নিয়ম বদলে সরাসরি ৪ হাজার এসআই নিয়োগের পরিকল্পনা
সিটিজেন ডেস্ক

নিয়ম বদলে সরাসরি ৪ হাজার এসআই নিয়োগের পরিকল্পনা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ০৪

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বড় ধরনের জনবল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো সরাসরি ৪ হাজার উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাংগঠনিক কাঠামোতে নতুন করে ৫০০টি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে।
গত ৬ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পলিসি গ্রুপের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান সরকারের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও যুগোপযোগী করতে এই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, অপরাধের ধরন পরিবর্তন এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরাসরি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ এসআই নিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে এ উদ্যোগ ঘিরে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এসআই পদের ৫০ শতাংশ সরাসরি এবং বাকি অর্ধেক বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।
বিদ্যমান পুলিশ রেগুলেশনস (পিআরবি) সংশোধনের মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগের হার বাড়ানো হলে পদোন্নতির স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কনস্টেবল, নায়েক ও এএসআই পদমর্যাদার দেড় লক্ষাধিক সদস্য। ইতোমধ্যে পদোন্নতি পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ৯৪৬ জন সদস্য তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে পুলিশের বিপুলসংখ্যক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অবসরে যাওয়ার বিষয়টিকে মাথায় রেখে মধ্যম সারির নেতৃত্ব জোরদারে ৫০০ এএসপি পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স শাখা থেকে এসআই নিয়োগের বিধি সংশোধনের খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকার এ প্রস্তাব অনুমোদন দিলে সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে দক্ষ জনবল যুক্ত হলে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে জনগণের আধুনিক পুলিশিং সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে।

বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বড় ধরনের জনবল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো সরাসরি ৪ হাজার উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাংগঠনিক কাঠামোতে নতুন করে ৫০০টি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে।
গত ৬ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পলিসি গ্রুপের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান সরকারের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও যুগোপযোগী করতে এই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, অপরাধের ধরন পরিবর্তন এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরাসরি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ এসআই নিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে এ উদ্যোগ ঘিরে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এসআই পদের ৫০ শতাংশ সরাসরি এবং বাকি অর্ধেক বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।
বিদ্যমান পুলিশ রেগুলেশনস (পিআরবি) সংশোধনের মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগের হার বাড়ানো হলে পদোন্নতির স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কনস্টেবল, নায়েক ও এএসআই পদমর্যাদার দেড় লক্ষাধিক সদস্য। ইতোমধ্যে পদোন্নতি পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ৯৪৬ জন সদস্য তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে পুলিশের বিপুলসংখ্যক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অবসরে যাওয়ার বিষয়টিকে মাথায় রেখে মধ্যম সারির নেতৃত্ব জোরদারে ৫০০ এএসপি পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স শাখা থেকে এসআই নিয়োগের বিধি সংশোধনের খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকার এ প্রস্তাব অনুমোদন দিলে সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে দক্ষ জনবল যুক্ত হলে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে জনগণের আধুনিক পুলিশিং সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে।

নিয়ম বদলে সরাসরি ৪ হাজার এসআই নিয়োগের পরিকল্পনা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ০৪

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বড় ধরনের জনবল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো সরাসরি ৪ হাজার উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাংগঠনিক কাঠামোতে নতুন করে ৫০০টি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে।
গত ৬ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পলিসি গ্রুপের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান সরকারের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও যুগোপযোগী করতে এই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, অপরাধের ধরন পরিবর্তন এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরাসরি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ এসআই নিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে এ উদ্যোগ ঘিরে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এসআই পদের ৫০ শতাংশ সরাসরি এবং বাকি অর্ধেক বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।
বিদ্যমান পুলিশ রেগুলেশনস (পিআরবি) সংশোধনের মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগের হার বাড়ানো হলে পদোন্নতির স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কনস্টেবল, নায়েক ও এএসআই পদমর্যাদার দেড় লক্ষাধিক সদস্য। ইতোমধ্যে পদোন্নতি পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ৯৪৬ জন সদস্য তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে পুলিশের বিপুলসংখ্যক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অবসরে যাওয়ার বিষয়টিকে মাথায় রেখে মধ্যম সারির নেতৃত্ব জোরদারে ৫০০ এএসপি পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স শাখা থেকে এসআই নিয়োগের বিধি সংশোধনের খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকার এ প্রস্তাব অনুমোদন দিলে সরাসরি নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে দক্ষ জনবল যুক্ত হলে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে জনগণের আধুনিক পুলিশিং সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে।
/এমএকে/




