুলোর রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে—বলেছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তবে দুটির বেশি আনলে এনবিআরের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। রেজিস্ট্রেশন, ডি–রেজিস্ট্রেশন ও রি–রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে প্রাপ্ত যৌক্তিক মতামত আমলে নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

অবৈধ ফোন নিষ্ক্রিয়ে কঠোর অবস্থান: ছাড় নেই, সতর্ক করলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ২০: ৩৩

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
অবৈধভাবে আমদানি ও চোরাচালানকৃত মোবাইল ফোন বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ সহকারীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘ক্লোন করা, অবৈধ আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করব। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, অবৈধ ফোনকে কেন্দ্র করে সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন, সিম–সংক্রান্ত অপরাধ, জুয়ার লিংক বা এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস পাঠানো, ভুল এমএফএস রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, ক্লোন ফোন জালিয়াতি, পেটেন্ট ও প্রযুক্তিগত রয়্যালটি ফাঁকি, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকিসহ নানা অনিয়ম চলছে। ভারত–চীন থেকে অবৈধভাবে ‘আনবক্সড’ ফোন আনা, লাগেজ পার্টি বা সীমান্ত চোরাচালানও এসব অপরাধের অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, এসব কার্যক্রম নাগরিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে বিডা, ব্যাংকিং খাত, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান, বিএফআইইউ ও এনবিআর সবার পক্ষ থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
‘ডাম্পিংয়ের সুযোগ আর দেওয়া হবে না বলে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে এক বছর আগেই লাখো ফোন দেশে ঢুকিয়ে ডাম্পিং করার সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না। মোবাইল ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নয়; তারা বৈধভাবে আমদানিকৃত বা দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ফোন বিক্রি করলেই কোনো সমস্যা নেই।’
তিনি জানান, একটি আইএমইআই নম্বরের বিপরীতে লাখ লাখ ফোন তৈরি করে দেশে আনা হচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে এসব সিটিআর (ক্লোন) করা সম্ভব হবে না। তাই এনইআইআর বন্ধে একটি মাফিয়া চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। লাগেজ পার্টি, ভুয়া এইচএস কোড, সীমান্ত চোরাচালানসহ কেজি দরে মোবাইল আনার প্রবণতা বন্ধে কঠোর নজরদারি জোরদার করার কথা জানান তিনি।
ফয়েজ আহমদ বলেন, বৈধপথে বিদেশ থেকে আনা ফোনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করতে বিটিআরসি কাজ করছে। ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বরের আগে অ্যাকটিভ থাকা সব ফোনই বৈধ হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পাবে।
ভারতসহ অন্যান্য দেশে এভাবে গণহারে বিদেশি ফোন ঢোকে না উল্লেখ করে বিশেষ সহকারী বলেন, ‘অবৈধ ফোন এনে হাই–এন্ড ফোনের দাম কমাতে হবে—এই চাপ বিটিআরসির ওপর কেউ দিতে পারে না। নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করা সিম ক্লোন নয় এমন ফোনে ব্যবহার করলে কোনো ঝামেলা হবে না।’
প্রবাসীরা নিয়ম অনুসারে এক বা দুটি ফোন ফ্রি আনতে পারবেন এবং সেগুলোর রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে—বলেছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তবে দুটির বেশি আনলে এনবিআরের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। রেজিস্ট্রেশন, ডি–রেজিস্ট্রেশন ও রি–রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে প্রাপ্ত যৌক্তিক মতামত আমলে নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।




